০৫ মার্চ ২০২৪, মঙ্গলবার, ০৪:৩৭:৩৮ পূর্বাহ্ন


প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমের দশ বাজে সাইনিং
ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৪-০৫-২০২৩
প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমের দশ বাজে সাইনিং প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমের দশ বাজে সাইনিং। ছবি: গোল ডটকম


প্রিমিয়ার লিগের মৌসুম শেষের পথে। সব মিলিয়ে ১২ লিগ ম্যাচ বাকি আছে। এর মধ্যে সংবাদ মাধ্যম গোল ডটকম শেষ হতে যাওয়া প্রিমিয়ার লিগের বাজে সাইনিংয়ের তালিকা করেছে। সেখানে আছেন রিচার্লিসন, মিখাইলো মুডরিক, অ্যান্তোনি, কেলভিন ফিলিপের মতো প্রতিশ্রুতিশীলরা। 

রিচার্লিসন: মৌসুমের শুরুতে ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, মিডফিল্ডার বিশ্বমা এবং স্ট্রাইকার রিচার্লিসনকে কিনে শিরোপার দাবিদার হওয়ার বার্তা দেয় টটেনহ্যাম। কিন্তু মৌসুমে ৩৪ ম্যাচে মাত্র ৩ গোল করা ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার রিচার্লি চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছেন। তাকে ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডে কেনেছিল স্পার্সরা। 

মার্ক কুকুরেল্লা: ব্রাইটন থেকে স্প্যানিশ তরুণ লেফট ব্যাক মার্ক কুকুরেল্লাকে ৬৩ মিলিয়ন পাউন্ড দিয়ে কিনেছিল চেলসি। গোল করে তার দামের সঙ্গে সুবিচার করা কথা নয়। কিন্তু গোলে সহায়তা দেওয়া, রক্ষণ সামলে আক্রমণে ওঠা ও টেকনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার কথা ছিল। তিনি পারেননি। 

কেলভিন ফিলিপস: ফার্নাদিনহোর বিকল্প হিসেবে লিডস থেকে ৪২ মিলিয়ন পাউন্ড দিয়ে ইংলিশ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ফিলিপসকে কিনেছিল ম্যানসিটি। সব মিলিয়ে দলটির হয়ে ১৯ ম্যাচে ৪৯৯ মিনিট খেলেছেন তিনি। ম্যাচ প্রতি ২৬ মিনিট করে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। প্রমাণই করবেন কী! 

মিখাইলো মুডরিক: ইউক্রেনের নেইমার খ্যাত মিখাইলো মুড্রিককে ১০০ মিলিয় ইউরো বা ৮৮.৫ মিলিয়ন পাউন্ড দিয়ে কিনে বেঞ্চে বসিয়ে রেখেছে চেলসি। যেটুকু সুযোগ তিনি পেয়েছেন নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। 

জেসে লিংগার্ড: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে ফ্রি এজেন্টে নটিংহ্যামে গিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন লিংগার্ড। নিয়মিত খেলার সুযোগ পেয়েছেন, মোটা অঙ্কের বেতন নিয়েছেন। কিন্তু পারফরম্যান্স দিতে পারেননি তিনি। 

অ্যান্তোনি: প্রিমিয়ার লিগের প্রথম মৌসুমে ৮৫ মিলিয়ন পাউন্ডের অ্যান্তোনি কেমন করলেন তা বিচার করা কঠিন। ম্যানইউতে মানিয়ে নেওয়ার বিষয় ছিল। সব মিলিয়ে মৌসুমে আট গোল করেছেন এবং আট গোলে সহায়তা দিয়েছেন। মাঝে মধ্যেই ঝলক দেখিয়েছেন। তবু অ্যান্তোনি তার নাম ও দামের সঙ্গে সুবিচার করতে পারেননি। 

আর্থার মেলো: জাভির সঙ্গে তুলনা থেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে আর্থার মেলো। বার্সেলোনা ছেড়ে জুভেন্টাস। সেখান থেকে ধারে লিভারপুলে এসে মাত্র একটা ম্যাচ খেলেই ইনজুরিতে পড়েন তিনি। 

অবামেয়াং: আর্সেনাল থেকে বার্সেলোনায় গিয়েছিলেন পিয়ারে এমরিক অবামেয়াং। সেখান থেকে চেলসি এসে নিজেকে প্রমাণ করতে পারেননি তিনি। টমাস টুখেল বরখাস্ত হওয়ার পর চেলসিতে নড়বড়ে হয়ে যায় তার জায়গা। 

কালিদৌ কাউলিবালি: নাপোলির সেনেগালিচ ডিফেন্ডার কাউলিবালিকে ৩৩ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে কিনেছে চেলসি। অ্যান্তোনিও রুডিগার ও আন্দ্রেসা ক্রিস্টেনসেনের জায়গা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। 

রাহিম র্স্টালিং: ম্যানচেস্টার সিটিতে সাত মৌসুমের কোনটিতে তিনি দশটির নিচে গোল করেননি। সর্বোচ্চ ৩১ গোলও করেছেন এক মৌসুমে। ওই র্স্টালিং ৪৭ মিলিয়ন পাউন্ডে চেলসিতে এসে মৌসুমে এখন পর্যন্ত মাত্র ৯ গোল করেছেন। অথচ দলটির পরিকল্পনার বড় জায়গাজুড়ে ছিলেন তিনি।