০৩ মার্চ ২০২৪, রবিবার, ০৭:৩৯:০৭ অপরাহ্ন


নাটোরের বাগাতিপাড়ায় নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে দাদা আটক
বাগাতিপাড়া, (নাটোর), প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ৩১-১০-২০২২
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে দাদা আটক নাটোরের বাগাতিপাড়ায় নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে দাদা আটক


নাটোরের বাগাতিপাড়ায় নাতনিকে ধর্ষনের অভিযোগে দাদা আব্দুস সালামকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১৩ জুলাই কাওমী মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষনের শিকার হয়। এই ঘটনার তিনমাস পর গত রোববার রাতে (৩০ অক্টোবর) ওই শিশুর মা বাদি হয়ে বাগাতিপাড়া মডেল থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ওই মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাতেই অভিযুক্ত আব্দুস সালামকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুস সালাম উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের হিজলি দীঘাপাড়াা গ্রামের মৃত রমজান খলিফার ছেলে।

মামলার বাদী শাহানাজ বলেন, অভিযুক্ত আব্দুস সালাম সম্পর্কে তার মামা শশুর । তার শিশু কন্যা সম্পর্কে সালামের নাতনি। গত ১৩ জুলাই আব্দুস সালামের ভাতিজীর বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। সেই অনুষ্ঠানে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে আমার ১০ বছরের শিশু কন্যা কাওমী মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রীও বিয়ে বাড়িতে ছিল।

এ সময় মামা শশুর আব্দুস সালাম আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে ডেকে নিয়ে তার বাড়ির স্টোর রুমে  নিয়ে গিয়ে মেয়েটিকে বিবস্ত্র করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় আমার মেয়ে চিৎকার করলে তার মুখ চেপে ধরে বলে এই কথা কাউকে জানালে তোকে মেরে ফেলবো। সেই ভয়ে এতদিন কাউকে কিছু বলেনি। এরপর থেকে ধর্ষক সালাম নিজেকে আত্মগোপনে রাখে এই তিনমাস। প্রায় তিনদিন আগে সে বাড়িতে আসে। আর তাকে দেখার পর থেকে আমার মেয়ে প্রায় সময় ঘুমের মধ্যে ভয়ে কেঁদে ওঠে। রোববার সকালে আবার আমার মামা শশুর আব্দুস সালামকে দেখে সে ভয় পায় এবং দৌড়ে এসে আমাকে ওইদিনের ঘটনা খুলে বলে। মেয়ের মুখে সব শুনে আমি রাতেই থানায় এসে আমার শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে আমার মামা শশুর আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করি। আমি ধর্ষক সালামের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই।

বাগাতিপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম শিশু ধর্ষনের অভিযোগে মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওই শিশু প্রায় তিনমাস আগে ধর্ষণের শিকার হয়। রোববার  রাত ৮টার দিকে এজাহার পেয়ে রাত ১০টায় অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে সোমবার জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।