ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ , ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হালিশহরে যৌথ অভিযানে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সরঞ্জাম উদ্ধার চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় আকাশ দাস হত্যা: ঢাকায় গ্রেপ্তার প্রধান আসামি রেন্ডি রাণীশংকৈলে শাশুড়ীকে দাফন করে বাড়ী ফেরার পথে লাশ হলেন জামাই থিম ওমর প্লাজায় বাটার নতুন শো-রুমের উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক রাসিক প্রশাসকের সাথে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট কমিটির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা তানোর বাল্য বিবাহ ও শিশু শ্রম মুক্ত ঘোষণার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চায় এগিয়ে যাচ্ছে শিশুরা: রাণীশংকৈলে ইউনিয়ন পর্যায়ে শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা “জামায়াতকে জনগণ কখনো ক্ষমতায় আনবে না”—ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুলের কড়া বার্তা, বিমানবন্দর চালুর আশ্বাসে নতুন আশা “জামায়াতকে জনগণ কখনো ক্ষমতায় আনবে না”—ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুলের কড়া বার্তা, বিমানবন্দর চালুর আশ্বাসে নতুন আশা অবৈধভাবে ব্যাটারি কারখানার এক লাখ টাকা জরিমানা তোমার মনে আমার জন্য জায়গা রেখো: মেহজাবীন শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: প্রধান আসামি সোহেলের দায় স্বীকার নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩১ নগরীতে ইয়াবা, গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ৪ “দীর্ঘ প্রতীক্ষার স্বপ্নপূরণে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়, রূপকার মির্জা ফখরুল”- ভিসি ড. ইসরাফিল শাহীন হার্টের অসুখ হয়েছে বলে ডিম খাওয়া ছেড়েছেন? শরীরের লাভ হচ্ছে না কি ক্ষতি? গরমে চুল ছোট করে ছাঁটতে চান, মুখের গড়ন বুঝেই তা বাছতে হবে ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বন্ধুর মৃত্যু ‘বিয়েটা কি সত্যি এতটাই দরকার!’ মৌনীর বিচ্ছেদের পরে বিতর্কে দিশা হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

মা-মেয়েকে একসঙ্গে হত্যা করে ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস, লোমহর্ষক তথ্য দিলেন হত্যাকারী

  • আপলোড সময় : ১৭-০১-২০২৬ ০৯:৪২:৫১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০১-২০২৬ ০৯:৪২:৫১ অপরাহ্ন
মা-মেয়েকে একসঙ্গে হত্যা করে ২১ দিন  লাশের সঙ্গে বসবাস, লোমহর্ষক তথ্য দিলেন হত্যাকারী মা-মেয়েকে একসঙ্গে হত্যা করে ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস, লোমহর্ষক তথ্য দিলেন হত্যাকারী
সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ঢাকার কেরানীগঞ্জে। মা-মেয়েকে একসঙ্গে হত্যা করে ২১ দিন ওই দুই লাশ নিজ ফ্ল্যাটে রেখেই পরিবার নিয়ে দিব্যি বসবাস করছিলেন হত্যাকারী। 

গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের মুক্তিরবাগ এলাকায় নুসরাত মীম নামে এক শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে স্কুলছাত্রী জোবাইদা রহমান ফাতেমা ও তার মা রোকেয়া রহমানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 

এ ঘটনায় শিক্ষিকা নুসরাত মীম (২৪), তাঁর স্বামী হুমায়ুন মিয়া (২৮), মীমের ১৫ বছর ও ১১ বছর বয়সী দুই বোনকে আটক করা হয়। এরপর গ্রেপ্তার শিক্ষিকাকে জিজ্ঞাসাবাদে লোমহর্ষক তথ্য পায় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডের পর ২১ দিন ধরে মা-মেয়ের লাশ ফ্ল্যাটে রেখেই পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন ওই শিক্ষিকা।

এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিল স্কুলছাত্রী জোবাইদা রহমান (১৪) ও তার মা রোকেয়া রহমান (৩২)। এ ঘটনার পরদিন রোকেয়ার স্বামী শাহীন আহম্মেদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ৬ জানুয়ারি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় অপহরণের মামলা করেন তিনি।

নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম বলেন, গ্রেপ্তার নুসরাত মীম একটি এনজিও থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নেন। ওই ঋণের জামিনদার ছিলেন তাঁর শিক্ষার্থী জোবাইদার মা রোকেয়া রহমান। নির্ধারিত সময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পারায় রোকেয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করে এনজিও কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে রোকেয়া ও নুসরাতের মধ্যে একাধিকবার কথা–কাটাকাটি ও মনোমালিন্য হয়। ২৫ ডিসেম্বর বিকেলে ফাতেমা প্রাইভেট পড়তে নুসরাতের বাসায় গেলে নুসরাতের ছোট বোনের (১৫) সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ফাতেমাকে গলা চেপে হত্যা করে তার ওই বোন।
 
ওসি সাইফুল আলম বলেন, ঘটনার পর বিষয়টি আড়াল করতে ফাতেমার পোশাক পরে বাসা থেকে বের হয় নুসরাতের বোন, যাতে সিসিটিভি ফুটেজে মনে হয় ফাতেমা নিজেই বাসা ছেড়ে চলে গেছে। ওই ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা পর ফাতেমার মাকে ফোন করে মেয়ের অসুস্থতার কথা জানান নুসরাত। তৎক্ষণাৎ মেয়েকে নিতে নুসরাতের বাসায় ঢুকলে পেছন থেকে ওড়না পেঁচিয়ে রোকেয়ার গলা চেপে ধরেন তিনি। একপর্যায়ে তাকে ধাক্কা দিয়ে মেঝেতে ফেলে দেন নুসরাত। পরে দুই বোন মিলে শ্বাসরোধে রোকেয়াকে হত্যা করেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ঘটনার পর রোকেয়ার লাশ নুসরাতের শোবার ঘরের বক্স খাটের নিচে এবং ফাতেমার লাশ শৌচাগারের ফলস সিলিংয়ের ভেতর লুকিয়ে রাখা হয়। দুটি লাশ ফ্ল্যাটে রেখেই অভিযুক্ত দুই বোন ও তাদের পরিবার প্রায় ২১ দিন সেখানে বসবাস করে আসছিল। 

তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুসরাত ও তার ছোট বোন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ইতোমধ্যে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। নুসরাতের বোন নাবালিকা হওয়ায় তাকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, সেটাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩১

নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩১