ভুক্তভোগী সাংবাদিকের দাবি, স্থানীয় দালাল চক্রের প্রভাবে অভিযুক্ত সহজেই পার পেয়ে যায়। আর থানায় প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পরও তিনি বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদের দেখা পাননি।
শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে বাঘা থানাধীন নাপিতপাড়া এলাকায় তিনজন উঠতি বয়সী কিশোর বেপরোয়া গতিতে বাইক রেসিং করছিল। এসময় আলিফ (১৭) নামের এক কিশোর (সুজুকি জিক্সার ১৫০ সিসি চালক, মনিগ্রাম বাজার এলাকার মুক্তারের ছেলে) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্থানীয় পত্রিকা 'রাজশাহীর সময়' ও 'সাপ্তাহিক বাংলার বিবেক'-এর বাঘা প্রতিনিধি রানা শেখের (৩১) থামানো ইয়ামাহা আরওয়ানফাইভ (R15) মোটরবাইকের সঙ্গে ধাক্কা মারে।
দুর্ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত না হলেও, সাংবাদিক রানা শেখের দামি আরওয়ানফাইভ (R15) বাইকটি গুরুতরভাবে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায়।
স্থানীয়রা অভিযুক্ত কিশোর আলিফকে আটক করে। এসময় মালেক (৪৮) নামের এক ব্যক্তি (গরুর দালাল ফরার ছেলে, যিনি এলাকায় প্রতিনিয়ত নেতার ভূমিকায় থাকেন) ঘটনাস্থলে এসে মিমাংসার আশ্বাস দিয়ে বাইক ও কিশোরকে নিজ হেফাজতে নেন। সাংবাদিক রানা শেখ প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য স্থানীয় ফার্মেসিতে যান। ফিরে এসে দেখেন আলিফ ও তার বাইক ঘটনাস্থলে নেই।
সাংবাদিক রানা শেখের অভিযোগ, স্থানীয় মালেক টাকা খেয়ে কিশোর আলিফকে তার মোটরবাইক নিয়ে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন। অর্থাৎ, স্থানীয় দালাল চক্র ঘটনার শুরুতেই আইনকে পাশ কাটিয়ে অপরাধীকে পালাতে সুযোগ করে দিয়েছে।
প্রতারণার ঘটনা বুঝতে পেরে সাংবাদিক রানা শেখ তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯-এ কল দেন। এরপর বাঘা থানা পুলিশের এএসআই মোজাম্মেল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি সাংবাদিককে মামলা করার পরামর্শ দেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মোটরবাইকটি থানায় নিয়ে যান।
রানা শেখ