ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ , ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেন থেকে পড়লো শিশু, বাবাও দিলেন ঝাঁপ– উপর দিয়ে গেল ৮ বগি রাসিকের প্রশাসকের সাথে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রুয়েট উপাচার্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ভারতের সহকারী হাইকমিশনার রাসিক প্রশাসকের সাথে কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাসিক প্রশাসকের সাথে জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড়বৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ভাগাভাগি করতে আগ্রহী ইরান পাবনায় ফেন্সিডিল ও ইস্কাফসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার ভোলায় গরু চুরিতে দিশেহারা চরবাসী,এক রাতেই নিঃস্ব কৃষক বিদেশফেরত চিকিৎসকের বাড়িতে লুটপাটের পর আগুন তানোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু আত্রাইয়ে স্ত্রীকে তুলে নিতে এসে স্বামীসহ সাত জন আটক মেয়ের বিয়ের আগের রাতে স্ত্রীকে মেরে ফেললেন স্বামী টয়লেটে গিয়ে মোবাইলে প্রশ্ন সমাধান করছিল এসএসসি পরীক্ষার্থী হাত-পা বাঁধা ও বিবস্ত্র অবস্থায় ধানক্ষেতে পড়ে ছিলেন প্রতিবন্ধী তরুণী ট্রাফিক পুলিশকে লাঞ্ছিত করায় শ্যালক-দুলাভাই গ্রেপ্তার পানির নিচে পাকা ধান, ঘরে তুলতে লড়ছেন নারীরা পুলিশে নতুন করে সাড়ে ১৪ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে মেয়াদ শেষে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-প্রধান উপদেষ্টা ৬ মাস ভিভিআইপি নোয়াখালীতে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১, আহত ৮ সিংড়ায় চাউল-পানির বিষক্রিয়ায় ৮জন ধান কাটা শ্রমিক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

কিয়ামতের দিন জালিমের যে পরিণতি হবে

  • আপলোড সময় : ১৬-০৯-২০২৫ ০৫:১৬:৩২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-০৯-২০২৫ ০৫:১৬:৩২ অপরাহ্ন
কিয়ামতের দিন জালিমের যে পরিণতি হবে ছবি- সংগৃহীত
অন্যায় ও জুলুম একটি ভয়াবহ অপরাধ। এর পরিণতি করুণ হয়ে থাকে। জালিম ব্যক্তিকে আল্লাহ তায়ালা পরকালে কঠিন শাস্তি দেবেন। তবে অনেক সময় পৃথিবীতেই জালিম ব্যক্তি ভয়াবহ ও দৃষ্টান্তমূলক পেয়ে থাকেন। অন্যদের সর্তক করতেই আল্লাহ তায়ালা জালিমকে কঠিন পরিণতির মুখোমুখি করেন। 

রাসুল (সা.) জালিম ব্যক্তিকে মজলুমের অসহায় অর্তনাদ থেকে বেঁচে থাকতে বলেছেন। কারণ, আল্লাহ কখনো মজলুমের ফরিয়াদ ফিরিয়ে দেন না। ইবনু আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মুয়াজ (রা.)-কে ইয়ামানে পাঠান তাকে বলেন, মজলুমের ফরিয়াদকে ভয় করবে। কারণ, তার ফরিয়াদ এবং আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা থাকে না। (সহিহ বুখারি)

আরেক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুলুম নিয়ে হাশরের মাঠে উপস্থিত হবে তার মত হতভাগা আর কেউ নেই। কারণ, সে প্রত্যেক মজলুমকে তার হক বুঝিয়ে দিতে থাকবে, শেষ পর্যন্ত যখন আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না তখন তার ওপর অপরের গুনাহের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হবে। 

অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা জুলুম থেকে বেঁচে থাক; কারণ, জুলুম কিয়ামতের দিন প্রগাঢ় অন্ধকার হিসেবে দেখা দিবে।’(মুসলিম, হাদিস : ২৫৭৮)

অন্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, প্রত্যেক ব্যক্তি তার প্রাপ্য অধিকার প্রাপ্ত হবে। এমনকি যদি কোন শিংবিশিষ্ট ছাগল কোন বিনা শিং-এর ছাগলের উপর অত্যাচার করে থাকে, তাহলে তারও বদলা দেওয়া হবে। ( মুসনাদে আহমাদ) 

জুলুমের পরিণতি সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেছেন, 

وَ عَنَتِ الۡوُجُوۡهُ لِلۡحَیِّ الۡقَیُّوۡمِ ؕ وَ قَدۡ خَابَ مَنۡ حَمَلَ ظُلۡمًا

আর চিরঞ্জীব, চিরপ্রতিষ্ঠিত-সর্বসত্তার ধারকের কাছে সবাই হবে নিম্নমুখী এবং সে-ই ব্যর্থ হবে, যে জুলুম বহন করবে। (সুরা ত্বহা, আয়াত : ১১১)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘তোমরা কি জান, নিঃস্ব কে?’ সাহাবিরা বললেন, ‘যার কাছে কোনো দিনার-দিরহাম এবং কোনো আসবাব-পত্র নেই সেই তো নিঃস্ব।’ 

তিনি বললেন, ‘আমার উম্মতের মধ্যে (প্রকৃত) নিঃস্ব তো সেই ব্যক্তি, যে কিয়ামতের দিন নামাজ, রোজা, জাকাতের (নেকি) নিয়ে উপস্থিত হবে। এ সময় তার অবস্থা এমনও থাকবে যে, সে দুনিয়াতে কাউকে গাল দিয়েছে। কারো প্রতি মিথ্যা অপবাদ আরোপ করেছে, অবৈধ উপায়ে কারো সম্পদ ভোগ করেছে। কাউকে হত্যা করেছে এবং কাউকে মেরেছে। তখন তার সব নেকি এই অত্যাচারিত ব্যক্তিদের দিয়ে দেওয়া হবে।

এরপরও যদি পাওনাদারের হক তার নেক আমল থেকে পূরণ করা না যায়, তাহলে সে ঋণের পরিবর্তে তাদের পাপের একাংশ তাকে দিয়ে দেওয়া হবে। এরপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস, ৬৪৭৩)

এই হাদিসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, কিয়ামতের দিন কোনো ব্যক্তি হয়তো নামাজ, রোজা, জাকাত আদায়ের বিশাল সওয়াব নিয়ে উপস্থিত হবে, কিন্তু এই ব্যক্তির নেক আমলের সওয়াব আল্লাহর আজাব থেকে বাঁচাতে তার কোনো কাজে আসবে না।

কারণ, সে ইবাদত পালন করলেও দুনিয়াতে মানুষের সঙ্গে তার ব্যবহার আচার ঠিক ছিল না, সে তার প্রভাব প্রতিপত্তির কারণে হয়তো কাউকে অন্যায়ভাবে গালি দিয়েছে আবার কাউকে অন্যায়ভাবে মারধর করেছে, কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। কিন্তু অত্যাচারিত ব্যক্তিরা দুর্বল হওয়ার কারণে দুনিয়াতে তাকে কিছু বলতে পারেনি, কোনো প্রতিশোধ নিতে পারেনি, পরকালে তারা আল্লাহর কাছে এর বদলা চেয়ে নেবে। তখন আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে পুরোপুরো ইনসাফের সঙ্গে তাদের ওপর হওয়া অন্যায়ের বদলা ফিরিয়ে দেবেন। এবং অত্যাচারী ব্যক্তিকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে তার অন্যায়ের কারণে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Admin News

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীতে আইনগত সহায়তা দিবস: ৬২১টি বিরোধ নিষ্পত্তি

রাজশাহীতে আইনগত সহায়তা দিবস: ৬২১টি বিরোধ নিষ্পত্তি