রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের উপসচিব (ভাণ্ডার) মোঃ দুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষা বোর্ডের একাধিক সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রভাব বিস্তার করে বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কার্যক্রমে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন।
সূত্রগুলোর অভিযোগ, মোঃ দুরুল ইসলাম একই সঙ্গে উপসচিব (ভাণ্ডার), উপসচিব (প্রশাসন) এবং শিক্ষা বোর্ড অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব পদে থেকে তিনি প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেছেন।
শিক্ষা বোর্ডের কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর দাবি, সাম্প্রতিক নিয়োগ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারীদের মতে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার এবং তদবিরের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন নথিপত্র সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়া তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তদবিরে প্রভাব খাটানো এবং বোর্ডের বিভিন্ন কার্যক্রমে একক আধিপত্য বজায় রাখার অভিযোগও উঠেছে। শিক্ষা বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, এসব অভিযোগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের উপসচিব (ভাণ্ডার) মোঃ দুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে| অভিযোগগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা বোর্ডের অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী দুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের কথা শুনে আসছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছি।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শিক্ষা বোর্ডের একাধিক সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রভাব বিস্তার করে বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কার্যক্রমে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন।
সূত্রগুলোর অভিযোগ, মোঃ দুরুল ইসলাম একই সঙ্গে উপসচিব (ভাণ্ডার), উপসচিব (প্রশাসন) এবং শিক্ষা বোর্ড অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব পদে থেকে তিনি প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেছেন।
শিক্ষা বোর্ডের কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর দাবি, সাম্প্রতিক নিয়োগ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারীদের মতে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার এবং তদবিরের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন নথিপত্র সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়া তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তদবিরে প্রভাব খাটানো এবং বোর্ডের বিভিন্ন কার্যক্রমে একক আধিপত্য বজায় রাখার অভিযোগও উঠেছে। শিক্ষা বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, এসব অভিযোগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের উপসচিব (ভাণ্ডার) মোঃ দুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে| অভিযোগগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা বোর্ডের অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী দুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের কথা শুনে আসছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছি।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক