রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা দুরুল বাবুর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। সুত্র জানায়, আওয়ামী মতাদর্শী দুরুল আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রভাব বিস্তার করে শিক্ষা বোর্ডের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব বাগিয়ে নিয়েছেন। তিনি একই সঙ্গে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের উপ সচিব ভান্ডার, উপ সচিব প্রশাসন ও শিক্ষা বোর্ডের অফিসার্স কল্যান সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
কথিত আছে, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের দুরুল বাবুর লাগামহীন অনিয়মের গল্পের কাছে রুপকথার গল্পও যেনো হার মানতে বসেছে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে সুযোগ বুঝে তিনি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নেওয়াসহ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সুত্র জানায়,চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে এসে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এই দুরুল বাবুকে নিয়ে যেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সব সময় তটস্থ। বদলী বানিজ্য, নিয়োগ বানিজ্য থেকে শুরু করে তার বিতর্কিত প্রভাব নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের অনেকের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে। জনশ্রুতি রয়েছে শিক্ষা বোর্ডে আঁচড় দেওয়া অর্থ দিয়ে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীতে গড়ে তুলেছেন অঢেল সম্পদ,নামে-বেনামে অর্থ ব্যাংক একাউন্ট। বোর্ডের বাতিল হয়ে পড়া খাতা পত্র পর্যন্ত বাদ যায় না তার হাত থেকে। সেগুলো রাঁতের আঁধারে বিক্রি হয়ে তার ড্রয়ারে জমা হয় বছরে কয়েকবার। বিভিন্ন মুখ বন্ধকরতে তিনি রাজশাহীর একশ্রেণীর রাজনৈতিক আমলা ও সাংবাদিক পর্যন্ত নিজের টেবিলে বসিয়ে রাখেন।এছাড়াও মাঝে মধ্যেই পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়ে রাতের আসর বসানোর গুঞ্জন রয়েছে এই দুরুলের বিরুদ্ধে।
এদিকে শিক্ষা বোর্ডের একটি সুত্র বলেন, সম্প্রতি সময়ে শিক্ষা বোর্ডে নিয়োগ ঘিরে যে হৈচৈ পড়েছে তার মূল কেন্দ্রস্থলের নাটের গুরু সভাপতি দুরুল বাবু। তিনি যে সকল নাম দিয়ে চাকরিতে তদবির করেছেন তার পুরো তালিকা রয়েছে। তার বানিজ্যের সঙ্গে তার সেক্রেটারি ও চাকরি প্রার্থীরা কিভাবে এসেছেন তার স্পষ্ট ডকুমেন্ট আছে শিক্ষা বোর্ডের একজন পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তার হাতে।
সুত্রটি বলছে, দুরুল বাবু ১৬ বছর ৪ মাস সাবেক ক্ষমতাধরদের একজন হয়ে শিক্ষা বোর্ডকে নিজের প্রয়জনে ব্যবহার করেছেন। তিনি ২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে নতুন ভাবে আবার জানান দিয়েছেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নানা তদবির থেকে শুরু করে তার একক রাজত্ব এখনো শিক্ষা বোর্ডের ধোয়াশে রাজ্য ঘিরে। শিক্ষা বোর্ড সচিবের একটি ঘনিষ্ঠ সুত্র বলেন, তিনি সচিবকে দিয়ে অনেক কিছুই সাক্ষর করাতে চেয়েছিলেন।তবে তার নেতা পরিচয়ে দাবি করা কিছু অবৈধ দাবিদাবার বিষয় চেয়ারম্যান মহোদয় পর্যন্ত অবগত হয়েছেন। দুরুল কিছু বিতর্কিত দাবি নানা কৌশলে হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও জানান তিনি। অপর দিকে দুরুলের নানা অনিয়মের বিষয় নিয়ে দুর্নীতিদমন কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মচারী।
এবিষয়ে জানতে চাইলে উপসচিব (ভান্ডার) মোহাঃ দুরুল বাবু সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির এক জৈষ্ঠ নেতা জানান দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষা বোর্ডের অফিসার্স কল্যান সমিতির সভাপতি পদে থাকা দুরুলের নানা বিষয় কানে আসছে। তিনি জানে না যে সরকার এখন বিএনপির, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের নিকট আবেদন করলে সেখানে আমরাও সুপারিশ করবো।
কথিত আছে, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের দুরুল বাবুর লাগামহীন অনিয়মের গল্পের কাছে রুপকথার গল্পও যেনো হার মানতে বসেছে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে সুযোগ বুঝে তিনি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নেওয়াসহ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সুত্র জানায়,চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে এসে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এই দুরুল বাবুকে নিয়ে যেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সব সময় তটস্থ। বদলী বানিজ্য, নিয়োগ বানিজ্য থেকে শুরু করে তার বিতর্কিত প্রভাব নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের অনেকের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে। জনশ্রুতি রয়েছে শিক্ষা বোর্ডে আঁচড় দেওয়া অর্থ দিয়ে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীতে গড়ে তুলেছেন অঢেল সম্পদ,নামে-বেনামে অর্থ ব্যাংক একাউন্ট। বোর্ডের বাতিল হয়ে পড়া খাতা পত্র পর্যন্ত বাদ যায় না তার হাত থেকে। সেগুলো রাঁতের আঁধারে বিক্রি হয়ে তার ড্রয়ারে জমা হয় বছরে কয়েকবার। বিভিন্ন মুখ বন্ধকরতে তিনি রাজশাহীর একশ্রেণীর রাজনৈতিক আমলা ও সাংবাদিক পর্যন্ত নিজের টেবিলে বসিয়ে রাখেন।এছাড়াও মাঝে মধ্যেই পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়ে রাতের আসর বসানোর গুঞ্জন রয়েছে এই দুরুলের বিরুদ্ধে।
এদিকে শিক্ষা বোর্ডের একটি সুত্র বলেন, সম্প্রতি সময়ে শিক্ষা বোর্ডে নিয়োগ ঘিরে যে হৈচৈ পড়েছে তার মূল কেন্দ্রস্থলের নাটের গুরু সভাপতি দুরুল বাবু। তিনি যে সকল নাম দিয়ে চাকরিতে তদবির করেছেন তার পুরো তালিকা রয়েছে। তার বানিজ্যের সঙ্গে তার সেক্রেটারি ও চাকরি প্রার্থীরা কিভাবে এসেছেন তার স্পষ্ট ডকুমেন্ট আছে শিক্ষা বোর্ডের একজন পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তার হাতে।
সুত্রটি বলছে, দুরুল বাবু ১৬ বছর ৪ মাস সাবেক ক্ষমতাধরদের একজন হয়ে শিক্ষা বোর্ডকে নিজের প্রয়জনে ব্যবহার করেছেন। তিনি ২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে নতুন ভাবে আবার জানান দিয়েছেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নানা তদবির থেকে শুরু করে তার একক রাজত্ব এখনো শিক্ষা বোর্ডের ধোয়াশে রাজ্য ঘিরে। শিক্ষা বোর্ড সচিবের একটি ঘনিষ্ঠ সুত্র বলেন, তিনি সচিবকে দিয়ে অনেক কিছুই সাক্ষর করাতে চেয়েছিলেন।তবে তার নেতা পরিচয়ে দাবি করা কিছু অবৈধ দাবিদাবার বিষয় চেয়ারম্যান মহোদয় পর্যন্ত অবগত হয়েছেন। দুরুল কিছু বিতর্কিত দাবি নানা কৌশলে হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও জানান তিনি। অপর দিকে দুরুলের নানা অনিয়মের বিষয় নিয়ে দুর্নীতিদমন কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মচারী।
এবিষয়ে জানতে চাইলে উপসচিব (ভান্ডার) মোহাঃ দুরুল বাবু সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির এক জৈষ্ঠ নেতা জানান দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষা বোর্ডের অফিসার্স কল্যান সমিতির সভাপতি পদে থাকা দুরুলের নানা বিষয় কানে আসছে। তিনি জানে না যে সরকার এখন বিএনপির, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের নিকট আবেদন করলে সেখানে আমরাও সুপারিশ করবো।