উচ্চশিক্ষার আলো ছড়াতে যাচ্ছে দেশের সর্ব-উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে। অবহেলিত এই জনপদের শিক্ষা খাতকে এগিয়ে নিতে নবগঠিত ঠাকুরগাঁও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে শুরু হবে দেশের এই নতুন বিদ্যাপীঠের শিক্ষা কার্যক্রম।
মঙ্গলবার (১৯ মে) ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এই তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. ইসরাফিল শাহীন। গত ৭ মে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
মতবিনিময় সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইসরাফিল শাহীন শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি চর্চা এবং আধুনিক জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হলেও এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এর ভাবমূর্তি নির্ভর করে দেশে-বিদেশে এর সুনামের ওপর। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এই জনপদের সুনামও জড়িয়ে আছে।
তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি আন্তর্জাতিক মানের বিদ্যাপীঠ হিসেবে গড়ে তুলতে এবং এই অঞ্চলের গৌরব অক্ষুণ্ন রাখতে তিনি জেলার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা চেয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও প্রান্তিক জেলা হিসেবে পরিচিত ঠাকুরগাঁওয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তে স্থানীয় সুধীমহল ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুতই দেশের অন্যতম সেরা এবং যুগোপযোগী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রেসক্লাব সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু (ভারপ্রাপ্ত) সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল লতিফসহ জেলার কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এই তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. ইসরাফিল শাহীন। গত ৭ মে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
মতবিনিময় সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইসরাফিল শাহীন শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি চর্চা এবং আধুনিক জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হলেও এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এর ভাবমূর্তি নির্ভর করে দেশে-বিদেশে এর সুনামের ওপর। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এই জনপদের সুনামও জড়িয়ে আছে।
তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি আন্তর্জাতিক মানের বিদ্যাপীঠ হিসেবে গড়ে তুলতে এবং এই অঞ্চলের গৌরব অক্ষুণ্ন রাখতে তিনি জেলার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা চেয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও প্রান্তিক জেলা হিসেবে পরিচিত ঠাকুরগাঁওয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তে স্থানীয় সুধীমহল ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুতই দেশের অন্যতম সেরা এবং যুগোপযোগী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রেসক্লাব সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু (ভারপ্রাপ্ত) সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল লতিফসহ জেলার কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মোবারক আলী, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও: