আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর তানোরে ৬১ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩১টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ১৪টি কেন্দ্র সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণের জন্য ইতিপূর্বেই সেনাবাহিনী, বিজিবি নিয়োমিত টহল দিচ্ছেন। এছাড়াও প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। তবে এ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী এবং দলীয় নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রচার প্রচারণা সম্পন্ন করেছেন।
জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণে সব রকম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। নিয়োমিত যৌথ বাহিনীর অভিযান, চেকপোস্টসহ নানামুখী তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।
এবারে উপজেলায় ৬১টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে। এর মধ্যে ৩১ টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলো হল, কলমা ইউনিয়ন ইউপির চোরখৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আজিজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দরগাডাঙ্গা উচ্চ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, নড়িয়াল দাখিল মাদ্রাসা, নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয়, হাঁপানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জোতগোকুল প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুন্ডুমালা সরকারি প্রাথমিক ও সরকারি উচ্চ, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সাতপুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, ময়েনপুর উচ্চ বিদ্যালয়, বনকেশর প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইলামদহী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোয়েল উচ্চ বিদ্যালয়, কচুয়া -১ প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোহাম্মাদপুর সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, দূবইল সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, তালন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালপুর প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানোর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কালীগঞ্জ হাট উচ্চ বিদ্যালয়, শ্রীখন্ডা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হরিপুর দ্বিতীয় উচ্চ বিদ্যালয়, ধানোরা প্রাথমিক বিদ্যালয়, আবু বকর স্কুল এন্ড কলেজ ও চান্দুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ১৬টি কেন্দ্র সেগুলো হল, কিসমত বিল্লী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, মালবান্দা উচ্চ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঁধাইড় প্রাথমিক বিদ্যালয়, চুনিয়া পাড়া প্রাথমিক ও হাজী এক্তার আলী উচ্চ বিদ্যালয়, বিনোদপুর নিম্ম ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, তালন্দ এএম উচ্চ বিদ্যালয়, চাপড়া প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, তানোর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি আব্দুল করিম সরকার কলেজ, আকচা উচ্চ বিদ্যালয়, মির্জাপুর প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, কামারগাঁ প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, কচুয়া -২ প্রাথমিক বিদ্যালয়। সাধারণ কেন্দ্র ১৪টি সেগুলো হল, কলমা সরকার প্রাথমিক, কন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, জুমারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পাঁচন্দর প্রাথমিক বিদ্যালয়, কৃঞ্চপুর প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, তাঁতিহাটি প্রাথমিক, সরনজাই সরকার পাড়া প্রাথমিক, সরনজাই প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, মোহর প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারিপুর প্রাথমিক, পারিশো দূর্গাপুর প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, মিরাপুর হাতিশাইল প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কাঠালপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়।
অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের বিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান জানান, এসব কেন্দ্রে পুলিশের বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নাঈমা খান জানান, ঝুকিপূর্ণ বলতে কিছু নেই, কিছু কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এটা নির্বাচনের একটা প্রক্রিয়ামাত্র। সব কেন্দ্রের উপর নজর দারি আছে। তারপরও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র গুলোতে বাড়তি প্রশাসন থাকবে, সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। কোন ধরনের অনাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এউপজেলায় শান্তিপূর্ন পরিবেশে প্রার্থীরা প্রচারণা চালিয়েছেন। আসা করছি ভোটের দিন একই পরিবেশ বজায় থাকবে।
তবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণের জন্য ইতিপূর্বেই সেনাবাহিনী, বিজিবি নিয়োমিত টহল দিচ্ছেন। এছাড়াও প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। তবে এ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী এবং দলীয় নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রচার প্রচারণা সম্পন্ন করেছেন।
জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণে সব রকম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। নিয়োমিত যৌথ বাহিনীর অভিযান, চেকপোস্টসহ নানামুখী তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।
এবারে উপজেলায় ৬১টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে। এর মধ্যে ৩১ টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলো হল, কলমা ইউনিয়ন ইউপির চোরখৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আজিজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দরগাডাঙ্গা উচ্চ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, নড়িয়াল দাখিল মাদ্রাসা, নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয়, হাঁপানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জোতগোকুল প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুন্ডুমালা সরকারি প্রাথমিক ও সরকারি উচ্চ, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সাতপুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, ময়েনপুর উচ্চ বিদ্যালয়, বনকেশর প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইলামদহী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোয়েল উচ্চ বিদ্যালয়, কচুয়া -১ প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোহাম্মাদপুর সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, দূবইল সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, তালন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালপুর প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানোর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কালীগঞ্জ হাট উচ্চ বিদ্যালয়, শ্রীখন্ডা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হরিপুর দ্বিতীয় উচ্চ বিদ্যালয়, ধানোরা প্রাথমিক বিদ্যালয়, আবু বকর স্কুল এন্ড কলেজ ও চান্দুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ১৬টি কেন্দ্র সেগুলো হল, কিসমত বিল্লী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, মালবান্দা উচ্চ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঁধাইড় প্রাথমিক বিদ্যালয়, চুনিয়া পাড়া প্রাথমিক ও হাজী এক্তার আলী উচ্চ বিদ্যালয়, বিনোদপুর নিম্ম ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, তালন্দ এএম উচ্চ বিদ্যালয়, চাপড়া প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, তানোর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি আব্দুল করিম সরকার কলেজ, আকচা উচ্চ বিদ্যালয়, মির্জাপুর প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, কামারগাঁ প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, কচুয়া -২ প্রাথমিক বিদ্যালয়। সাধারণ কেন্দ্র ১৪টি সেগুলো হল, কলমা সরকার প্রাথমিক, কন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, জুমারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পাঁচন্দর প্রাথমিক বিদ্যালয়, কৃঞ্চপুর প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, তাঁতিহাটি প্রাথমিক, সরনজাই সরকার পাড়া প্রাথমিক, সরনজাই প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, মোহর প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারিপুর প্রাথমিক, পারিশো দূর্গাপুর প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, মিরাপুর হাতিশাইল প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কাঠালপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়।
অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের বিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান জানান, এসব কেন্দ্রে পুলিশের বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নাঈমা খান জানান, ঝুকিপূর্ণ বলতে কিছু নেই, কিছু কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এটা নির্বাচনের একটা প্রক্রিয়ামাত্র। সব কেন্দ্রের উপর নজর দারি আছে। তারপরও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র গুলোতে বাড়তি প্রশাসন থাকবে, সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। কোন ধরনের অনাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এউপজেলায় শান্তিপূর্ন পরিবেশে প্রার্থীরা প্রচারণা চালিয়েছেন। আসা করছি ভোটের দিন একই পরিবেশ বজায় থাকবে।
আলিফ হোসেন