ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর পক্ষে ভোট প্রদান এবং রাষ্ট্রকাঠামো সংশোধনের গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানিয়েছেন।
সংগঠনের বণিক বার্তায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কেবল ক্ষমতার হস্তান্তরের ইস্যু নয়, এটি দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। সংগঠনটি দেশের নাগরিকদের সচেতন, দায়িত্বশীল ও বিবেকবান ভোটার হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগের নৈতিক দায়িত্ব পালন করার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।
ইউট্যাবের বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, বিএনপি শুধু একটি দল নয়, এটি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রশ্নে এক আদর্শিক অবস্থানের নাম। দলটি ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার ইতিহাস রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সবার আগে বাংলাদেশ নীতির মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থকে রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন করছে, যেখানে দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক শাসন, স্বনির্ভর অর্থনীতি, কার্যকরী রাষ্ট্রব্যবস্থা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মর্যাদাভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি অন্যতম বিষয়।
ইউট্যাবের দৃষ্টিতে, বিএনপি ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা এবং ৮টি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা দেশের মৌলিক অধিকার রক্ষা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহ শক্তিশালীকরণ ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার রূপরেখা হিসেবে প্রাসঙ্গিক।
সংগঠনের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কৃষি, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা-সহ নানা ক্ষেত্রে বিএনপির পরিকল্পনা দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করবে। যুবসমাজকে জাতীয় উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তিতে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি এবং নারীদের আইনি সুরক্ষা ও সামাজিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
ইউট্যাব বলেছে, আজকের বাংলাদেশে নবীনদের উদ্যম ও প্রবীণদের অভিজ্ঞতার সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি, এবং তারা বিশ্বাস করেন, এই মিলনবিন্দু তৈরি করার সক্ষমতা বিএনপি'র রয়েছে।
সংগঠনটির এই আহ্বান দেশের নাগরিকদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা, টেকসই গণতন্ত্র ও ন্যায্য শাসন প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য একটি সমন্বিত কর্মসূচি হিসেবে বিশ্লেষিত হচ্ছে।
সংগঠনের বণিক বার্তায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কেবল ক্ষমতার হস্তান্তরের ইস্যু নয়, এটি দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। সংগঠনটি দেশের নাগরিকদের সচেতন, দায়িত্বশীল ও বিবেকবান ভোটার হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগের নৈতিক দায়িত্ব পালন করার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।
ইউট্যাবের বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, বিএনপি শুধু একটি দল নয়, এটি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রশ্নে এক আদর্শিক অবস্থানের নাম। দলটি ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার ইতিহাস রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সবার আগে বাংলাদেশ নীতির মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থকে রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন করছে, যেখানে দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক শাসন, স্বনির্ভর অর্থনীতি, কার্যকরী রাষ্ট্রব্যবস্থা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মর্যাদাভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি অন্যতম বিষয়।
ইউট্যাবের দৃষ্টিতে, বিএনপি ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা এবং ৮টি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা দেশের মৌলিক অধিকার রক্ষা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহ শক্তিশালীকরণ ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার রূপরেখা হিসেবে প্রাসঙ্গিক।
সংগঠনের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কৃষি, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা-সহ নানা ক্ষেত্রে বিএনপির পরিকল্পনা দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করবে। যুবসমাজকে জাতীয় উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তিতে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি এবং নারীদের আইনি সুরক্ষা ও সামাজিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
ইউট্যাব বলেছে, আজকের বাংলাদেশে নবীনদের উদ্যম ও প্রবীণদের অভিজ্ঞতার সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি, এবং তারা বিশ্বাস করেন, এই মিলনবিন্দু তৈরি করার সক্ষমতা বিএনপি'র রয়েছে।
সংগঠনটির এই আহ্বান দেশের নাগরিকদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা, টেকসই গণতন্ত্র ও ন্যায্য শাসন প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য একটি সমন্বিত কর্মসূচি হিসেবে বিশ্লেষিত হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক