যাঁর গোলে ২০২১-এ চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়, সেই কাই হাভের্ৎজের গোলে কারাবাও কাপ থেকে ছিটকে গেল চেলসি। ফাইনালে জায়গা পাকা করল আর্সেনাল। দ্বিতীয়ার্ধের সংযুক্ত সময়ে পুরনো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচের একমাত্র গোল করেন জার্মান স্ট্রাইকার। দুই লেগ মিলিয়ে চূড়ান্ত স্কোরলাইন: আর্সেনাল ৪-২ চেলসি।
গতরাতে এমরেটসে ৩-৫-২ ফর্মেশনে টিম সাজান চেলসি ম্যানেজার লিয়াম রোজেনিয়র। প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি কোল পালমার, এস্তেভাও কিংবা গার্নাচোর। মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ রেখে ম্যাচের রাশ গুটিয়ে নেওয়ার রণকৌশল। যা প্রথমার্ধে অংশত সফলও হয়েছিল। দু’দলের কেউই সুবর্ণ সুযোগ গড়তে পারেনি। কিন্তু গোলের পরিস্থিতি তৈরিতে এগিয়েছিল চেলসিই।
ক্যাপ্টেন মার্টিন ওডেগার্ড চোটের জন্য বাইরে। বুকায়ো সাকা শেষ মুহূর্তে নাম প্রত্যাহার করেন। এই দুই গুরুত্বপূর্ণ অনুপস্থিতিতেও আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা পরিকল্পনায় ছেদ পড়তে দেননি। বলের দখল কম হলেও শৃঙ্খলা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধে ভারী বৃষ্টির মধ্যে ম্যাচের গতি বারবার থমকে যায়। চেলসি তিন সেন্টার-ব্যাক রেখে আর্সেনালের উইং আক্রমণ আটকে রাখার চেষ্টা করে। মাঝেমধ্যে পিয়েরো এনকাপিয়ের বাঁকানো শট বা গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির দৌড় উত্তেজনা বাড়ালেও, ম্যাচ তখনও গোলশূন্য।
দ্বিতীয়ার্ধে চেলসি ঝুঁকি বাড়ায়। মাঠে নামেন কোল পালমার ও এস্তেভাও। কিছু সময়ের জন্য আর্সেনাল রক্ষণ চাপে পড়ে। এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার শট কিংবা সেট-পিস থেকে সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগা ছিলেন অতন্দ্র প্রহরী। নিজের কাজ নিখুঁতভাবে সামলান।
ম্যাচ যত এগোয়, তত স্পষ্ট হয়—এক সুযোগই সব বদলে দিতে পারে। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগান বদলি হিসেবে নামা কাই হাভের্ৎজ। কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে এসে রবার্ট সানচেজকে কাটিয়ে ফাঁকা জালে ঠান্ডা মাথায় বল ঠেলে দেন। পুরনো ক্লাবের বিরুদ্ধে গোল, কিন্তু উদযাপন সংযত।
এই জয়ে আট বছর পর লিগ কাপের ফাইনালে উঠল আর্সেনাল। শেষবার ১৯৯৩ সালে এই ট্রফি জিতেছিল তারা। এবার ২২ মার্চ ওয়েম্বলিতে প্রতিপক্ষ হতে পারে ম্যানচেস্টার সিটি বা নিউক্যাসল।
প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষে থাকা গানার্সরা এখন তিন ফ্রন্টেই লড়াই চালাচ্ছে। সমালোচনা আছে, সেট-পিস নির্ভরতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। কিন্তু আর্তেতার বার্তা পরিষ্কার—ফলই শেষ কথা বলবে। আর গতরাতে সেই কাঙ্ক্ষিত ফল এনে দিলেন এক সময়ের চেলসির নায়ক, এখন আর্সেনালের ম্যাচ-উইনার কাই হাভের্ৎজ।
গতরাতে এমরেটসে ৩-৫-২ ফর্মেশনে টিম সাজান চেলসি ম্যানেজার লিয়াম রোজেনিয়র। প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি কোল পালমার, এস্তেভাও কিংবা গার্নাচোর। মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ রেখে ম্যাচের রাশ গুটিয়ে নেওয়ার রণকৌশল। যা প্রথমার্ধে অংশত সফলও হয়েছিল। দু’দলের কেউই সুবর্ণ সুযোগ গড়তে পারেনি। কিন্তু গোলের পরিস্থিতি তৈরিতে এগিয়েছিল চেলসিই।
ক্যাপ্টেন মার্টিন ওডেগার্ড চোটের জন্য বাইরে। বুকায়ো সাকা শেষ মুহূর্তে নাম প্রত্যাহার করেন। এই দুই গুরুত্বপূর্ণ অনুপস্থিতিতেও আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা পরিকল্পনায় ছেদ পড়তে দেননি। বলের দখল কম হলেও শৃঙ্খলা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধে ভারী বৃষ্টির মধ্যে ম্যাচের গতি বারবার থমকে যায়। চেলসি তিন সেন্টার-ব্যাক রেখে আর্সেনালের উইং আক্রমণ আটকে রাখার চেষ্টা করে। মাঝেমধ্যে পিয়েরো এনকাপিয়ের বাঁকানো শট বা গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির দৌড় উত্তেজনা বাড়ালেও, ম্যাচ তখনও গোলশূন্য।
দ্বিতীয়ার্ধে চেলসি ঝুঁকি বাড়ায়। মাঠে নামেন কোল পালমার ও এস্তেভাও। কিছু সময়ের জন্য আর্সেনাল রক্ষণ চাপে পড়ে। এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার শট কিংবা সেট-পিস থেকে সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগা ছিলেন অতন্দ্র প্রহরী। নিজের কাজ নিখুঁতভাবে সামলান।
ম্যাচ যত এগোয়, তত স্পষ্ট হয়—এক সুযোগই সব বদলে দিতে পারে। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগান বদলি হিসেবে নামা কাই হাভের্ৎজ। কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে এসে রবার্ট সানচেজকে কাটিয়ে ফাঁকা জালে ঠান্ডা মাথায় বল ঠেলে দেন। পুরনো ক্লাবের বিরুদ্ধে গোল, কিন্তু উদযাপন সংযত।
এই জয়ে আট বছর পর লিগ কাপের ফাইনালে উঠল আর্সেনাল। শেষবার ১৯৯৩ সালে এই ট্রফি জিতেছিল তারা। এবার ২২ মার্চ ওয়েম্বলিতে প্রতিপক্ষ হতে পারে ম্যানচেস্টার সিটি বা নিউক্যাসল।
প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষে থাকা গানার্সরা এখন তিন ফ্রন্টেই লড়াই চালাচ্ছে। সমালোচনা আছে, সেট-পিস নির্ভরতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। কিন্তু আর্তেতার বার্তা পরিষ্কার—ফলই শেষ কথা বলবে। আর গতরাতে সেই কাঙ্ক্ষিত ফল এনে দিলেন এক সময়ের চেলসির নায়ক, এখন আর্সেনালের ম্যাচ-উইনার কাই হাভের্ৎজ।
ক্রীড়া ডেস্ক