কিছু উপস্থিতি শুধু অতিথি হয়ে আসে না, তাঁরা মুহূর্তটাকে স্মরণীয় করে তোলে। ঠিক তেমনই এক সন্ধ্যার প্রতীক্ষায় শহর কলকাতা। যেখানে ক্যালেন্ডার লঞ্চ মানে শুধু পাতা ও ছবি নয়, বরং দুই প্রজন্মের সংলাপ।
একদিকে এভারগ্রিন গ্ল্যামারের প্রতীক জিনাত আমান, অন্যদিকে সময়ের সঙ্গে নিজেকে ভেঙে-গড়ে নেওয়া টলিউডের গ্ল্যাম কুইন ঋতাভরী চক্রবর্তী। এই মিলনেই জন্ম নিচ্ছে নতুন বছরের ক্যালেন্ডার, আর যার আলোচনার কেন্দ্রে শুধুই ঋতাভরী।টেলিভিশনের পর্দায় ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ দিয়ে যে মেয়েটির অভিনয়জগতে পথচলা শুরু হয়েছিল, আজ তিনি বড় পর্দার পরিচিত মুখ।
মাত্র পনেরো বছর বয়সে দর্শকের চোখে ধরা পড়া সেই কিশোরী, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন বারবার। অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিং আর ফটোশুটে তাঁর উপস্থিতি বরাবরই নজরকাড়া। ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালে ঋতাভরী যেন অন্য এক ভাষায় কথা বলেন চোখে, ভঙ্গিতে, নিঃশ্বাসে।
এই ক্যালেন্ডার শুটে ঋতাভরী ধরা দিয়েছেন একেবারে ভিন্ন মেজাজে। খোলামেলা ব্ল্যাক বডিকন। উপস্থিতি যেন রোদ্দুরের মতো উজ্জ্বল, সাহসী, আত্মবিশ্বাসে ভরা। সেই ছবিগুলি ইতিমধ্যেই নেটপাড়ায় আগুন ছড়িয়েছে। প্রশংসায় ভাসছেন ক্যালেন্ডার গার্ল ঋতাভরী, ভক্তদের চোখ আটকে যাচ্ছে প্রতিটি ফ্রেমে। কালো রঙের বোল্ড পোশাকেও তিনি সমানভাবে চমক দিয়েছেন, প্রমাণ করে দিয়েছেন কেন তাঁকে ফ্যাশন আইকন বলা হয়। বোল্ড হোক বা সাবেক, ঋতাভরী জানেন কীভাবে নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হয়।
হাই স্কুলে পড়ার সময় থেকেই মডেলিং দিয়ে কেরিয়ারের বীজ বপন করেছিলেন তিনি। আজ সেই পথ এসে মিশেছে এক পরিণত শিল্পীর আত্মবিশ্বাসে। নেটপাড়া মুখিয়ে রয়েছে চূড়ান্ত আউটপুটের জন্য কারণ এই ক্যালেন্ডার শুধু ছবি নয়, এটি ঋতাভরীর সময়কে ধরে রাখার এক প্রচেষ্টা।
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি ক্যালেন্ডার লঞ্চের পর প্রকাশ্যে আসবে তাঁর লেটেস্ট লুক। আর তার ঠিক পরের দিন, ৪ ফেব্রুয়ারি, সন্ধ্যা ছ’টায় কলকাতার এক নামকরা হোটেলে, এই ক্যালেন্ডারকে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করবেন বর্ষীয়ান বলিউড অভিনেত্রী জিনাত আমান। এক সন্ধ্যায় মিলবে অতীতের কিংবদন্তি গ্ল্যামার আর বর্তমানের আত্মবিশ্বাসী সৌন্দর্য একটি ক্যালেন্ডারের পাতায় বন্দি হয়ে যাবে সময়ের দুই প্রান্ত।
শেষ পর্যন্ত এই ক্যালেন্ডার শুধু ঋতাভরীর ছবি নয়, এটি তাঁর যাত্রার প্রতিচ্ছবি। আলো-ছায়ার ফাঁকে দাঁড়িয়ে থাকা এক অভিনেত্রী, যিনি জানেন কীভাবে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে হয়। আর সেই আবিষ্কারের সাক্ষী হতে চলেছে কলকাতা জিনাত আমানের উপস্থিতিতে, ঋতাভরীর আলোয়।
একদিকে এভারগ্রিন গ্ল্যামারের প্রতীক জিনাত আমান, অন্যদিকে সময়ের সঙ্গে নিজেকে ভেঙে-গড়ে নেওয়া টলিউডের গ্ল্যাম কুইন ঋতাভরী চক্রবর্তী। এই মিলনেই জন্ম নিচ্ছে নতুন বছরের ক্যালেন্ডার, আর যার আলোচনার কেন্দ্রে শুধুই ঋতাভরী।টেলিভিশনের পর্দায় ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ দিয়ে যে মেয়েটির অভিনয়জগতে পথচলা শুরু হয়েছিল, আজ তিনি বড় পর্দার পরিচিত মুখ।
মাত্র পনেরো বছর বয়সে দর্শকের চোখে ধরা পড়া সেই কিশোরী, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন বারবার। অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিং আর ফটোশুটে তাঁর উপস্থিতি বরাবরই নজরকাড়া। ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালে ঋতাভরী যেন অন্য এক ভাষায় কথা বলেন চোখে, ভঙ্গিতে, নিঃশ্বাসে।
এই ক্যালেন্ডার শুটে ঋতাভরী ধরা দিয়েছেন একেবারে ভিন্ন মেজাজে। খোলামেলা ব্ল্যাক বডিকন। উপস্থিতি যেন রোদ্দুরের মতো উজ্জ্বল, সাহসী, আত্মবিশ্বাসে ভরা। সেই ছবিগুলি ইতিমধ্যেই নেটপাড়ায় আগুন ছড়িয়েছে। প্রশংসায় ভাসছেন ক্যালেন্ডার গার্ল ঋতাভরী, ভক্তদের চোখ আটকে যাচ্ছে প্রতিটি ফ্রেমে। কালো রঙের বোল্ড পোশাকেও তিনি সমানভাবে চমক দিয়েছেন, প্রমাণ করে দিয়েছেন কেন তাঁকে ফ্যাশন আইকন বলা হয়। বোল্ড হোক বা সাবেক, ঋতাভরী জানেন কীভাবে নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হয়।
হাই স্কুলে পড়ার সময় থেকেই মডেলিং দিয়ে কেরিয়ারের বীজ বপন করেছিলেন তিনি। আজ সেই পথ এসে মিশেছে এক পরিণত শিল্পীর আত্মবিশ্বাসে। নেটপাড়া মুখিয়ে রয়েছে চূড়ান্ত আউটপুটের জন্য কারণ এই ক্যালেন্ডার শুধু ছবি নয়, এটি ঋতাভরীর সময়কে ধরে রাখার এক প্রচেষ্টা।
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি ক্যালেন্ডার লঞ্চের পর প্রকাশ্যে আসবে তাঁর লেটেস্ট লুক। আর তার ঠিক পরের দিন, ৪ ফেব্রুয়ারি, সন্ধ্যা ছ’টায় কলকাতার এক নামকরা হোটেলে, এই ক্যালেন্ডারকে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করবেন বর্ষীয়ান বলিউড অভিনেত্রী জিনাত আমান। এক সন্ধ্যায় মিলবে অতীতের কিংবদন্তি গ্ল্যামার আর বর্তমানের আত্মবিশ্বাসী সৌন্দর্য একটি ক্যালেন্ডারের পাতায় বন্দি হয়ে যাবে সময়ের দুই প্রান্ত।
শেষ পর্যন্ত এই ক্যালেন্ডার শুধু ঋতাভরীর ছবি নয়, এটি তাঁর যাত্রার প্রতিচ্ছবি। আলো-ছায়ার ফাঁকে দাঁড়িয়ে থাকা এক অভিনেত্রী, যিনি জানেন কীভাবে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে হয়। আর সেই আবিষ্কারের সাক্ষী হতে চলেছে কলকাতা জিনাত আমানের উপস্থিতিতে, ঋতাভরীর আলোয়।
তামান্না হাবিব নিশু