নওগাঁর নিয়ামতপুরে ঘর ভাঙচুর করে লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আরিফুল ইসলাম। করেছেন সংবাদ সম্মেলন।
ভুক্তভোগীর নাম আরিফুল ইসলাম। বাড়ি উপজেলার চৌধুরীপাড়া এলাকায়। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটায় নিয়ামতপুর প্রেসক্লাবের হল রুমে তিনি সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরিফুল ইসলাম থানায় লিখিত অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, উপজেলার
নিমদীঘি মৌজার একটি পুকুর লিজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাছচাষ করে আসছেন। মাছচাষের কাজে পুকুরপাড়ে একটি ঘর নির্মাণ করা হয়। যেখানে প্রায় ৪ লাখ টাকার মাছের খাবার মজুদ করা ছিল।
গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৮টার দিকে প্রতিপক্ষরা সংঘবদ্ধভাবে তাঁর পুকুরপাড়ে হামলা চালায়। এ সময় প্রতিপক্ষ পুকুরপাড়ে থাকা ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। বাধা দিতে গেলে পুকুর ও ঘরের দায়িত্বে থাকা পাহারাদারদের আটকে রেখে ঘর ভাঙচুর করে এবং ঘরে থাকা মাছের খাবারসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এই ঘটনায় তার আনুমানিক ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার পর প্রতিপক্ষদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরা তাঁকে বিভিন্ন অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হুমকি দিয়ে বলে,তোর যা করার কর, আমরা আরও ক্ষতি করব।
লিখিত অভিযোগ তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয় , প্রতিপক্ষরা ভুক্তভোগী আরিফুল ইসলামকে পুকুর ছেড়ে দিতে চাপ দিচ্ছে এবং তা না করলে আরও বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দিচ্ছে। এতে তিনি ও তাঁর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আরও বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে পরামর্শ করেই তিনি প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং ইতোমধ্যে নিয়ামতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানানো হয়।
এ ঘটনায় নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার একটা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভুক্তভোগীর নাম আরিফুল ইসলাম। বাড়ি উপজেলার চৌধুরীপাড়া এলাকায়। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটায় নিয়ামতপুর প্রেসক্লাবের হল রুমে তিনি সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরিফুল ইসলাম থানায় লিখিত অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, উপজেলার
নিমদীঘি মৌজার একটি পুকুর লিজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাছচাষ করে আসছেন। মাছচাষের কাজে পুকুরপাড়ে একটি ঘর নির্মাণ করা হয়। যেখানে প্রায় ৪ লাখ টাকার মাছের খাবার মজুদ করা ছিল।
গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৮টার দিকে প্রতিপক্ষরা সংঘবদ্ধভাবে তাঁর পুকুরপাড়ে হামলা চালায়। এ সময় প্রতিপক্ষ পুকুরপাড়ে থাকা ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। বাধা দিতে গেলে পুকুর ও ঘরের দায়িত্বে থাকা পাহারাদারদের আটকে রেখে ঘর ভাঙচুর করে এবং ঘরে থাকা মাছের খাবারসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এই ঘটনায় তার আনুমানিক ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার পর প্রতিপক্ষদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরা তাঁকে বিভিন্ন অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হুমকি দিয়ে বলে,তোর যা করার কর, আমরা আরও ক্ষতি করব।
লিখিত অভিযোগ তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয় , প্রতিপক্ষরা ভুক্তভোগী আরিফুল ইসলামকে পুকুর ছেড়ে দিতে চাপ দিচ্ছে এবং তা না করলে আরও বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দিচ্ছে। এতে তিনি ও তাঁর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আরও বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে পরামর্শ করেই তিনি প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং ইতোমধ্যে নিয়ামতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানানো হয়।
এ ঘটনায় নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার একটা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সবুজ সরকার