রুয়েট ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট জুলাই-আগস্টের (ছাত্র আন্দোলনকালীন) হামলার একটি মামলার প্রধান ও অন্যান্য অভিযুক্তদের এখনও গ্রেফতার বা দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ না নেওয়ায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে ভুক্তভোগীদের মাঝে।
অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ ও প্রশাসন কৌশলগতভাবে অভিযুক্তদের ধরছে না, বরং তদন্তের অজুহাতে দীর্ঘ সময় পার করছেন তারা।
ভুক্তভোগীদের বক্তব্য, আন্দোলনের সময় নগরীতে সংগৃহীত ভিডিও ও ফটোতে অভিযুক্তদের স্পষ্ট ছবি থাকলেও তদন্ত অব্যাহত রাখার নামে তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তারা বলেন, আওয়ামী সরকারের সময়ে বিশেষ কিছু পদধারী নেতা চাকরির পাশাপাশি চাকরি বানিজ্য, টেন্ডার বানিজ্য ও রাজনৈতিক সুবিধা নিয়ে বিরোধী অংশের নেতা-কর্মীদের উপর গালাগালি, হুমকি-ধামকি, মারধরসহ নানা ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড করেছেন। তারপরও তারা বহাল তবিয়্যতে আছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত কয়েক মাসে পুলিশ দোষীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং মামলার অন্যান্য আসামিরা আজও স্বাভাবিক জীবন-যাপন করছে। এর ফলে আইনের শাসন ও ন্যায়ের প্রতি আস্থাহীনতা তৈরি হচ্ছে।
বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, এজাহারভুক্ত আসামিদের বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং অভিযোগের সত্যতা পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম জানান, যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাদের গ্রেফতার ও অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।
ভুক্তভোগী রুয়েট ও রাবি'র শিক্ষক ও কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের নীরবতা ভবিষ্যতে বড় সংকট ডেকে আনতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ ও প্রশাসন কৌশলগতভাবে অভিযুক্তদের ধরছে না, বরং তদন্তের অজুহাতে দীর্ঘ সময় পার করছেন তারা।
ভুক্তভোগীদের বক্তব্য, আন্দোলনের সময় নগরীতে সংগৃহীত ভিডিও ও ফটোতে অভিযুক্তদের স্পষ্ট ছবি থাকলেও তদন্ত অব্যাহত রাখার নামে তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তারা বলেন, আওয়ামী সরকারের সময়ে বিশেষ কিছু পদধারী নেতা চাকরির পাশাপাশি চাকরি বানিজ্য, টেন্ডার বানিজ্য ও রাজনৈতিক সুবিধা নিয়ে বিরোধী অংশের নেতা-কর্মীদের উপর গালাগালি, হুমকি-ধামকি, মারধরসহ নানা ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড করেছেন। তারপরও তারা বহাল তবিয়্যতে আছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত কয়েক মাসে পুলিশ দোষীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং মামলার অন্যান্য আসামিরা আজও স্বাভাবিক জীবন-যাপন করছে। এর ফলে আইনের শাসন ও ন্যায়ের প্রতি আস্থাহীনতা তৈরি হচ্ছে।
বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, এজাহারভুক্ত আসামিদের বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং অভিযোগের সত্যতা পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম জানান, যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাদের গ্রেফতার ও অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।
ভুক্তভোগী রুয়েট ও রাবি'র শিক্ষক ও কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের নীরবতা ভবিষ্যতে বড় সংকট ডেকে আনতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক