রাজশাহীর বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আসাদুজ্জামান আসাদ এর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা, কর্মকর্তা ও হাসপাতালের কর্মচারীরা দাবি করেছেন, কিছু অসাধু ক্লিনিক ব্যবসায়ী ও কুচক্রী মহল নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য হাসপাতালের সেবা কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে এ ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাঃ আসাদ ১৮ মে ২০২২-এ টিএইচও হিসেবে যোগদানের পর থেকে হাসপাতালের অবস্থা বদলে গেছে। তার প্রচেষ্টায় এনসিডি কর্ণার, অপারেশন থিয়েটার, আইভিশন সেন্টার চালু করা হয়। এছাড়া অকার্যকর এক্স-রে মেশিন নতুনভাবে ব্যবহার শুরু হয় এবং দীর্ঘদিন পর নর্মাল ডেলিভারির ব্যবস্থা হয়। বরাদ্দকৃত ঔষধ সুষ্ঠুভাবে বিতরণের মাধ্যমে রোগীদের আস্থা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।
তবে কিছু অসাধু মহল এই উন্নয়নমূলক কাজ থামাতে ব্যর্থ হওয়ার পর স্থানীয় কিছু নেতা-কর্মীর সঙ্গে মিলিত হয়ে ডাঃ আসাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করে।
স্থানীয়দের দাবি, অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের লক্ষ্য হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত করা এবং ডাঃ আসাদের সুনাম ক্ষুণ্ন করা।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় ঘটনার একটি নির্দিষ্ট উদাহরণ ঘটেছে। ওই দিন রিহাব (১৫), পিতা- রুবেল, গ্রামের খানপুর, বাঘা, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর এক্স-রে করার জন্য তারা বাইরে যায়। এ সময় কয়েকজন উৎশৃঙ্খল যুবক জরুরী বিভাগে প্রবেশ করে গালিগালাজ, মারমুখী আচরণ এবং প্রাননাশের হুমকি দেয়। কর্মকর্তারা নিরাপত্তার স্বার্থে চিকিৎসা বন্ধ রেখে দরজা বন্ধ করেন। তখন ডাঃ আসাদ তার অফিসিয়াল চেম্বারে ছিলেন এবং ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।
তবে কিছু অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল, ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে ডাঃ আসাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, তিনি রোগীর আত্মীয়দের মারধর করেছেন, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
স্থানীয় বাসিন্দারা ডাঃ আসাদকে সৎ, জনবান্ধব ও কর্তব্যপরায়ণ” ব্যক্তিত্ব হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সাইফুল ইসলাম, শাহজালাল ও মাহাবুব হাসান বলেন, ডাঃ আসাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রচারের জন্য যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
ডাঃ আসাদও একটি প্রতিবাদ লিপি প্রদান করে বলেছেন, আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি। বিষয়টি আমি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করেছি এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রশাসন ন্যায়বিচার ও তদন্ত পরিচালনা করে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাঃ আসাদ ১৮ মে ২০২২-এ টিএইচও হিসেবে যোগদানের পর থেকে হাসপাতালের অবস্থা বদলে গেছে। তার প্রচেষ্টায় এনসিডি কর্ণার, অপারেশন থিয়েটার, আইভিশন সেন্টার চালু করা হয়। এছাড়া অকার্যকর এক্স-রে মেশিন নতুনভাবে ব্যবহার শুরু হয় এবং দীর্ঘদিন পর নর্মাল ডেলিভারির ব্যবস্থা হয়। বরাদ্দকৃত ঔষধ সুষ্ঠুভাবে বিতরণের মাধ্যমে রোগীদের আস্থা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।
তবে কিছু অসাধু মহল এই উন্নয়নমূলক কাজ থামাতে ব্যর্থ হওয়ার পর স্থানীয় কিছু নেতা-কর্মীর সঙ্গে মিলিত হয়ে ডাঃ আসাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করে।
স্থানীয়দের দাবি, অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের লক্ষ্য হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত করা এবং ডাঃ আসাদের সুনাম ক্ষুণ্ন করা।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় ঘটনার একটি নির্দিষ্ট উদাহরণ ঘটেছে। ওই দিন রিহাব (১৫), পিতা- রুবেল, গ্রামের খানপুর, বাঘা, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর এক্স-রে করার জন্য তারা বাইরে যায়। এ সময় কয়েকজন উৎশৃঙ্খল যুবক জরুরী বিভাগে প্রবেশ করে গালিগালাজ, মারমুখী আচরণ এবং প্রাননাশের হুমকি দেয়। কর্মকর্তারা নিরাপত্তার স্বার্থে চিকিৎসা বন্ধ রেখে দরজা বন্ধ করেন। তখন ডাঃ আসাদ তার অফিসিয়াল চেম্বারে ছিলেন এবং ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।
তবে কিছু অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল, ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে ডাঃ আসাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, তিনি রোগীর আত্মীয়দের মারধর করেছেন, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
স্থানীয় বাসিন্দারা ডাঃ আসাদকে সৎ, জনবান্ধব ও কর্তব্যপরায়ণ” ব্যক্তিত্ব হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সাইফুল ইসলাম, শাহজালাল ও মাহাবুব হাসান বলেন, ডাঃ আসাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রচারের জন্য যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
ডাঃ আসাদও একটি প্রতিবাদ লিপি প্রদান করে বলেছেন, আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি। বিষয়টি আমি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করেছি এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রশাসন ন্যায়বিচার ও তদন্ত পরিচালনা করে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেবে।
প্রতিনিধি :