জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক আন্তঃসরকার প্যানেলের (আইপিসিসি) লিড অথর বা প্রধান লেখক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মিলন। তিনি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা।
ড. কামরুজ্জামান মিলন ২০২৭ সালের আইপিসিসির ম্যাথডলজি রিপোর্ট প্রস্তুতের কাজে অংশ নেবেন। এই প্রতিবেদনে কার্বন ডাই-অক্সাইড রিমোভাল (সিডিআর) এবং কার্বন ক্যাপচার, ইউটিলাইজেশন অ্যান্ড স্টোরেজ (সিসিইউএস) প্রযুক্তি কীভাবে দেশগুলো তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করবে, সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক নির্দেশনা দেওয়া হবে।
ড. কামরুজ্জামান বলেন, এই কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ যে উদ্যোগ নিচ্ছে, সেগুলোর কার্বন হিসাব কীভাবে করা হবে—তার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি এই রিপোর্টের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।
আইপিসিসির লিড অথর হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, এটি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বাংলাদেশের কৃষি ও জলবায়ু গবেষণা সম্প্রদায়ের জন্য একটি সম্মান। এর মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশের বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলো বৈশ্বিক নির্দেশিকায় তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ড. কামরুজ্জামান মিলনের গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র হলো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মূল্যায়ন, ক্লাইমেট-স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন মডেলিং ও প্রশমন।
প্রসঙ্গত, আইপিসিসি জাতিসংঘের একটি সংস্থা, যা জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য মূল্যায়ন করে এবং বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণে সরকারগুলোকে সহায়তা করে।
ড. কামরুজ্জামান মিলন ২০২৭ সালের আইপিসিসির ম্যাথডলজি রিপোর্ট প্রস্তুতের কাজে অংশ নেবেন। এই প্রতিবেদনে কার্বন ডাই-অক্সাইড রিমোভাল (সিডিআর) এবং কার্বন ক্যাপচার, ইউটিলাইজেশন অ্যান্ড স্টোরেজ (সিসিইউএস) প্রযুক্তি কীভাবে দেশগুলো তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করবে, সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক নির্দেশনা দেওয়া হবে।
ড. কামরুজ্জামান বলেন, এই কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ যে উদ্যোগ নিচ্ছে, সেগুলোর কার্বন হিসাব কীভাবে করা হবে—তার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি এই রিপোর্টের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।
আইপিসিসির লিড অথর হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, এটি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বাংলাদেশের কৃষি ও জলবায়ু গবেষণা সম্প্রদায়ের জন্য একটি সম্মান। এর মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশের বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলো বৈশ্বিক নির্দেশিকায় তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ড. কামরুজ্জামান মিলনের গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র হলো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মূল্যায়ন, ক্লাইমেট-স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন মডেলিং ও প্রশমন।
প্রসঙ্গত, আইপিসিসি জাতিসংঘের একটি সংস্থা, যা জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য মূল্যায়ন করে এবং বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণে সরকারগুলোকে সহায়তা করে।
অনলাইন ডেস্ক