অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকর শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি উত্তর-পূর্ব দিল্লির ভজনপুর এলাকায় ১৮ জানুয়ারি এক ছয় বছরের শিশুকে গণধর্ষণের ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজন নাবালক, বয়স যথাক্রমে ১০, ১৩ ও ১৪। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত দুই নাবালক পুলিশি হেফাজতে আছেন, তৃতীয়টি পরিবার নিয়ে এলাকা ছেড়ে গিয়েছে।
ভূমি সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার প্রতিবেদন শেয়ার করে লিখেছেন, “এই সব কী হচ্ছে? আমরা বারবার ব্যর্থ হচ্ছি। কারণ এই দানবগুলো মনে করে, যৌন হিংসার পরেও তারা পার পেয়ে যাবে। কারণ এখনও আমরা তাদের মধ্যে ভয় তৈরি করতে পারিনি।” তিনি আরও বলেন, নাবালকেরাও এমন নৃশংসতায় জড়িয়ে পড়ছে, এবং তারা তা করার আগে দু’বার ভাবছে না।
পথকুকুরের শাস্তি নিয়ে কড়া নিয়ম থাকা সত্ত্বেও শিশুদের রাস্তায় নিরাপত্তা নেই—এই বিষয়টিও তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেছেন, “আমরা অবোলাদের শাস্তি দিচ্ছি, অথচ একটি ছয় বছরের শিশু রাস্তায় নিরাপদ নয়। আসলে কোনও শিশুই নিরাপদ নয়।”
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি বাবা-মা ও তিন ভাইবোনের সঙ্গে থাকে। ঘটনার পরপরই পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বুঝতে পেরে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। চিকিৎসকদের মতে, বর্তমানে শিশুটির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর সে বাড়িতেই রয়েছে এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে।
পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, গত ১৮ জানুয়ারি সন্ধে সাতটা নাগাদ শিশুটি গুরুতর আহত অবস্থায় বাড়ি ফিরে আসে। শরীর থেকে রক্তপাত হচ্ছিল এবং সে প্রায় অচেতন ছিল। প্রথমে জ্ঞান ফেরার পর শিশুটি জানায়, সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছে। পরিবারের দাবি, তখন পাশের বাড়ির এক ১৩ বছরের কিশোরও একই কথা বলে।
ভূমি সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার প্রতিবেদন শেয়ার করে লিখেছেন, “এই সব কী হচ্ছে? আমরা বারবার ব্যর্থ হচ্ছি। কারণ এই দানবগুলো মনে করে, যৌন হিংসার পরেও তারা পার পেয়ে যাবে। কারণ এখনও আমরা তাদের মধ্যে ভয় তৈরি করতে পারিনি।” তিনি আরও বলেন, নাবালকেরাও এমন নৃশংসতায় জড়িয়ে পড়ছে, এবং তারা তা করার আগে দু’বার ভাবছে না।
পথকুকুরের শাস্তি নিয়ে কড়া নিয়ম থাকা সত্ত্বেও শিশুদের রাস্তায় নিরাপত্তা নেই—এই বিষয়টিও তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেছেন, “আমরা অবোলাদের শাস্তি দিচ্ছি, অথচ একটি ছয় বছরের শিশু রাস্তায় নিরাপদ নয়। আসলে কোনও শিশুই নিরাপদ নয়।”
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি বাবা-মা ও তিন ভাইবোনের সঙ্গে থাকে। ঘটনার পরপরই পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বুঝতে পেরে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। চিকিৎসকদের মতে, বর্তমানে শিশুটির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর সে বাড়িতেই রয়েছে এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে।
পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, গত ১৮ জানুয়ারি সন্ধে সাতটা নাগাদ শিশুটি গুরুতর আহত অবস্থায় বাড়ি ফিরে আসে। শরীর থেকে রক্তপাত হচ্ছিল এবং সে প্রায় অচেতন ছিল। প্রথমে জ্ঞান ফেরার পর শিশুটি জানায়, সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছে। পরিবারের দাবি, তখন পাশের বাড়ির এক ১৩ বছরের কিশোরও একই কথা বলে।
তামান্না হাবিব নিশু