গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় আরিয়ান (৭) নামে এক শারীরিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা শিশুটি সৎ মায়ের নির্যাতনে নিহত হয়েছে বলে দাবি করলেও পুলিশ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠিয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জামালপুর ইউনিয়নের বাগদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা শিশুটির মৃত্যুকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে বিবেচনা করছেন না এবং সৎ মায়ের আচরণকে মৃত্যুর কারণ হিসেবে সন্দেহ করছেন।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত আরিয়ান ওই গ্রামের রাজমিস্ত্রি সেলিম মিয়ার ছেলে। কয়েক বছর আগে তার পিতা-মাতার বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর আরিয়ানের মা অন্যত্র বিয়ে করলে সে বাবার বাড়িতে ছিল। পরে সেলিম মিয়া সুনামগঞ্জের বাসিন্দা রিনা আক্তারকে বিয়ে করেন।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার বিকেলে বাড়ির বাইরে কাজ শেষে সেলিম মিয়া ঘরে ফিরে পেলে তার ছেলে আরিয়ান নিথর অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে সন্ধ্যার পর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার মানুষ বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করেন এবং পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ রাতের দিকে ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
এই ঘটনায় আশপাশের পরিবার ও গ্রামবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা শিশুটির মৃত্যুর সঠিক কারণে সৎ মায়ের ভূমিকা তদন্তে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জামালপুর ইউনিয়নের বাগদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা শিশুটির মৃত্যুকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে বিবেচনা করছেন না এবং সৎ মায়ের আচরণকে মৃত্যুর কারণ হিসেবে সন্দেহ করছেন।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত আরিয়ান ওই গ্রামের রাজমিস্ত্রি সেলিম মিয়ার ছেলে। কয়েক বছর আগে তার পিতা-মাতার বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর আরিয়ানের মা অন্যত্র বিয়ে করলে সে বাবার বাড়িতে ছিল। পরে সেলিম মিয়া সুনামগঞ্জের বাসিন্দা রিনা আক্তারকে বিয়ে করেন।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার বিকেলে বাড়ির বাইরে কাজ শেষে সেলিম মিয়া ঘরে ফিরে পেলে তার ছেলে আরিয়ান নিথর অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে সন্ধ্যার পর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার মানুষ বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করেন এবং পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ রাতের দিকে ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
এই ঘটনায় আশপাশের পরিবার ও গ্রামবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা শিশুটির মৃত্যুর সঠিক কারণে সৎ মায়ের ভূমিকা তদন্তে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।
প্রতিনিধি :