রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মহিদুর রহমান বাক্কার মারা গেছেন। এ ঘটনায় গোদাগাড়ী এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল ও গরুবাহী নছিমন ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুবরণ।
গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান বাশির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনাটি বিকালে ৫টার পর ঘটেছে।
জানা গেছে, রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) শরিফ উদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা মূলক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর মহিদুর রহমান বাক্কার বাড়ির পথে ফিরছিলেন। এদিন মাগরিবের সময় দামকুড়া মোড়ে থানার পার্শ্ববর্তী সড়কে তার মোটরসাইকেলের সঙ্গে গরুবাহী নছিমন গাড়ির মুখোমুখি ধাক্কা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। ধাক্কায় হেলমেট ছিটকে যাওয়ায় তার মাথায় জোরালো আঘাত লাগে এবং প্রচণ্ড রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
মৃত্যুকালে মহিদুর রহমান বাক্কার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে রেখে গেছেন।
স্থানীয়রা জানান, তিনি জনবান্ধব নেতা ছিলেন এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে মানুষের কল্যাণে নানা উদ্যোগে কাজ করেছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকের এক নিষ্ঠাবান সমর্থক ও কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
ওসি হাসান বাশির বলেন, এটা একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। তিনি নির্বাচনী প্রচারণা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল ও গরুবাহী নছিমন ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুবরণ।
গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান বাশির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনাটি বিকালে ৫টার পর ঘটেছে।
জানা গেছে, রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) শরিফ উদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা মূলক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর মহিদুর রহমান বাক্কার বাড়ির পথে ফিরছিলেন। এদিন মাগরিবের সময় দামকুড়া মোড়ে থানার পার্শ্ববর্তী সড়কে তার মোটরসাইকেলের সঙ্গে গরুবাহী নছিমন গাড়ির মুখোমুখি ধাক্কা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। ধাক্কায় হেলমেট ছিটকে যাওয়ায় তার মাথায় জোরালো আঘাত লাগে এবং প্রচণ্ড রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
মৃত্যুকালে মহিদুর রহমান বাক্কার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে রেখে গেছেন।
স্থানীয়রা জানান, তিনি জনবান্ধব নেতা ছিলেন এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে মানুষের কল্যাণে নানা উদ্যোগে কাজ করেছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকের এক নিষ্ঠাবান সমর্থক ও কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
ওসি হাসান বাশির বলেন, এটা একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। তিনি নির্বাচনী প্রচারণা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তাসমিরা তাবাসসুম :