ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬ , ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাসিক প্রশাসকের সাথে কর্মচারী ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ যুগোপযোগী বাজেট ঘোষণা করায় রাসিক প্রশাসককে কর্মচারী ইউনিয়নের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন আত্রাইয়ে শিশু ধর্ষণচেষ্টা, কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মী গ্রেফতার ফেনীর ফুলগাজীতে বিদেশি মদ ও ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ফেনীতে র‍্যাবের অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী আটক তানোর হাসপাতালে মৃত গৃহবধুর কান থেকে খুলে নেয়া দুল উদ্ধার পাবনায় ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন রাজশাহীতে নজরুল বর্ষ’ উদ্বোধন তানোরে চলাচলের রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে বাবা ও ছেলের মৃত্যু রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসির প্রথম দিনে উপস্থিতি ৯৭.৭৯ শতাংশ নগরীর লিলিহল গোলচত্বরে বিপুল পরিমান চোলাই মদসহ মাদক কারবারি বাবু গ্রেফতার হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীরা চিকিৎসকের ব্যবহারেই অর্ধেক অসুখ ভালো হয়ে যায়- এমপি আবু সাইদ চাঁদ নগরীতে গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইন, ট্যাপেন্টাডল-সহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ৭ চারঘাটে ভিডিও কনফারেন্সে নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ব্রেকআপের পর পার্টি করার পরামর্শ জেনিফার লোপেজের বেঙ্গালুরুর পাথর খাদানে ধস! মৃত অন্তত ৭ নির্মেদ, নিখুঁত পেট-কোমর না থাকলেও পরা যায় সাঁতারের পোশাক সমালোচনায় বিদ্ধ দিয়া মির্জার পাঁচ বছরের ছেলে এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৪৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৭

অ্যালেক্স প্রেত্তি হত্যায় ‘আত্মরক্ষা’ দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে প্রত্যক্ষদর্শী প্রমাণ

  • আপলোড সময় : ২৫-০১-২০২৬ ০৯:২৯:১০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-০১-২০২৬ ০৯:২৯:১০ অপরাহ্ন
অ্যালেক্স প্রেত্তি হত্যায় ‘আত্মরক্ষা’ দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে প্রত্যক্ষদর্শী প্রমাণ অ্যালেক্স প্রেত্তি হত্যায় ‘আত্মরক্ষা’ দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে প্রত্যক্ষদর্শী প্রমাণ
মিনিয়াপলিসে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে নিহত ৩৭ বছর বয়সী নিবিড় পরিচর্যা নার্স অ্যালেক্স প্রেত্তি অস্ত্রধারী ছিলেন না, ভিডিও ফুটেজ ও দুই প্রত্যক্ষদর্শীর শপথপত্রে এমন দাবি উঠে আসায় ট্রাম্প প্রশাসনের ‘আত্মরক্ষামূলক গুলি’ সংক্রান্ত সরকারি বিবৃতি গুরুতর প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

শনিবার মিনেসোটার মিনিয়াপলিসে অভিবাসনবিরোধী অভিযানের সময় ফেডারেল হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এজেন্টদের গুলিতে অ্যালেক্স প্রেত্তি নিহত হন। ঘটনার পরপরই প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা তাকে একজন বন্দুকধারী হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, তিনি ফেডারেল অফিসারদের দিকে অস্ত্র তাক করেছিলেন এবং এজেন্টরা আত্মরক্ষার্থে গুলি চালাতে বাধ্য হন।

তবে ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফেডারেল আদালতে দাখিল করা দুটি শপথপত্র ও প্রকাশ্যে আসা ভিডিও ফুটেজ সেই বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক চিত্র তুলে ধরে।

ঘটনার আগে ধারণ করা একটি ভিডিওর স্থিরচিত্রে দেখা যায়, একজন ফেডারেল এজেন্ট প্রেত্তিকে ধাক্কা দিয়ে পিছনে ঠেলে দিচ্ছেন, আর প্রেত্তির হাতে রয়েছে একটি মোবাইল ফোন। ভিডিওতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র দৃশ্যমান নয়।

যদি প্রেত্তি অস্ত্রধারী হতেন, তবে তার হাতে বন্দুক দৃশ্যমান কেন নয়? গুলি চালানোর আগে কেন তাকে শারীরিকভাবে ধাক্কা দেওয়া ও মাটিতে ফেলে দেওয়া হলো?

এই প্রশ্নগুলো প্রশাসনের ‘তাৎক্ষণিক হুমকি’ সংক্রান্ত দাবিকে দুর্বল করে।

ঘটনার সবচেয়ে স্পষ্ট ভিডিও ধারণকারী এক নারী প্রত্যক্ষদর্শী, যিনি নিজেকে একজন শিশু বিনোদনকর্মী হিসেবে পরিচয় দেন, শপথপত্রে বলেন, প্রেত্তি কোনোভাবেই ফেডারেল এজেন্টদের আক্রমণ করেননি।

তার ভাষ্যমতে, প্রেত্তি আসলে আরেকজন নারীকে উঠতে সাহায্য করছিলেন। ঠিক তখনই একাধিক এজেন্ট তাকে মাটিতে ফেলে দেন এবং রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার করেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, আমি তার হাতে কোনো বন্দুক দেখিনি। সে ক্যামেরা নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিল, অস্ত্র নিয়ে নয়।

এই সাক্ষ্য সরকারি দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত, যেখানে বলা হয়েছিল প্রেত্তি বন্দুক তাক করে এগিয়ে এসেছিলেন।

দ্বিতীয় সাক্ষী, একজন ২৯ বছর বয়সী চিকিৎসক, অ্যাপার্টমেন্টের জানালা থেকে গুলি চালানোর দৃশ্য দেখেন। তিনি শপথপত্রে বলেন, প্রেত্তি এজেন্টদের দিকে চিৎকার করলেও কোনো অস্ত্র প্রদর্শন বা আক্রমণ করেননি।

আরও গুরুতর অভিযোগ উঠে আসে গুলি চালানোর পরের ঘটনায়। চিকিৎসক জানান, তিনি তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা দিতে গেলে প্রথমে আইসিই এজেন্টরা তাকে বাধা দেন। তার দাবি অনুযায়ী, প্রেত্তির পাশে থাকা এজেন্টরা সিপিআর না করে কেবল গুলির ক্ষত গণনা করছিলেন।

চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, প্রেত্তির পিঠে কমপক্ষে তিনটি, বুকে একটি এবং ঘাড়ে আরেকটি গুলির ক্ষত ছিল এবং তখন তার কোনো নাড়ির স্পন্দন পাওয়া যায়নি।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি নিরস্ত্র হন এবং তাকে মাটিতে ফেলে দেওয়ার পর গুলি চালানো হয়ে থাকে, তবে আত্মরক্ষার আইনি যুক্তি টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

এই শপথপত্রগুলো মিনিয়াপলিসে ACLU কর্তৃক হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অংশ। মামলাটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, বরং ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শক্তি প্রয়োগ, জবাবদিহি এবং সরকারি বর্ণনার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসির প্রথম দিনে উপস্থিতি ৯৭.৭৯ শতাংশ

রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসির প্রথম দিনে উপস্থিতি ৯৭.৭৯ শতাংশ