রাজশাহীর তানোরে কথিত এক ঘটক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৭৫ বছরের বৃদ্ধর কাছে থেকে কয়েক দফায় প্রায় ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতারক ঘটকের নাম আব্দুল লতিফ ওরফে ভোলা (৫৫)। তিনি তানোর পৌর এলাকার ধানতৈড় মহল্লার মৃত আব্দুল মজিদের পুত্র।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আলহাজ্ব দোস্ত মোহাম্মদ(৭৫)বাদি হয়ে ঘটক আব্দুল লতিফ ওরফে ভোলাকে বিবাদী করে তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে,বিরাজ করছে মুখরোচক নানা গুঞ্জন।অন্যদিকে স্থানীয়রা প্রতারক ঘটককে আটক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
অভিযোগে প্রকাশ,উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) বিলশহর গ্রামের মৃত মোহর সরদারের পুত্র বয়োবৃদ্ধ হাজী দোস্ত মোহাম্মদকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে, মেয়ে দেখানোর কথা বলে তার কাছে থেকে ঘটক ভোলা কয়েক দফায় ৬ লাখ ৯৬ হাজার ২৯৫ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে,২০২৫ সালের ১৫ জুন লালপুর বাজারের হালিমের দোকান থেকে (০১৭২৩৫১৬৬৯৯ নং বিকাশ এজন্ট নম্বর) কয়েক দফায় এক লাখ বিশ হাজার টাকা। সুমন আলীর দোকান থেকে কয়েক দফায় (বিকাশ এজেন্ট নম্বর-০১৭১৯৩২৯৬৯০) এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা। আসলাম আলীর দোকান থেকে (০১৭৩৯-৬৪২২০০ নং বিকাশ এজন্ট) কয়েক দফায় এক লাখ ৬৭ হাজার টাকা। গোল্লাপাড়া বাজারের রনির দোকান থেকে( ০১৭৩৭-৩২৮৭৫৪ নং বিকাশ এজন্ট নম্বর) কয়েক দফায় এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা। মুণ্ডুমাল বাজারের সাইফুল ইসলামের দোকান থেকে (০১৭১৩৭০২৯৩৫ নং বিকাশ এজন্ট নম্বর) ১৭ হাজার টাকা। ইলামদহী বাজারের জাফর আলীর দোকান থেকে (০১৩০৩-৬০২১৬৫ নং বিকাশ এজন্ট নম্বর) ১৩ হাজার ১৪০ টাকা।এছাড়াও আরো কয়েকটি বাজার থেকে বিভিন্ন নম্বরে ১৬/১০/২০২৫ তারিখ ৯১০০ টাকা, ১৭/১০/২০২৫ তারিখ ১০০০০ টাকা, ১৯/১০/২০২৫ তারিখ ১০১৫০ টাকা ও ৫০৭০ টাকা। ১০/১১/২০২৫ তারিখ ৬০৯০ টাকা, ১৮/১১/২০২৫ তারিখ ৫০৭০ টাকা, ১৯/১১/২০২৫ তারিখ ১০১৫০ টাকা, ২০/১১/২০২৫ তারিখ ৩০৪০ টাকা, ( ০১৭৩৭-৩২৮৭৪৫ নং এজন্ট নম্বর) ২৫ হাজার ৩৩৫ টাকা এবং (০১৩২৩-৪৪২৪০৬ নং এজন্ট নম্বর) থেকে ১০ হাজার ১৫০ টাকা। সর্বমোট ৬ লাখ ৯৬ হাজার ২৯৫ টাকা। এসব টাকা হাতিয়ে নিলেও দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও ঘটক তাকে বিয়ে দিতে পারেনি। এখন টাকাও ফেরত দিচ্ছে না।
জানতে চাইলে আব্দুল লতিফ ওরফে ভোলা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে ফাঁসানোর জন্য অভিযোগ করা হয়েছে।
জানতে চাইলে তানোর থানার ডিউটি অফিসার বলেন,অভিযোগ হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আলহাজ্ব দোস্ত মোহাম্মদ(৭৫)বাদি হয়ে ঘটক আব্দুল লতিফ ওরফে ভোলাকে বিবাদী করে তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে,বিরাজ করছে মুখরোচক নানা গুঞ্জন।অন্যদিকে স্থানীয়রা প্রতারক ঘটককে আটক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
অভিযোগে প্রকাশ,উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) বিলশহর গ্রামের মৃত মোহর সরদারের পুত্র বয়োবৃদ্ধ হাজী দোস্ত মোহাম্মদকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে, মেয়ে দেখানোর কথা বলে তার কাছে থেকে ঘটক ভোলা কয়েক দফায় ৬ লাখ ৯৬ হাজার ২৯৫ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে,২০২৫ সালের ১৫ জুন লালপুর বাজারের হালিমের দোকান থেকে (০১৭২৩৫১৬৬৯৯ নং বিকাশ এজন্ট নম্বর) কয়েক দফায় এক লাখ বিশ হাজার টাকা। সুমন আলীর দোকান থেকে কয়েক দফায় (বিকাশ এজেন্ট নম্বর-০১৭১৯৩২৯৬৯০) এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা। আসলাম আলীর দোকান থেকে (০১৭৩৯-৬৪২২০০ নং বিকাশ এজন্ট) কয়েক দফায় এক লাখ ৬৭ হাজার টাকা। গোল্লাপাড়া বাজারের রনির দোকান থেকে( ০১৭৩৭-৩২৮৭৫৪ নং বিকাশ এজন্ট নম্বর) কয়েক দফায় এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা। মুণ্ডুমাল বাজারের সাইফুল ইসলামের দোকান থেকে (০১৭১৩৭০২৯৩৫ নং বিকাশ এজন্ট নম্বর) ১৭ হাজার টাকা। ইলামদহী বাজারের জাফর আলীর দোকান থেকে (০১৩০৩-৬০২১৬৫ নং বিকাশ এজন্ট নম্বর) ১৩ হাজার ১৪০ টাকা।এছাড়াও আরো কয়েকটি বাজার থেকে বিভিন্ন নম্বরে ১৬/১০/২০২৫ তারিখ ৯১০০ টাকা, ১৭/১০/২০২৫ তারিখ ১০০০০ টাকা, ১৯/১০/২০২৫ তারিখ ১০১৫০ টাকা ও ৫০৭০ টাকা। ১০/১১/২০২৫ তারিখ ৬০৯০ টাকা, ১৮/১১/২০২৫ তারিখ ৫০৭০ টাকা, ১৯/১১/২০২৫ তারিখ ১০১৫০ টাকা, ২০/১১/২০২৫ তারিখ ৩০৪০ টাকা, ( ০১৭৩৭-৩২৮৭৪৫ নং এজন্ট নম্বর) ২৫ হাজার ৩৩৫ টাকা এবং (০১৩২৩-৪৪২৪০৬ নং এজন্ট নম্বর) থেকে ১০ হাজার ১৫০ টাকা। সর্বমোট ৬ লাখ ৯৬ হাজার ২৯৫ টাকা। এসব টাকা হাতিয়ে নিলেও দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও ঘটক তাকে বিয়ে দিতে পারেনি। এখন টাকাও ফেরত দিচ্ছে না।
জানতে চাইলে আব্দুল লতিফ ওরফে ভোলা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে ফাঁসানোর জন্য অভিযোগ করা হয়েছে।
জানতে চাইলে তানোর থানার ডিউটি অফিসার বলেন,অভিযোগ হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।
আলিফ হোসেন