শীত মৌসুম শুরু হতেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) রোকেয়া হলসংলগ্ন পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখির আগমনে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
দূরবর্তী শীতপ্রধান অঞ্চল থেকে নিরাপদ আশ্রয় ও খাদ্যের সন্ধানে আসা এসব পাখির কিচিরমিচির শব্দে প্রাণ ফিরে পেয়েছে সবুজে ঘেরা ক্যাম্পাস।
পুকুরে পর্যাপ্ত পানি, জলজ খাদ্য ও নিরিবিলি পরিবেশ থাকায় প্রতিদিনই বাড়ছে পরিযায়ী পাখির আনাগোনা। বিশেষ করে সকাল ও বিকালবেলায় পুকুরপাড়ে পাখিদের বিচরণ বেশি চোখে পড়ছে। এই দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়াও নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাখিপ্রেমী ও দর্শনার্থীরা। অনেকেই মোবাইল ফোন ও ক্যামেরায় পাখিদের মুহূর্ত বন্দী করছেন।
পরিবেশবিদদের মতে, প্রতিবছর নিয়মিতভাবে পরিযায়ী পাখির আগমন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পরিবেশগত ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্যের সুস্থতার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত। তবে এই পাখিদের নিরাপদ আবাস বজায় রাখতে পুকুর ও আশপাশের পরিবেশ সংরক্ষণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ফজলে রাব্বী বলেন, পরিযায়ী পাখিরা সাধারণত নিরাপদ, শান্ত ও খাদ্যে সমৃদ্ধ এলাকাকেই আশ্রয় হিসেবে বেছে নেয়। রোকেয়া হলের পুকুরে তাদের উপস্থিতি প্রমাণ করে। এখানকার পরিবেশ এখনও তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক ও জীববৈচিত্র্যবান। তবে পাখিদের বিরক্ত করা, শিকার কিংবা পুকুরের পানি দূষণ করা হলে ভবিষ্যতে তারা আর আসবে না। তাই রাবি প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে এই পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণ শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষার বিষয় নয়, বরং এটি পরিবেশের স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
উল্লেখ্য, প্রতিবছর শীত মৌসুমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পুকুর ও জলাশয়ে দেশ-বিদেশের নানা প্রজাতির পরিযায়ী পাখি দেখা যায়, যা ক্যাম্পাসকে পরিণত করে এক প্রাকৃতিক আশ্রয়স্থলে।
দূরবর্তী শীতপ্রধান অঞ্চল থেকে নিরাপদ আশ্রয় ও খাদ্যের সন্ধানে আসা এসব পাখির কিচিরমিচির শব্দে প্রাণ ফিরে পেয়েছে সবুজে ঘেরা ক্যাম্পাস।
পুকুরে পর্যাপ্ত পানি, জলজ খাদ্য ও নিরিবিলি পরিবেশ থাকায় প্রতিদিনই বাড়ছে পরিযায়ী পাখির আনাগোনা। বিশেষ করে সকাল ও বিকালবেলায় পুকুরপাড়ে পাখিদের বিচরণ বেশি চোখে পড়ছে। এই দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়াও নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাখিপ্রেমী ও দর্শনার্থীরা। অনেকেই মোবাইল ফোন ও ক্যামেরায় পাখিদের মুহূর্ত বন্দী করছেন।
পরিবেশবিদদের মতে, প্রতিবছর নিয়মিতভাবে পরিযায়ী পাখির আগমন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পরিবেশগত ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্যের সুস্থতার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত। তবে এই পাখিদের নিরাপদ আবাস বজায় রাখতে পুকুর ও আশপাশের পরিবেশ সংরক্ষণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ফজলে রাব্বী বলেন, পরিযায়ী পাখিরা সাধারণত নিরাপদ, শান্ত ও খাদ্যে সমৃদ্ধ এলাকাকেই আশ্রয় হিসেবে বেছে নেয়। রোকেয়া হলের পুকুরে তাদের উপস্থিতি প্রমাণ করে। এখানকার পরিবেশ এখনও তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক ও জীববৈচিত্র্যবান। তবে পাখিদের বিরক্ত করা, শিকার কিংবা পুকুরের পানি দূষণ করা হলে ভবিষ্যতে তারা আর আসবে না। তাই রাবি প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে এই পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণ শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষার বিষয় নয়, বরং এটি পরিবেশের স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
উল্লেখ্য, প্রতিবছর শীত মৌসুমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পুকুর ও জলাশয়ে দেশ-বিদেশের নানা প্রজাতির পরিযায়ী পাখি দেখা যায়, যা ক্যাম্পাসকে পরিণত করে এক প্রাকৃতিক আশ্রয়স্থলে।
মোসাঃ মিতু খাতুন