শীতকালীন প্রকৃতি ও গ্রামীণ সংস্কৃতির আবহে রাজশাহীতে ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছে রোদ পোহানো উৎসব।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজশাহী নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে কলেজটির প্রাণীবিদ্যা বিভাগের উদ্যোগে দিনব্যাপী এ উৎসব আয়োজন করা হয়।
উৎসবকে কেন্দ্র করে কলেজ মাঠে সৃষ্টি হয় ভিন্নধর্মী ও প্রাণবন্ত পরিবেশ। শীতের রোদে বসে আনন্দ উপভোগের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী পিঠার ঘ্রাণে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কলেজ মাঠে সাজানো হয় বিভিন্ন পিঠার স্টল, যেখানে ভাপা, পাটিসাপটা, চিতইসহ শীতকালীন নানা ধরনের দেশীয় পিঠা পরিবেশন করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী ও আগত অতিথিদের সারি সারি চেয়ারে বসে রোদ পোহাতে দেখা যায়।
উৎসব আয়োজনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রাণীবিদ্যা বিভাগের আয়োজক প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ঋতুকে ঘিরে বৈশাখ, চৈত্র সংক্রান্তি কিংবা বর্ষা উৎসবের মতো নানা আয়োজন দেখা যায়। তবে শীত মৌসুমে পিঠা উৎসব ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো আয়োজন চোখে পড়ে না। সেই ভাবনা থেকেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে রোদ পোহানো উৎসব-এর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শীতের রোদ, প্রকৃতি ও আনন্দ, এই তিনটি একসঙ্গে উপভোগ করাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য।
উৎসব সম্পর্কে শিক্ষার্থীরাও সন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রাণীবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী মাইনুল ইসলাম তোহা বলেন, স্যারের এই উদ্যোগ সত্যিই ব্যতিক্রমধর্মী। সকাল থেকেই আমরা পিঠার স্টল সাজিয়ে বসেছি। খোলা মাঠে শীতের আমেজে রোদ পোহাতে বেশ ভালো লাগছে।
একই বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াহিদা মেঘলা বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি এ ধরনের আয়োজন আমাদের মানসিক সতেজতা বাড়ায়। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি নতুন অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত হতে পারছি।
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনব্যাপী রোদ পোহানো উৎসব প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ভবিষ্যতেও শিক্ষাঙ্গনে শীতকালীন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজশাহী নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে কলেজটির প্রাণীবিদ্যা বিভাগের উদ্যোগে দিনব্যাপী এ উৎসব আয়োজন করা হয়।
উৎসবকে কেন্দ্র করে কলেজ মাঠে সৃষ্টি হয় ভিন্নধর্মী ও প্রাণবন্ত পরিবেশ। শীতের রোদে বসে আনন্দ উপভোগের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী পিঠার ঘ্রাণে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কলেজ মাঠে সাজানো হয় বিভিন্ন পিঠার স্টল, যেখানে ভাপা, পাটিসাপটা, চিতইসহ শীতকালীন নানা ধরনের দেশীয় পিঠা পরিবেশন করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী ও আগত অতিথিদের সারি সারি চেয়ারে বসে রোদ পোহাতে দেখা যায়।
উৎসব আয়োজনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রাণীবিদ্যা বিভাগের আয়োজক প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ঋতুকে ঘিরে বৈশাখ, চৈত্র সংক্রান্তি কিংবা বর্ষা উৎসবের মতো নানা আয়োজন দেখা যায়। তবে শীত মৌসুমে পিঠা উৎসব ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো আয়োজন চোখে পড়ে না। সেই ভাবনা থেকেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে রোদ পোহানো উৎসব-এর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শীতের রোদ, প্রকৃতি ও আনন্দ, এই তিনটি একসঙ্গে উপভোগ করাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য।
উৎসব সম্পর্কে শিক্ষার্থীরাও সন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রাণীবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী মাইনুল ইসলাম তোহা বলেন, স্যারের এই উদ্যোগ সত্যিই ব্যতিক্রমধর্মী। সকাল থেকেই আমরা পিঠার স্টল সাজিয়ে বসেছি। খোলা মাঠে শীতের আমেজে রোদ পোহাতে বেশ ভালো লাগছে।
একই বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াহিদা মেঘলা বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি এ ধরনের আয়োজন আমাদের মানসিক সতেজতা বাড়ায়। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি নতুন অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত হতে পারছি।
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনব্যাপী রোদ পোহানো উৎসব প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ভবিষ্যতেও শিক্ষাঙ্গনে শীতকালীন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক