রাজশাহীর কোল্ডস্টোরেজগুলোতে আলু লোড-আনলোডের সময় শ্রমিকদের দিয়ে ৫০ কেজির বেশি ওজনের বস্তা বহন করানো যাবে না, হাইকোর্টের এই নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের একদফা দাবিতে রাজশাহীর পবা উপজেলায় স্মারকলিপি প্রদান, সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন কুলি শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার দুপুরে নওহাটা পৌরসভার বায়া বাজার এলাকায় এসব কর্মসূচি পালন করে পবা উপজেলা লোড-আনলোড কুলি শ্রমিক ইউনিয়ন। কর্মসূচির শুরুতে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। পরে ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন কুলি শ্রমিকরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোর্তুজা। তিনি জানান, ২০১৭ সালে কুলি শ্রমিকদের সাধ্যের অতিরিক্ত ভার বহনের ফলে শারীরিক ক্ষতি ও স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরে হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত রুল জারি করে নির্দেশ দেন, নারী শ্রমিক সর্বোচ্চ ৩০ কেজি এবং পুরুষ শ্রমিক সর্বোচ্চ ৫০ কেজির বেশি ওজন বহন করতে পারবেন না। এই নির্দেশনা সবার জন্য বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মোর্তুজা আরও বলেন, রুল জারির পরবর্তী এক বছর কিছু কোল্ডস্টোরেজে ৫০ থেকে ৫৫ কেজি পর্যন্ত আংশিকভাবে নির্দেশনা মানা হলেও বর্তমানে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন কোল্ডস্টোরেজে শ্রমিকদের দিয়ে ৭০ থেকে ৮০ কেজি ওজনের আলুর বস্তা বহন করানো হচ্ছে। এতে শ্রমিকদের মধ্যে কোমরব্যথা, হাঁটু ও মেরুদণ্ডজনিত সমস্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। অনেক শ্রমিক অল্প বয়সেই কর্মক্ষমতা হারাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন ২০২৬ মৌসুমে আলুর বস্তার ওজন ৮০ থেকে ১০০ কেজিতে বাড়ানো হবে না, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকেই কোল্ডস্টোরেজে আলু লোড-আনলোড কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই হাইকোর্টের নির্দেশনা কার্যকর না হলে শ্রমিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও চরম আকার ধারণ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল হোসেন বলেন, হাইকোর্টের রুলজারি বাস্তবায়নের দাবিতে কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, আমরা আইন মেনে কাজ করতে চাই। আইন অনুযায়ী ৫০ কেজির বেশি ওজন বহন না করাই আমাদের একমাত্র দাবি।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শ্রমিকরা বলেন, কুলি শ্রমিকরা দৈনিক মজুরির ওপর নির্ভরশীল। অতিরিক্ত ভার বহনের কারণে অসুস্থ হলে চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন কাজ করতে না পারায় পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হয়। আইন থাকলেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলেও জানান শ্রমিকরা।
এ সময় ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সেলিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে অতিরিক্ত ওজন বহন করানো শ্রম আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তারা বৃহত্তর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
কুলি শ্রমিকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়-২০২৬ মৌসুমের আগেই হাইকোর্টের রুলজারি অনুযায়ী কোল্ডস্টোরেজে আলু বস্তার ওজন সর্বোচ্চ ৫০ কেজিতে সীমাবদ্ধ করে তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণ ও লোড-আনলোড কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান শ্রমিক নেতারা।
মঙ্গলবার দুপুরে নওহাটা পৌরসভার বায়া বাজার এলাকায় এসব কর্মসূচি পালন করে পবা উপজেলা লোড-আনলোড কুলি শ্রমিক ইউনিয়ন। কর্মসূচির শুরুতে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। পরে ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন কুলি শ্রমিকরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোর্তুজা। তিনি জানান, ২০১৭ সালে কুলি শ্রমিকদের সাধ্যের অতিরিক্ত ভার বহনের ফলে শারীরিক ক্ষতি ও স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরে হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত রুল জারি করে নির্দেশ দেন, নারী শ্রমিক সর্বোচ্চ ৩০ কেজি এবং পুরুষ শ্রমিক সর্বোচ্চ ৫০ কেজির বেশি ওজন বহন করতে পারবেন না। এই নির্দেশনা সবার জন্য বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মোর্তুজা আরও বলেন, রুল জারির পরবর্তী এক বছর কিছু কোল্ডস্টোরেজে ৫০ থেকে ৫৫ কেজি পর্যন্ত আংশিকভাবে নির্দেশনা মানা হলেও বর্তমানে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন কোল্ডস্টোরেজে শ্রমিকদের দিয়ে ৭০ থেকে ৮০ কেজি ওজনের আলুর বস্তা বহন করানো হচ্ছে। এতে শ্রমিকদের মধ্যে কোমরব্যথা, হাঁটু ও মেরুদণ্ডজনিত সমস্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। অনেক শ্রমিক অল্প বয়সেই কর্মক্ষমতা হারাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন ২০২৬ মৌসুমে আলুর বস্তার ওজন ৮০ থেকে ১০০ কেজিতে বাড়ানো হবে না, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকেই কোল্ডস্টোরেজে আলু লোড-আনলোড কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই হাইকোর্টের নির্দেশনা কার্যকর না হলে শ্রমিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও চরম আকার ধারণ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল হোসেন বলেন, হাইকোর্টের রুলজারি বাস্তবায়নের দাবিতে কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, আমরা আইন মেনে কাজ করতে চাই। আইন অনুযায়ী ৫০ কেজির বেশি ওজন বহন না করাই আমাদের একমাত্র দাবি।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শ্রমিকরা বলেন, কুলি শ্রমিকরা দৈনিক মজুরির ওপর নির্ভরশীল। অতিরিক্ত ভার বহনের কারণে অসুস্থ হলে চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন কাজ করতে না পারায় পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হয়। আইন থাকলেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলেও জানান শ্রমিকরা।
এ সময় ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সেলিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে অতিরিক্ত ওজন বহন করানো শ্রম আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তারা বৃহত্তর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
কুলি শ্রমিকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়-২০২৬ মৌসুমের আগেই হাইকোর্টের রুলজারি অনুযায়ী কোল্ডস্টোরেজে আলু বস্তার ওজন সর্বোচ্চ ৫০ কেজিতে সীমাবদ্ধ করে তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণ ও লোড-আনলোড কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান শ্রমিক নেতারা।
নিজস্ব প্রতিবেদক