রাজশাহীর তানোরে পুর্ববিরোধের জের ধরে খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে শতাধিক হাঁস-মুরগী হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) কালনা পূর্বপাড়াগ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
এঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শাফিউল ইসলাম ও আশরাফুল ইসলাম একই গ্রামের আনেস আলী কারিগরকে অভিযুক্ত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। বাদির অভিযোগ পূর্বশত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার ভোরে বাড়ির উঠানে (খৈলান) খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়। পরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাঁস-মুরগী ও বাচ্চাগুলো খাবার খেতে শুরু করে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই মারা যায়। এতে শাফিউল ইসলামের পাঁচটি হাঁস, প্রায় পঁচিশটি মুরগী ও সমপরিমাণ বাচ্চা মারা যায়। একইভাবে তার ভাই আশরাফুল ইসলামের পনেরটি মুরগী ও প্রায় বারোটি বাচ্চা মারা গেছে।
শাফিউল ইসলাম জানান, সকালে দরজা খোলার পরপরই হাঁস-মুরগীগুলো (খৈলান) উঠানে পড়ে থাকা খাবার খায় এবং সঙ্গে সঙ্গেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মারা যায়। তিনি বলেন, হাঁস-মুরগী পালন করে সংসারের অতিরিক্ত খরচ চালানো হতো। সব হারিয়ে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।
ভুক্তভোগী আরও জানান, কয়েক দিন আগে একই কৌশলে গ্রামের মতিউর রহমানের ছয়টি মুরগী ও চার-পাঁচটি বাচ্চাও মারা যায়।
গ্রামবাসী অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার পর অভিযুক্ত আনেস আলী কারিকগকে বিষয়টি জানালে তিনি উল্টো হুমকি দেন এবং দাবি করেন, হাঁস-মুরগী তার ফসল নষ্ট করায় তিনি এ কাজ করেছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তাকে নিষেধ করলেও তিনি কারও কথা শোনেননি।
এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন গ্রামবাসী মরা হাঁস-মুরগী নিয়ে উপজেলা পরিষদের সামনে গিয়ে বিচার দাবি করেন। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা না হওয়ায় তারা পরে থানায় অভিযোগ দিয়ে ফিরে যান।
গ্রামবাসী জানান, ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি হাঁস-মুরগী মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন। তারা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে আনেস আলী কারিগর বলেন, হাঁস-মুরগী হত্যার কোনো প্রমাণ নেই। তিনি দাবি করেন, তার সরিষা ও আলুর ফসল নষ্ট করা হয়েছিল। তবে বিষ মিশিয়ে খাবার ছিটানোর বিষয়ে সরাসরি কোনো উত্তর দেননি।
এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, অভিযোগ হাতে পেলে উভয় পক্ষকে ডেকে শুনানি শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) কালনা পূর্বপাড়াগ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
এঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শাফিউল ইসলাম ও আশরাফুল ইসলাম একই গ্রামের আনেস আলী কারিগরকে অভিযুক্ত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। বাদির অভিযোগ পূর্বশত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার ভোরে বাড়ির উঠানে (খৈলান) খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়। পরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাঁস-মুরগী ও বাচ্চাগুলো খাবার খেতে শুরু করে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই মারা যায়। এতে শাফিউল ইসলামের পাঁচটি হাঁস, প্রায় পঁচিশটি মুরগী ও সমপরিমাণ বাচ্চা মারা যায়। একইভাবে তার ভাই আশরাফুল ইসলামের পনেরটি মুরগী ও প্রায় বারোটি বাচ্চা মারা গেছে।
শাফিউল ইসলাম জানান, সকালে দরজা খোলার পরপরই হাঁস-মুরগীগুলো (খৈলান) উঠানে পড়ে থাকা খাবার খায় এবং সঙ্গে সঙ্গেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মারা যায়। তিনি বলেন, হাঁস-মুরগী পালন করে সংসারের অতিরিক্ত খরচ চালানো হতো। সব হারিয়ে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।
ভুক্তভোগী আরও জানান, কয়েক দিন আগে একই কৌশলে গ্রামের মতিউর রহমানের ছয়টি মুরগী ও চার-পাঁচটি বাচ্চাও মারা যায়।
গ্রামবাসী অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার পর অভিযুক্ত আনেস আলী কারিকগকে বিষয়টি জানালে তিনি উল্টো হুমকি দেন এবং দাবি করেন, হাঁস-মুরগী তার ফসল নষ্ট করায় তিনি এ কাজ করেছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তাকে নিষেধ করলেও তিনি কারও কথা শোনেননি।
এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন গ্রামবাসী মরা হাঁস-মুরগী নিয়ে উপজেলা পরিষদের সামনে গিয়ে বিচার দাবি করেন। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা না হওয়ায় তারা পরে থানায় অভিযোগ দিয়ে ফিরে যান।
গ্রামবাসী জানান, ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি হাঁস-মুরগী মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন। তারা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে আনেস আলী কারিগর বলেন, হাঁস-মুরগী হত্যার কোনো প্রমাণ নেই। তিনি দাবি করেন, তার সরিষা ও আলুর ফসল নষ্ট করা হয়েছিল। তবে বিষ মিশিয়ে খাবার ছিটানোর বিষয়ে সরাসরি কোনো উত্তর দেননি।
এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, অভিযোগ হাতে পেলে উভয় পক্ষকে ডেকে শুনানি শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলিফ হোসেন