মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেছেন, যদি এই দেশ আমাদের হয়, তাহলে দেশ কীভাবে পরিচালিত হবে সে সম্পর্কে মতামত দেওয়ার অধিকার সম্পূর্ণরূপে সকল মানুষের আছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বগুড়া সদরের ফাঁপোড় পশ্চিমপাড়া গ্রামে জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত গণভোট এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ বিষয়ক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ মত জানান।
ফারুক ই আজম বলেন, গণভোট হলো দেশের জনগণের সর্বোচ্চ মতামত এবং এটি দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ফোরাম; এর উপরে আর কিছু আছে বলে তিনি মনে করেন না। তিনি জানান, গণভোটের প্রাপ্ত ফলাফল সংবিধানে যোগ হওয়া অনিবার্য। সুতরাং এবারের নির্বাচনে দেশ পরিচালনার চাবিকাঠি ভোটারের হাতে নেওয়ার গুরুত্ব** রয়েছে।
তিনি বলেন, এবার ভোট প্রদান দুই ধাপে হবে, একটি সাদা কাগজে রাজনৈতিক দল/ব্যক্তি মনোনয়ন নির্বাচন, দ্বিতীয়টি, গোলাপি কাগজে হ্যাঁ বা না ভোটের মাধ্যমে গণভোট।
এ সময় তিনি গণভোটের মাধ্যমে আলোচিত প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ দশ বছরের মেয়াদ, বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য, সরকারি কর্ম কমিশনের সংস্কার ও সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির মতো মৌলিক বিষয়গুলোর যৌক্তিকতা ও তুলে ধরেন।
ফারুক ই আজম আরও বলেন, সরকার ও ঐকমত্য পরিষদ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে জুলাই সনদ তৈরি করেছে; সেই সনদের প্রেক্ষিতে আগামী নির্বাচনে ভোট প্রদানের উদ্দেশ্যে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বর্তমান সরকারকে নিরপেক্ষ উল্লেখ করে বলেন, বিভিন্ন প্রস্তাবে সব রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে, তাই এটি একটি জাতির ঐক্যবদ্ধ মতের ফলাফল।
উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারে আমরা এসেছি দায়িত্বপূর্বক, নির্বাচন শেষে আমরা চলে যাব, আমরা কোনো রাজনৈতিক দল নই। এবং সকলকে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটদানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেন,সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল ওয়াজেদ, সিনিয়র তথ্য অফিসার মুহা. মাহফুজার রহমান প্রমুখ।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বগুড়া সদরের ফাঁপোড় পশ্চিমপাড়া গ্রামে জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত গণভোট এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ বিষয়ক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ মত জানান।
ফারুক ই আজম বলেন, গণভোট হলো দেশের জনগণের সর্বোচ্চ মতামত এবং এটি দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ফোরাম; এর উপরে আর কিছু আছে বলে তিনি মনে করেন না। তিনি জানান, গণভোটের প্রাপ্ত ফলাফল সংবিধানে যোগ হওয়া অনিবার্য। সুতরাং এবারের নির্বাচনে দেশ পরিচালনার চাবিকাঠি ভোটারের হাতে নেওয়ার গুরুত্ব** রয়েছে।
তিনি বলেন, এবার ভোট প্রদান দুই ধাপে হবে, একটি সাদা কাগজে রাজনৈতিক দল/ব্যক্তি মনোনয়ন নির্বাচন, দ্বিতীয়টি, গোলাপি কাগজে হ্যাঁ বা না ভোটের মাধ্যমে গণভোট।
এ সময় তিনি গণভোটের মাধ্যমে আলোচিত প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ দশ বছরের মেয়াদ, বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য, সরকারি কর্ম কমিশনের সংস্কার ও সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির মতো মৌলিক বিষয়গুলোর যৌক্তিকতা ও তুলে ধরেন।
ফারুক ই আজম আরও বলেন, সরকার ও ঐকমত্য পরিষদ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে জুলাই সনদ তৈরি করেছে; সেই সনদের প্রেক্ষিতে আগামী নির্বাচনে ভোট প্রদানের উদ্দেশ্যে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বর্তমান সরকারকে নিরপেক্ষ উল্লেখ করে বলেন, বিভিন্ন প্রস্তাবে সব রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে, তাই এটি একটি জাতির ঐক্যবদ্ধ মতের ফলাফল।
উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারে আমরা এসেছি দায়িত্বপূর্বক, নির্বাচন শেষে আমরা চলে যাব, আমরা কোনো রাজনৈতিক দল নই। এবং সকলকে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটদানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেন,সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল ওয়াজেদ, সিনিয়র তথ্য অফিসার মুহা. মাহফুজার রহমান প্রমুখ।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :