প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, বর্তমান সরকার ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সরকার; তাই গণ-অভ্যুত্থান থেকে উদ্ভূত গণ-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নই এই সরকারের প্রধান দায়িত্ব। তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সরকার সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন-এই তিনটি বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে গণভোট প্রচার বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকারের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করা। তবে এবার সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় এ বিষয়ে জনগণের সঙ্গে কথা বলা ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিশেষ দায়িত্ব সরকারের ওপর বর্তেছে।
তিনি জানান, গণ-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকার তিনটি বিষয়কে বেছে নিয়েছে, সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। এর মধ্যে সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, আর নির্বাচন সামনে রেখে প্রস্তুতি ও সমন্বয়ের কাজ এগিয়ে চলছে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের অবস্থানের ব্যাখ্যা দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে বহু বিতর্কের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদে স্বাক্ষর ও অধ্যাদেশ জারি হয়েছে। কিন্তু পরবর্তী সরকার সংসদে তা পাস না করলে সনদটি কার্যত বাতিল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ প্রেক্ষাপটে গণভোটে উত্থাপিত প্রস্তাবগুলোতে জনগণের ‘হ্যাঁ’ ভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যান্ডেট সৃষ্টি করবে, যাতে ভবিষ্যতে যে দলই ক্ষমতায় আসুক, সংস্কার বাস্তবায়নে তারা বাধ্য থাকে।
এসময় তিনি গণভোট ঘিরে বিভিন্ন দপ্তরের প্রস্তুতি ও কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং একটি ভালো জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট জাতিকে উপহার দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে গণভোট প্রচার বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকারের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করা। তবে এবার সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় এ বিষয়ে জনগণের সঙ্গে কথা বলা ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিশেষ দায়িত্ব সরকারের ওপর বর্তেছে।
তিনি জানান, গণ-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকার তিনটি বিষয়কে বেছে নিয়েছে, সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। এর মধ্যে সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, আর নির্বাচন সামনে রেখে প্রস্তুতি ও সমন্বয়ের কাজ এগিয়ে চলছে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের অবস্থানের ব্যাখ্যা দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে বহু বিতর্কের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদে স্বাক্ষর ও অধ্যাদেশ জারি হয়েছে। কিন্তু পরবর্তী সরকার সংসদে তা পাস না করলে সনদটি কার্যত বাতিল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ প্রেক্ষাপটে গণভোটে উত্থাপিত প্রস্তাবগুলোতে জনগণের ‘হ্যাঁ’ ভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যান্ডেট সৃষ্টি করবে, যাতে ভবিষ্যতে যে দলই ক্ষমতায় আসুক, সংস্কার বাস্তবায়নে তারা বাধ্য থাকে।
এসময় তিনি গণভোট ঘিরে বিভিন্ন দপ্তরের প্রস্তুতি ও কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং একটি ভালো জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট জাতিকে উপহার দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :