শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ও অনতিবিলম্বে শাকসু নির্বাচন বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রশিবির।
মঙ্গলবার (২০ই জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে মানববন্ধনের আয়োজন করেছেন তারা।
মানববন্ধনে ছাত্রশিবিরে নেতাকর্মীদের, 'হারার ভয়ে খেলে না, সেই কথা তো বলে না ' হাইকোর্ট না শাকসু, শাকসু শাকসু ' শাকসু চাই দিতে হবে, দিতে হবে দিতে হবে' ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়। '
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসুর) ভিপি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, শাকসু নির্বাচন হাইকোর্টকে ব্যবহার করে স্থগিত করার মাধ্যমে তারা আবারও নব্য ফ্যাসিস্ট হওয়ার মানসিকতা প্রকাশ করেছে। শুরু থেকেই তারা এই নির্বাচন পেছানোর চেষ্টা চালিয়ে এসেছে, তবে ছাত্রসমাজ এখন স্পষ্টভাবে বুঝে গেছে কারা নির্বাচন পিছিয়ে দিতে চায়।
তিনি বলেন, দেশনেতা আসার পরও জকসু নির্বাচনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করেছে—এই দেশে আর কোনো ফ্যাসিস্ট নেতৃত্বের জায়গা নেই। শাকসু নির্বাচন চাওয়ায় এক ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কারের ঘটনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল শিক্ষার্থীবান্ধব রাজনীতির পথে নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে দাবি জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগেই অনতিবিলম্বে শাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, স্বৈরাচার পতনের সময় উত্থাপিত ৯ দফা দাবির অন্যতম ছিল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন। কিন্তু নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নিতেই ছাত্রদল ও তাদের সংগঠন বিএনপি তা বানচালের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশনের সামনে মব সৃষ্টি করে শাকসু নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা যেমন কোর্টকে ব্যবহার করে নির্বাচন বানচাল করতেন, তারাও একই কৌশলে শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার হরণ করছে। এতে বিএনপির নতুন ফ্যাসিবাদী চরিত্র স্পষ্ট হয়েছে। একটি দলের স্বার্থে নির্বাচন স্থগিত করায় জাতীয় নির্বাচন নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি অনতিবিলম্বে শাকসু নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছেন। কিন্তু তার দল বিএনপি সেই অবস্থানের বিপরীত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করছে।
এছাড়াও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন হল শাখার নেতৃবৃন্দ অনতিবিলম্বে শাকসুকে কার্যকর করার দাবি জানান।
উল্লেখ্য যে, শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ও অনতিবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে সারাদেশের ক্যাম্পাসসমূহে মানববন্ধন কর্মসূচির ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। এছাড়া উক্ত মানব বন্ধনে প্রায় শতাধিক ছাত্রশিবিরের নেতা কর্মী উপস্তিত ছিলেন।
মঙ্গলবার (২০ই জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে মানববন্ধনের আয়োজন করেছেন তারা।
মানববন্ধনে ছাত্রশিবিরে নেতাকর্মীদের, 'হারার ভয়ে খেলে না, সেই কথা তো বলে না ' হাইকোর্ট না শাকসু, শাকসু শাকসু ' শাকসু চাই দিতে হবে, দিতে হবে দিতে হবে' ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়। '
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসুর) ভিপি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, শাকসু নির্বাচন হাইকোর্টকে ব্যবহার করে স্থগিত করার মাধ্যমে তারা আবারও নব্য ফ্যাসিস্ট হওয়ার মানসিকতা প্রকাশ করেছে। শুরু থেকেই তারা এই নির্বাচন পেছানোর চেষ্টা চালিয়ে এসেছে, তবে ছাত্রসমাজ এখন স্পষ্টভাবে বুঝে গেছে কারা নির্বাচন পিছিয়ে দিতে চায়।
তিনি বলেন, দেশনেতা আসার পরও জকসু নির্বাচনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করেছে—এই দেশে আর কোনো ফ্যাসিস্ট নেতৃত্বের জায়গা নেই। শাকসু নির্বাচন চাওয়ায় এক ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কারের ঘটনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল শিক্ষার্থীবান্ধব রাজনীতির পথে নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে দাবি জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগেই অনতিবিলম্বে শাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, স্বৈরাচার পতনের সময় উত্থাপিত ৯ দফা দাবির অন্যতম ছিল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন। কিন্তু নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নিতেই ছাত্রদল ও তাদের সংগঠন বিএনপি তা বানচালের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশনের সামনে মব সৃষ্টি করে শাকসু নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা যেমন কোর্টকে ব্যবহার করে নির্বাচন বানচাল করতেন, তারাও একই কৌশলে শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার হরণ করছে। এতে বিএনপির নতুন ফ্যাসিবাদী চরিত্র স্পষ্ট হয়েছে। একটি দলের স্বার্থে নির্বাচন স্থগিত করায় জাতীয় নির্বাচন নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি অনতিবিলম্বে শাকসু নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছেন। কিন্তু তার দল বিএনপি সেই অবস্থানের বিপরীত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করছে।
এছাড়াও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন হল শাখার নেতৃবৃন্দ অনতিবিলম্বে শাকসুকে কার্যকর করার দাবি জানান।
উল্লেখ্য যে, শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ও অনতিবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে সারাদেশের ক্যাম্পাসসমূহে মানববন্ধন কর্মসূচির ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। এছাড়া উক্ত মানব বন্ধনে প্রায় শতাধিক ছাত্রশিবিরের নেতা কর্মী উপস্তিত ছিলেন।
প্রতিনিধি :