আরব দুনিয়ায় নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়াল ইজরায়েলের কড়া বার্তা। ইরান যদি কোনও হামলা চালায়, তবে তার জবাব হবে নজিরবিহীন - এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
সম্প্রতি এক ভাষণ দিতে গিয়ে নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানান, তেহরানের প্রতিটি পদক্ষেপ খুব কাছ থেকে নজরে রাখছে তেল আভিভ। তাঁর কথায়, “ইরান যদি আমাদের উপর আক্রমণ চালায়, তাহলে আমরা এমন শক্তিতে প্রতিক্রিয়া দেখাব, যা তারা আগে কখনও অনুভব করেনি।”
নেতানিয়াহু বলছেন, সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর ইরান আপাতত শান্ত হলেও, পরিস্থিতি মোটেই স্বাভাবিক নয়। “ইরানের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা কেউই বলতে পারে না। তবে এটা নিশ্চিত, দেশটি আর আগের জায়গায় ফিরে যাবে না,” - এই মন্তব্যে সম্ভাব্য সংঘাতের গুরুতর পরিণতির ইঙ্গিত দিয়েছেন ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।
এই হুঁশিয়ারির আবহেই উঠে আসছে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির ভয়াবহ ছবি। দেশজুড়ে সরকার-বিরোধী আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে অন্তত ৪,০২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার কর্মীরা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সির দাবি, এই অভিযানে ২৬ হাজারেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে প্রায় ৩,৭৮৬ জন বিক্ষোভকারী, ১৮০ জন নিরাপত্তারক্ষী, ২৮ জন শিশু এবং ৩৫ জন এমন মানুষ, যাঁরা কোনও বিক্ষোভে অংশ নেননি। সংস্থাটির আশঙ্কা, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। যদিও ইরানে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় এই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইরান ও আমেরিকার সম্পর্কেও চরম টানাপড়েন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জন্য দুটি ‘রেড লাইন’ টেনেছেন - শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা এবং আন্দোলনের পর গণহারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা। এই উত্তেজনার আবহে মার্কিন নৌবাহিনীর পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনকে আরব দুনিয়ার দিকে সরানো হচ্ছে বলে একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।
জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ইতিমধ্যেই সিঙ্গাপুর পেরিয়ে মালাক্কা প্রণালীতে পৌঁছেছে। তার সঙ্গে রয়েছে ফ্র্যাঙ্ক ই পিটারসন জুনিয়র, মাইকেল মারফি এবং স্প্রুয়ান্স - এই তিনটি অত্যাধুনিক ডেস্ট্রয়ার। আগে দক্ষিণ চিন সাগরে তাইওয়ান ইস্যুতে চিনকে চাপে রাখতে মোতায়েন ছিল এই স্ট্রাইক গ্রুপ। আরব দুনিয়ায় পৌঁছতে এখনও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে ওই অঞ্চলে কোনও মার্কিন বিমানবাহী রণতরী গোষ্ঠী না থাকায় সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে উপসাগরীয় আরব দেশগুলির আপত্তির কারণে। সব মিলিয়ে, ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকাকে ঘিরে যে নতুন করে অস্থিরতার মেঘ ঘনাচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক রাজনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে।
সম্প্রতি এক ভাষণ দিতে গিয়ে নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানান, তেহরানের প্রতিটি পদক্ষেপ খুব কাছ থেকে নজরে রাখছে তেল আভিভ। তাঁর কথায়, “ইরান যদি আমাদের উপর আক্রমণ চালায়, তাহলে আমরা এমন শক্তিতে প্রতিক্রিয়া দেখাব, যা তারা আগে কখনও অনুভব করেনি।”
নেতানিয়াহু বলছেন, সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর ইরান আপাতত শান্ত হলেও, পরিস্থিতি মোটেই স্বাভাবিক নয়। “ইরানের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা কেউই বলতে পারে না। তবে এটা নিশ্চিত, দেশটি আর আগের জায়গায় ফিরে যাবে না,” - এই মন্তব্যে সম্ভাব্য সংঘাতের গুরুতর পরিণতির ইঙ্গিত দিয়েছেন ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।
এই হুঁশিয়ারির আবহেই উঠে আসছে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির ভয়াবহ ছবি। দেশজুড়ে সরকার-বিরোধী আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে অন্তত ৪,০২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার কর্মীরা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সির দাবি, এই অভিযানে ২৬ হাজারেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে প্রায় ৩,৭৮৬ জন বিক্ষোভকারী, ১৮০ জন নিরাপত্তারক্ষী, ২৮ জন শিশু এবং ৩৫ জন এমন মানুষ, যাঁরা কোনও বিক্ষোভে অংশ নেননি। সংস্থাটির আশঙ্কা, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। যদিও ইরানে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় এই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইরান ও আমেরিকার সম্পর্কেও চরম টানাপড়েন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জন্য দুটি ‘রেড লাইন’ টেনেছেন - শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা এবং আন্দোলনের পর গণহারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা। এই উত্তেজনার আবহে মার্কিন নৌবাহিনীর পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনকে আরব দুনিয়ার দিকে সরানো হচ্ছে বলে একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।
জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ইতিমধ্যেই সিঙ্গাপুর পেরিয়ে মালাক্কা প্রণালীতে পৌঁছেছে। তার সঙ্গে রয়েছে ফ্র্যাঙ্ক ই পিটারসন জুনিয়র, মাইকেল মারফি এবং স্প্রুয়ান্স - এই তিনটি অত্যাধুনিক ডেস্ট্রয়ার। আগে দক্ষিণ চিন সাগরে তাইওয়ান ইস্যুতে চিনকে চাপে রাখতে মোতায়েন ছিল এই স্ট্রাইক গ্রুপ। আরব দুনিয়ায় পৌঁছতে এখনও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে ওই অঞ্চলে কোনও মার্কিন বিমানবাহী রণতরী গোষ্ঠী না থাকায় সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে উপসাগরীয় আরব দেশগুলির আপত্তির কারণে। সব মিলিয়ে, ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকাকে ঘিরে যে নতুন করে অস্থিরতার মেঘ ঘনাচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক রাজনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক