নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী, দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে শোকজ করেছেন নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) কমিটির পক্ষ থেকে রাজশাহীর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোছা. কামরুন নাহার এ সংক্রান্ত কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠান। নোটিশে অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে আগামী মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজশাহীর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে স্বশরীরে হাজির হয়ে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি জানায়, অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আচরণবিধি লঙ্ঘনের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর উপস্থিতিতে গোদাগাড়ীর রিশিকুল ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত একটি উঠান বৈঠকে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়া হয় এবং প্রকাশ্যে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করা হয়। ওই বৈঠকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, বৈঠকে তাঁর পক্ষে বক্তব্যে বলা হয়-
সবকিছু এদের কাছে নিরাপদ নয়। মুজিবুর রহমান একজন ভালো মানুষ। আগামীতে নিরাপত্তাপূর্ণ স্বাধীন বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য ন্যায়ের পক্ষে, আল-কুরআনের পক্ষে সবাই মিলে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করবেন।
বিচারিক কমিটির মতে, এসব বক্তব্য সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর ১৫, ১৬ ও ১৮ নম্বর বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ কারণে বিষয়টি নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম হিসেবে তদন্ত করে কেন সুপারিশসহ প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানো হবে না সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) কমিটির পক্ষ থেকে রাজশাহীর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোছা. কামরুন নাহার এ সংক্রান্ত কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠান। নোটিশে অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে আগামী মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজশাহীর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে স্বশরীরে হাজির হয়ে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি জানায়, অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আচরণবিধি লঙ্ঘনের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর উপস্থিতিতে গোদাগাড়ীর রিশিকুল ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত একটি উঠান বৈঠকে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়া হয় এবং প্রকাশ্যে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করা হয়। ওই বৈঠকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, বৈঠকে তাঁর পক্ষে বক্তব্যে বলা হয়-
সবকিছু এদের কাছে নিরাপদ নয়। মুজিবুর রহমান একজন ভালো মানুষ। আগামীতে নিরাপত্তাপূর্ণ স্বাধীন বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য ন্যায়ের পক্ষে, আল-কুরআনের পক্ষে সবাই মিলে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করবেন।
বিচারিক কমিটির মতে, এসব বক্তব্য সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর ১৫, ১৬ ও ১৮ নম্বর বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ কারণে বিষয়টি নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম হিসেবে তদন্ত করে কেন সুপারিশসহ প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানো হবে না সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।
আলিফ হোসেন