মাদারীপুরের ঘটকচরে সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনায় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের পাইকেরবাড়ী গ্রামের পাঁচ নারী দিনমজুর নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঘটকচরে সার্বিক পরিবহনের সঙ্গে যাত্রীবাহী একটি ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৭ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৫ জন পাইকেরবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা।
নিহতরা হলেন- পলাশ বাড়ৈ’র স্ত্রী দুলালী বাড়ৈ (৪২); জয়ন্ত বাড়ৈ’র স্ত্রী অমিতা বাড়ৈ (৫৩); প্রকাশ বাড়ৈ’র স্ত্রী আভা বাড়ৈ (৬৫); রঞ্জিত বাড়ৈ’র স্ত্রী শেফালী বাড়ৈ (৪৫); পংকজ বিশ্বাসের স্ত্রী কামনা বাড়ৈ (৫০)
পাইকেরবাড়ী গ্রামের কলেজ ছাত্রী পান্না বাড়ৈ জানান, রবিবার ভোরে নিহতরা দিনমজুরের কাজ করতে মাদারীপুরে যান। কাজ শেষে ইজিবাইকে ফেরার পথে ঘটকচরে বিপরীত দিক থেকে আসা সার্বিক পরিবহনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান।
একই গ্রামের গৃহিনী কাজল বাড়ৈ বলেন, আমাদের এলাকার অনেকেই দিনমজুরের কাজ করতে মাদারীপুরে যান। গতকাল ভোরে দুলালী, অমিতা, আভা, শেফালী ও কামনা কাজ করতে গিয়ে ফেরার পথে নিহত হয়েছেন। আমরা এলাকাবাসী নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।
সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সমর চাঁদ মৃধা খোকন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। নিহতদের মরদেহ রাতেই গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে দাহ কার্যক্রম চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঘটকচরে সার্বিক পরিবহনের সঙ্গে যাত্রীবাহী একটি ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৭ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৫ জন পাইকেরবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা।
নিহতরা হলেন- পলাশ বাড়ৈ’র স্ত্রী দুলালী বাড়ৈ (৪২); জয়ন্ত বাড়ৈ’র স্ত্রী অমিতা বাড়ৈ (৫৩); প্রকাশ বাড়ৈ’র স্ত্রী আভা বাড়ৈ (৬৫); রঞ্জিত বাড়ৈ’র স্ত্রী শেফালী বাড়ৈ (৪৫); পংকজ বিশ্বাসের স্ত্রী কামনা বাড়ৈ (৫০)
পাইকেরবাড়ী গ্রামের কলেজ ছাত্রী পান্না বাড়ৈ জানান, রবিবার ভোরে নিহতরা দিনমজুরের কাজ করতে মাদারীপুরে যান। কাজ শেষে ইজিবাইকে ফেরার পথে ঘটকচরে বিপরীত দিক থেকে আসা সার্বিক পরিবহনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান।
একই গ্রামের গৃহিনী কাজল বাড়ৈ বলেন, আমাদের এলাকার অনেকেই দিনমজুরের কাজ করতে মাদারীপুরে যান। গতকাল ভোরে দুলালী, অমিতা, আভা, শেফালী ও কামনা কাজ করতে গিয়ে ফেরার পথে নিহত হয়েছেন। আমরা এলাকাবাসী নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।
সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সমর চাঁদ মৃধা খোকন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। নিহতদের মরদেহ রাতেই গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে দাহ কার্যক্রম চলছে।
অনলাইন ডেস্ক