ইরানে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের সরকারের পতন চাইলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানালেন, ৩৭ বছরের রাজত্বের ইতি ঘটানোর সময় এসে গিয়েছে। ইরানের এখন নতুন নেতৃত্ব প্রয়োজন। শুক্রবারই (আমেরিকার স্থানীয় সময়) ট্রাম্প ইরান প্রসঙ্গে সুর কিছুটা নরম করেছিলেন। জানিয়েছিলেন, সেখানে হত্যালীলা থেমেছে। ৮০০-র বেশি বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার যে সিদ্ধান্ত খামেনেইরা নিয়েছিলেন, তা বাতিল করা হয়েছে। তার পর খামেনেই সরকারের প্রশংসাও শোনা গিয়েছিল ট্রাম্পের মুখে। কিন্তু এক দিনের মধ্যে ফের তাঁর সুর বদলে গেল। নেপথ্যে খামেনেইয়ের পোস্ট!
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেই শনিবার সমাজমাধ্যমে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কয়েকটি পোস্ট করেন। সরব হন পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার আগ্রাসন নিয়ে। খামেনেইয়ের দাবি, ইরানে এই ক্ষয়ক্ষতি এবং হত্যালীলার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনই দায়ী। কয়েকটি হিংস্র গোষ্ঠীকে ইরানের জনগণের প্রতিনিধি হিসাবে তুলে ধরছে আমেরিকা। একে ‘ভয়াবহ অপবাদ’ বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা দেশকে যুদ্ধের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব না। তবে আমরা দেশের অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধীদের শাস্তি না-দিয়ে ছেড়েও দেব না। ইরানে এই মৃত্যু, ধ্বংস এবং অপবাদের জন্য আমরা আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে অপরাধী বলে মনে করি।’’
শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো-কে একটি সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে খামেনেইয়ের পোস্টগুলি পড়েন ট্রাম্প। তার পরেই দাবি করেন, ইরানে খামেনেইয়ের সরকারের পতন ঘনিয়ে এসেছে। এখন সেখানে নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান জুড়ে মৃত্যুভয় তৈরি করে রেখেছেন খামেনেই। তার মাধ্যমেই দেশ চালাচ্ছেন। আসলে দেশটির ধ্বংসের জন্যেও খামেনেইয়ের শাসনই দায়ী থাকবে। ট্রাম্প বলেন, ‘‘দেশের শাসক হিসাবে ধ্বংসের জন্য খামেনেই দায়ী। যে হিংসার ব্যবহার তিনি করেছেন, তা আগে কখনও দেখা যায়নি। কোনও দেশ চালাতে হলে তাতেই মনোনিবেশ করতে হয়, যেমনটা আমি আমেরিকায় করি। ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য হাজার হাজার মানুষকে মেরে ফেলা যায় না।’’
নেতৃত্ব শ্রদ্ধার বনিয়াদে গড়ে ওঠে, ভয় বা মৃত্যুর বনিয়াদে নয়, খামেনেইয়ের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। ইরানের শাসককে ব্যক্তিগত আক্রমণও করেছেন তিনি। দাবি, তাঁর দুর্বল নেতৃত্বের কারণে ইরান পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ বসবাসযোগ্য স্থান হয়ে উঠেছে। ইরানে নতুন নেতার বিষয়ে শনিবারের সাক্ষাৎকারে কোনও মন্তব্য করেননি ট্রাম্প। তবে এর আগে সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের নির্বাসিত এবং আমেরিকানিবাসী যুবরাজ রেজ়া পহলভির প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। যদিও তাঁর জনসমর্থন নিয়ে এখনও সন্দিহান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেই শনিবার সমাজমাধ্যমে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কয়েকটি পোস্ট করেন। সরব হন পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার আগ্রাসন নিয়ে। খামেনেইয়ের দাবি, ইরানে এই ক্ষয়ক্ষতি এবং হত্যালীলার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনই দায়ী। কয়েকটি হিংস্র গোষ্ঠীকে ইরানের জনগণের প্রতিনিধি হিসাবে তুলে ধরছে আমেরিকা। একে ‘ভয়াবহ অপবাদ’ বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা দেশকে যুদ্ধের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব না। তবে আমরা দেশের অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধীদের শাস্তি না-দিয়ে ছেড়েও দেব না। ইরানে এই মৃত্যু, ধ্বংস এবং অপবাদের জন্য আমরা আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে অপরাধী বলে মনে করি।’’
শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো-কে একটি সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে খামেনেইয়ের পোস্টগুলি পড়েন ট্রাম্প। তার পরেই দাবি করেন, ইরানে খামেনেইয়ের সরকারের পতন ঘনিয়ে এসেছে। এখন সেখানে নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান জুড়ে মৃত্যুভয় তৈরি করে রেখেছেন খামেনেই। তার মাধ্যমেই দেশ চালাচ্ছেন। আসলে দেশটির ধ্বংসের জন্যেও খামেনেইয়ের শাসনই দায়ী থাকবে। ট্রাম্প বলেন, ‘‘দেশের শাসক হিসাবে ধ্বংসের জন্য খামেনেই দায়ী। যে হিংসার ব্যবহার তিনি করেছেন, তা আগে কখনও দেখা যায়নি। কোনও দেশ চালাতে হলে তাতেই মনোনিবেশ করতে হয়, যেমনটা আমি আমেরিকায় করি। ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য হাজার হাজার মানুষকে মেরে ফেলা যায় না।’’
নেতৃত্ব শ্রদ্ধার বনিয়াদে গড়ে ওঠে, ভয় বা মৃত্যুর বনিয়াদে নয়, খামেনেইয়ের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। ইরানের শাসককে ব্যক্তিগত আক্রমণও করেছেন তিনি। দাবি, তাঁর দুর্বল নেতৃত্বের কারণে ইরান পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ বসবাসযোগ্য স্থান হয়ে উঠেছে। ইরানে নতুন নেতার বিষয়ে শনিবারের সাক্ষাৎকারে কোনও মন্তব্য করেননি ট্রাম্প। তবে এর আগে সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের নির্বাসিত এবং আমেরিকানিবাসী যুবরাজ রেজ়া পহলভির প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। যদিও তাঁর জনসমর্থন নিয়ে এখনও সন্দিহান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
আন্তজার্তিক ডেস্ক