নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মাসুদের (৪৯) ইন্ধনে ছয় মামলার আসামি মিজানুর রহমান ওরফে রনি (৩৫) নামে এক যুবককে ডাকাত আখ্যা দিয়ে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যাকান্ডের পর স্থানীয় বাজারে মিষ্টি বিতরণ হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালিরহাট বাজারসংলগ্ন কাজী বাড়ির সামনের সড়কে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
নিহত মিজানুর রহমান কবিরহাট পৌরসভার জৈনদপুর এলাকার ভুয়া পুলিশের বাড়ির মো. শহীদের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।
নিহতের শ্যালক মোহাম্মদ জামাল অভিযোগ করে বলেন, পাঁচ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১০ জানুয়ারি সকালে মনিনগর গ্রামে তার ওপর হামলা চালানো হয়। ওই সময় তার বাবা ওবায়দুল হকসহ তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। হামলায় তার হাত ভেঙে যায়। বর্তমানে তিনি এখনও চিকিৎসাধীন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে তার ভগ্নিপতি মিজানুর রহমান কালিরহাট বাজারে বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ে গিয়ে ওই হামলার বিচার দাবি করেন। এ সময় নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মাসুদের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিএনপি নেতা মাসুদের ইন্ধনে তার উপস্থিতিতে কালিবাজারের উত্তরে কাজী বাড়ির সামনে মিজানকে আটক করে। এরপর আমাদের বাড়ির নুর মোহাম্মদ বাচ্চু (৬০), তার ছেলে যুবদল নেতা হাফিজ উদ্দিন (৩২), শিহাব উদ্দিন (২২), নুর উদ্দিন (৩৫)সহ ১৫–১৬ জন ব্যক্তি লাঠি ও লোহার পাইপ দিয়ে মিজানের মাথা ও মুখে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ সড়কে ফেলে রেখে তারা চলে যায়। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হারুনুর রশীদ হারুন বলেন, আমরা আমাদের অফিসে বসে নির্বাচনী কথাবার্তা বলছিলাম। সেখানে মিজান এলে কথাকাটাকাটি হয়। পরে সেখান থেকে সে চলে যায়। পরে শুনি কে বা কাহারা তাকে হত্যা করে মরদেহ রাস্তার ফেলে যায়। মিষ্টি বিতরণের বিষয়টি আমার জানা নেই।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ঘটনার পর থেকে নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মাসুদের মুঠোফোনে অসংখ্যবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। তাই এ বিষয়ে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ বাচ্চুর মুঠোফোনে কল করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নিজাম উদ্দিন ভূঁঞা বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি, দুটি চুরি, একটি অস্ত্র মামলা ও সরকারি কর্মচারীর ওপর হামলাসহ অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে। নিহত মিজানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ ছিল। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালিরহাট বাজারসংলগ্ন কাজী বাড়ির সামনের সড়কে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
নিহত মিজানুর রহমান কবিরহাট পৌরসভার জৈনদপুর এলাকার ভুয়া পুলিশের বাড়ির মো. শহীদের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।
নিহতের শ্যালক মোহাম্মদ জামাল অভিযোগ করে বলেন, পাঁচ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১০ জানুয়ারি সকালে মনিনগর গ্রামে তার ওপর হামলা চালানো হয়। ওই সময় তার বাবা ওবায়দুল হকসহ তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। হামলায় তার হাত ভেঙে যায়। বর্তমানে তিনি এখনও চিকিৎসাধীন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে তার ভগ্নিপতি মিজানুর রহমান কালিরহাট বাজারে বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ে গিয়ে ওই হামলার বিচার দাবি করেন। এ সময় নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মাসুদের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিএনপি নেতা মাসুদের ইন্ধনে তার উপস্থিতিতে কালিবাজারের উত্তরে কাজী বাড়ির সামনে মিজানকে আটক করে। এরপর আমাদের বাড়ির নুর মোহাম্মদ বাচ্চু (৬০), তার ছেলে যুবদল নেতা হাফিজ উদ্দিন (৩২), শিহাব উদ্দিন (২২), নুর উদ্দিন (৩৫)সহ ১৫–১৬ জন ব্যক্তি লাঠি ও লোহার পাইপ দিয়ে মিজানের মাথা ও মুখে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ সড়কে ফেলে রেখে তারা চলে যায়। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হারুনুর রশীদ হারুন বলেন, আমরা আমাদের অফিসে বসে নির্বাচনী কথাবার্তা বলছিলাম। সেখানে মিজান এলে কথাকাটাকাটি হয়। পরে সেখান থেকে সে চলে যায়। পরে শুনি কে বা কাহারা তাকে হত্যা করে মরদেহ রাস্তার ফেলে যায়। মিষ্টি বিতরণের বিষয়টি আমার জানা নেই।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ঘটনার পর থেকে নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মাসুদের মুঠোফোনে অসংখ্যবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। তাই এ বিষয়ে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ বাচ্চুর মুঠোফোনে কল করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নিজাম উদ্দিন ভূঁঞা বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি, দুটি চুরি, একটি অস্ত্র মামলা ও সরকারি কর্মচারীর ওপর হামলাসহ অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে। নিহত মিজানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ ছিল। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গিয়াস উদ্দিন রনি ( নোয়াখালি প্রতিনিধি)