রাজশাহীর পুঠিয়ায় কিশোরকন্ঠ মেধাবৃত্তি পরিক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত ২২২ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
`কিশোর কন্ঠ পড়বো, জীবন টাকে গড়বো’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শনিবার (১৭ জানুয়ারী) সকালে পুঠিয়া রাজবাড়ি জাদুঘর মাঠ প্রাঙ্গণে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় এই পুরস্কার ও নগদ অর্থ বিতরণী অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে ট্যালেন্টপুল, সাধারণ ও বিশেষ ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে নগদ ৫ লক্ষ টাকা, ক্রেস্ট, সনদ, মূল্যবান বই ও শিক্ষা সামগ্রি প্রদান করা হয়। এছাড়াও সর্বচ্চো নম্বরপ্রাপ্ত একজন শিক্ষার্থীকে স্টুডেন্ট অব দ্যা ইয়ার হিসেবে ল্যাপটপ দেওয়া হয়।
কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন রাজশাহী জেলা (পূর্ব) চেয়ারম্যান মু. রুবেল আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন সিফাত উল আলম।
সঞ্চালনায় ছিলেন কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী কলেজের সহকারী অধ্যপক গোলাম রাব্বানী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কিশোরকন্ঠ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও বানেশ্বর সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মইনুল হোসেন প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবকগন ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন রাজশাহী জেলা (পূর্ব) চেয়ারম্যান মু. রুবেল আলী তাঁর বক্তব্যে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন-মেধাবীদের প্রতি দেশ জাতির অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। তোমরা নিজেদের মেধা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে জাতির সফলতার প্রত্যাশা ফুটিয়ে তুলতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা একদল দেশপ্রেমিক সাহসী মানুষ চাই, যারা শুধু নিজেদের ব্যক্তি জীবনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং বঞ্চিত মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করবে। মেধাবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শুধু পাঠ্যপুস্তক নিয়েই লেখাপড়া করলে চলবে না। নিজেদেরকে চরিত্রবান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। নীতি-নৈতিকতা জ্ঞান সম্পন্ন মানুষ তৈরি হলেই সমৃদ্ধ স্বদেশ গঠন সম্ভব। তবেই মিলবে দুনিয়ায় প্রশান্তি ও পরকালীন মুক্তি।
`কিশোর কন্ঠ পড়বো, জীবন টাকে গড়বো’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শনিবার (১৭ জানুয়ারী) সকালে পুঠিয়া রাজবাড়ি জাদুঘর মাঠ প্রাঙ্গণে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় এই পুরস্কার ও নগদ অর্থ বিতরণী অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে ট্যালেন্টপুল, সাধারণ ও বিশেষ ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে নগদ ৫ লক্ষ টাকা, ক্রেস্ট, সনদ, মূল্যবান বই ও শিক্ষা সামগ্রি প্রদান করা হয়। এছাড়াও সর্বচ্চো নম্বরপ্রাপ্ত একজন শিক্ষার্থীকে স্টুডেন্ট অব দ্যা ইয়ার হিসেবে ল্যাপটপ দেওয়া হয়।
কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন রাজশাহী জেলা (পূর্ব) চেয়ারম্যান মু. রুবেল আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন সিফাত উল আলম।
সঞ্চালনায় ছিলেন কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী কলেজের সহকারী অধ্যপক গোলাম রাব্বানী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কিশোরকন্ঠ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও বানেশ্বর সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মইনুল হোসেন প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবকগন ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন রাজশাহী জেলা (পূর্ব) চেয়ারম্যান মু. রুবেল আলী তাঁর বক্তব্যে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন-মেধাবীদের প্রতি দেশ জাতির অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। তোমরা নিজেদের মেধা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে জাতির সফলতার প্রত্যাশা ফুটিয়ে তুলতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা একদল দেশপ্রেমিক সাহসী মানুষ চাই, যারা শুধু নিজেদের ব্যক্তি জীবনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং বঞ্চিত মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করবে। মেধাবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শুধু পাঠ্যপুস্তক নিয়েই লেখাপড়া করলে চলবে না। নিজেদেরকে চরিত্রবান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। নীতি-নৈতিকতা জ্ঞান সম্পন্ন মানুষ তৈরি হলেই সমৃদ্ধ স্বদেশ গঠন সম্ভব। তবেই মিলবে দুনিয়ায় প্রশান্তি ও পরকালীন মুক্তি।
আরিফুল হক (রুবেল),