অবসর নিয়েছেন তিন বছর আগে। তবু রড লেভার অ্যারেনায় পা রাখতেই সময় যেন উল্টো দিকে হাঁটতে শুরু করল। সরকারি ম্যাচ নয়, অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে আজ অনুশীলন সেশনে নামতেই দর্শকের ঢল। রজার ফেডেরার ফের মেলবোর্ন পার্কে—উত্তেজনার পারদ চড়াতে এটুকু তথ্যই ছিল যথেষ্ট!
প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ নয়। তবু ক্যাসপার রুডের সঙ্গে টাই-ব্রেক অনুশীলনে ফেডেরার ধরা দিলেন চেনা মেজাজে। একহাতি ব্যাকহ্যান্ড, নিখুঁত ফুটওয়ার্ক, কোর্ট কভারেজ—সবই সেই আগের মতো! ব্যাকহ্যান্ড ডাউন দ্য লাইনে বল রাখতেই গ্যালারি ফেটে পড়ল হাততালিতে। ফেডেরারের মুখে সেই চেনা মুচকি হাসি, দর্শকের দিকে হাত নাড়িয়ে অভিবাদন জানানো। ২০২২ সালে অবসরের পর এই প্রথম অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মূল ভেন্যুতে পদার্পণ। তাই অনুশীলন সেশন হলেও আবহ ছিল পুরোপুরি ম্যাচ ডে-র মতো।
ফেডেরারের মেলবোর্নে আসা শুধুই নস্টালজিয়া উসকে দিতে নয়। শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, তিনি খেলবেন একটি প্রদর্শনী ম্যাচ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে এই বিশেষ আয়োজনে ফেডেরারের সঙ্গে কোর্ট ভাগ করবেন আন্দ্রে আগাসি, লেটন হিউইট ও প্যাট রাফটারের মতো কিংবদন্তি।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেন বরাবর ফেডেরারের কাছে পয়মন্ত। ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন—২০০৪, ২০০৬, ২০০৭, ২০১০, ২০১৭ ও ২০১৮। মেলবোর্ন পার্কে তাঁর ম্যাচ জয়ের সংখ্যা শতাধিক। ২০১৮ সালে মারিন চিলিচের বিরুদ্ধে পাঁচ সেটের ফাইনাল জয় কিংবা ২০১৭-র সেই ঐতিহাসিক ফাইনালে রাফায়েল নাদালের বিরুদ্ধে প্রত্যাবর্তন—সবই টুর্নামেন্টের বর্ণময় ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে।
চলতি অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শুরু হচ্ছে ১৮ জানুয়ারি। পুরুষদের ড্রয়ে নজর কার্লোস আলকারাজ ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইয়ানিক সিনারের দিকে। এই দ্বৈরথ নিয়ে নিজের মতামত স্পষ্ট করেছেন ফেডেরার। তাঁর কথায়, ‘দুর্দান্ত এক প্রতিদ্বন্দ্বিতা। প্যারিসে ফরাসি ওপেনের ফাইনালে যে ম্যাচটা হল, গোটা ক্রীড়াজগৎ থমকে গিয়েছিল। এমন ম্যাচই টেনিসকে বাঁচিয়ে রাখে।’
এক সময় ‘বিগ থ্রি’—ফেডেরার, নোভাক জোকোভিচ ও নাদাল—পরবর্তী যুগ নিয়ে শঙ্কা ছিল। কিন্তু ফেডেরারের চোখে, আলকারাজ-সিনার সেই শূন্যতা অনেকটাই ভরাট করেছে।
প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ নয়। তবু ক্যাসপার রুডের সঙ্গে টাই-ব্রেক অনুশীলনে ফেডেরার ধরা দিলেন চেনা মেজাজে। একহাতি ব্যাকহ্যান্ড, নিখুঁত ফুটওয়ার্ক, কোর্ট কভারেজ—সবই সেই আগের মতো! ব্যাকহ্যান্ড ডাউন দ্য লাইনে বল রাখতেই গ্যালারি ফেটে পড়ল হাততালিতে। ফেডেরারের মুখে সেই চেনা মুচকি হাসি, দর্শকের দিকে হাত নাড়িয়ে অভিবাদন জানানো। ২০২২ সালে অবসরের পর এই প্রথম অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মূল ভেন্যুতে পদার্পণ। তাই অনুশীলন সেশন হলেও আবহ ছিল পুরোপুরি ম্যাচ ডে-র মতো।
ফেডেরারের মেলবোর্নে আসা শুধুই নস্টালজিয়া উসকে দিতে নয়। শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, তিনি খেলবেন একটি প্রদর্শনী ম্যাচ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে এই বিশেষ আয়োজনে ফেডেরারের সঙ্গে কোর্ট ভাগ করবেন আন্দ্রে আগাসি, লেটন হিউইট ও প্যাট রাফটারের মতো কিংবদন্তি।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেন বরাবর ফেডেরারের কাছে পয়মন্ত। ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন—২০০৪, ২০০৬, ২০০৭, ২০১০, ২০১৭ ও ২০১৮। মেলবোর্ন পার্কে তাঁর ম্যাচ জয়ের সংখ্যা শতাধিক। ২০১৮ সালে মারিন চিলিচের বিরুদ্ধে পাঁচ সেটের ফাইনাল জয় কিংবা ২০১৭-র সেই ঐতিহাসিক ফাইনালে রাফায়েল নাদালের বিরুদ্ধে প্রত্যাবর্তন—সবই টুর্নামেন্টের বর্ণময় ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে।
চলতি অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শুরু হচ্ছে ১৮ জানুয়ারি। পুরুষদের ড্রয়ে নজর কার্লোস আলকারাজ ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইয়ানিক সিনারের দিকে। এই দ্বৈরথ নিয়ে নিজের মতামত স্পষ্ট করেছেন ফেডেরার। তাঁর কথায়, ‘দুর্দান্ত এক প্রতিদ্বন্দ্বিতা। প্যারিসে ফরাসি ওপেনের ফাইনালে যে ম্যাচটা হল, গোটা ক্রীড়াজগৎ থমকে গিয়েছিল। এমন ম্যাচই টেনিসকে বাঁচিয়ে রাখে।’
এক সময় ‘বিগ থ্রি’—ফেডেরার, নোভাক জোকোভিচ ও নাদাল—পরবর্তী যুগ নিয়ে শঙ্কা ছিল। কিন্তু ফেডেরারের চোখে, আলকারাজ-সিনার সেই শূন্যতা অনেকটাই ভরাট করেছে।
ক্রীড়া ডেস্ক