রাজধানী উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে পৌঁছেছে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন। এ ছাড়া বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।
শুক্রবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ওই এলাকার ৭ তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই অগ্নিকাণ্ড হয়।
এ ঘটনায় নিহতরা হলেন: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার দড়িপারশী এলাকার শহিদুলের মেয়ে রোদেলা (১৪), কুমিল্লা সদর উপজেলার দিঘীরপাড় এলাকার ফজল রাব্বি রিজভী (৩৭), মো. রিশন (২, মাস ৫ দিন), ময়মনসিংহ ঈশ্বরগঞ্জের দড়িপারশী এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. হারিছ উদ্দিন (৫২), একই এলাকার হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. রাহাব (১৭) ও আফসানা নামের আরেকজন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উত্তরা পশ্চিম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মোহাম্মদ রফিক আহমেদ।
ওসি জানান, সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে পুলিশ সংবাদ পায়। থানার নিকটে বাড়ি হওয়াতে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে একজন উত্তরা স্পেশালাইজড হাসপাতালে, একজন লুবানা হাসপাতালে, তিনজন কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে এবং একজন ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ওসি কাজী মোহাম্মদ রফিক আহমেদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গ্যাস সংযোগ অথবা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে আমাদের ধারণা।
শুক্রবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ওই এলাকার ৭ তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই অগ্নিকাণ্ড হয়।
এ ঘটনায় নিহতরা হলেন: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার দড়িপারশী এলাকার শহিদুলের মেয়ে রোদেলা (১৪), কুমিল্লা সদর উপজেলার দিঘীরপাড় এলাকার ফজল রাব্বি রিজভী (৩৭), মো. রিশন (২, মাস ৫ দিন), ময়মনসিংহ ঈশ্বরগঞ্জের দড়িপারশী এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. হারিছ উদ্দিন (৫২), একই এলাকার হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. রাহাব (১৭) ও আফসানা নামের আরেকজন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উত্তরা পশ্চিম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মোহাম্মদ রফিক আহমেদ।
ওসি জানান, সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে পুলিশ সংবাদ পায়। থানার নিকটে বাড়ি হওয়াতে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে একজন উত্তরা স্পেশালাইজড হাসপাতালে, একজন লুবানা হাসপাতালে, তিনজন কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে এবং একজন ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ওসি কাজী মোহাম্মদ রফিক আহমেদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গ্যাস সংযোগ অথবা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে আমাদের ধারণা।
অনলাইন ডেস্ক