রাজশাহীর তানোরের ঐতিবাহী তালন্দ লোলিত মোহন ডিগ্রি কলেজে ফের জনবল নিয়োগের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় সভাপতি রণেভঙ্গ দিয়েছে বলে গুঞ্জন বইছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন,আওয়ামী মতাদর্শী এক কর্মচারী,বিএনপি মতাদর্শী এক শিক্ষক ও সভাপতি সিন্ডিকেট করে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে, জামায়াত মতাদর্শী এক শিক্ষককে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
এদিকে গত ১১ জানুয়ারি তালন্দ গ্রামের বাসিন্দা ও অভিভাবক আব্দুস সালাম রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। এবং অভিযোগের অনুলিপি ডাকযোগে উপাচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ট্রেজারার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মহাপরিচালক, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, পরিচালক মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর রাজশাহী, মহাপরিচালকের প্রতিনিধি, অধ্যক্ষ রাজশাহী কলেজ, চেয়ারম্যান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী, তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সভাপতি গভর্নিং বডি তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজ। এছাড়াও রাজনৈতিক প্রভাবে অনিয়মের মাধ্যমে জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে পদায়ন দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এর আগেও একাধিকবার নিয়োগের চেস্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি অবৈধ নিয়োগ পক্রিয়ায় সম্মতি না দেয়ায় এক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে চাপ দিয়ে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ও জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে পচ্ছন্দের শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করা হয়েছে বলেও আলোচনা রয়েছে।
অভিভাবক মহলের অভিযোগ, দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সকল প্রতিষ্ঠান-সংগঠনের নির্বাচন ও নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। কিন্তু শুক্রবার (১৬ জানুয়ারী) সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজ সিন্ডিকেট তালন্দ কলেজে নিয়োগ পরীক্ষার দিনধার্য করেন। তবে প্রার্থীদের প্রবেশপত্র প্রায় এক সপ্তাহ আগে ইস্যু হলেও পরীক্ষার আগের দিন বিকেলে তাদের প্রবেশপত্র দেয়া হয়।
এদিকে ঘটনা জানাজানি হলে এলাকার অভিভাবক মহল বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন বিক্ষুব্ধ অভিভাবক মহল রণ প্রস্তুতি নিয়ে কলেজ চত্ত্বরে সমেবেত হয়ে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল ও এর সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শ্লোগান দেন এবং মুঠোফোনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিষয়টি অবগত করেন।
অন্যদিকে নিয়োগ পক্রিয়া সম্পন্ন হলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে এমন পরিস্থিতির খবর পেয়ে ডিজির প্রতিনিধি আসতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে সভাপতি সিন্ডিকেটের বানিজ্যের স্বপ্ন উবে যায় ও রণেভঙ্গ দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক বলেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর জালিয়াতির মাধ্যমে এমন নিয়োগ পক্রিয়ার সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত রয়েছে তাদের অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
প্রসঙ্গত,গত বছরের (২ ডিসেম্বর) শুক্রবার রাস্ট্রিয় শোকদিবস উপেক্ষা ও নীতিমালা লঙ্ঘন করে তালন্দ কলেজের পরিবর্তে রাজশাহী কলেজে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের চেস্টা করেন। কিন্তু বিক্ষুব্ধ অভিভাবকদের কারনে সেই চেস্টাও ব্যর্থ হয়। এ নিয়োগ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে এখানো টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এবিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক বলেন, মানুষের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা বানিজ্যে করা হয়েছে।তিনি বলেন,তাদের দাবি তালন্দ কলেজে এবং মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হোক।
এবিষয়ে কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম বলেন, আপনারা সচেতন মানুষ কলেজকে বাঁচান। তবে নিয়োগ কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এবিষয়ে কলেজ সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে গত ১১ জানুয়ারি তালন্দ গ্রামের বাসিন্দা ও অভিভাবক আব্দুস সালাম রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। এবং অভিযোগের অনুলিপি ডাকযোগে উপাচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ট্রেজারার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মহাপরিচালক, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, পরিচালক মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর রাজশাহী, মহাপরিচালকের প্রতিনিধি, অধ্যক্ষ রাজশাহী কলেজ, চেয়ারম্যান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী, তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সভাপতি গভর্নিং বডি তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজ। এছাড়াও রাজনৈতিক প্রভাবে অনিয়মের মাধ্যমে জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে পদায়ন দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এর আগেও একাধিকবার নিয়োগের চেস্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি অবৈধ নিয়োগ পক্রিয়ায় সম্মতি না দেয়ায় এক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে চাপ দিয়ে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ও জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে পচ্ছন্দের শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করা হয়েছে বলেও আলোচনা রয়েছে।
অভিভাবক মহলের অভিযোগ, দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সকল প্রতিষ্ঠান-সংগঠনের নির্বাচন ও নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। কিন্তু শুক্রবার (১৬ জানুয়ারী) সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজ সিন্ডিকেট তালন্দ কলেজে নিয়োগ পরীক্ষার দিনধার্য করেন। তবে প্রার্থীদের প্রবেশপত্র প্রায় এক সপ্তাহ আগে ইস্যু হলেও পরীক্ষার আগের দিন বিকেলে তাদের প্রবেশপত্র দেয়া হয়।
এদিকে ঘটনা জানাজানি হলে এলাকার অভিভাবক মহল বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন বিক্ষুব্ধ অভিভাবক মহল রণ প্রস্তুতি নিয়ে কলেজ চত্ত্বরে সমেবেত হয়ে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল ও এর সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শ্লোগান দেন এবং মুঠোফোনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিষয়টি অবগত করেন।
অন্যদিকে নিয়োগ পক্রিয়া সম্পন্ন হলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে এমন পরিস্থিতির খবর পেয়ে ডিজির প্রতিনিধি আসতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে সভাপতি সিন্ডিকেটের বানিজ্যের স্বপ্ন উবে যায় ও রণেভঙ্গ দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক বলেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর জালিয়াতির মাধ্যমে এমন নিয়োগ পক্রিয়ার সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত রয়েছে তাদের অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
প্রসঙ্গত,গত বছরের (২ ডিসেম্বর) শুক্রবার রাস্ট্রিয় শোকদিবস উপেক্ষা ও নীতিমালা লঙ্ঘন করে তালন্দ কলেজের পরিবর্তে রাজশাহী কলেজে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের চেস্টা করেন। কিন্তু বিক্ষুব্ধ অভিভাবকদের কারনে সেই চেস্টাও ব্যর্থ হয়। এ নিয়োগ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে এখানো টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এবিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক বলেন, মানুষের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা বানিজ্যে করা হয়েছে।তিনি বলেন,তাদের দাবি তালন্দ কলেজে এবং মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হোক।
এবিষয়ে কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম বলেন, আপনারা সচেতন মানুষ কলেজকে বাঁচান। তবে নিয়োগ কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এবিষয়ে কলেজ সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আলিফ হোসেন