আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি ঐক্য জোটের আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত হয়েছে। জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে প্রাথমিকভাবে ২৫০টি আসনে সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছে জামায়াত।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আসন সমঝোতার বিস্তারিত ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
তিনি বলেন, চূড়ান্ত হওয়া ২৫০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসনে নির্বাচন করবে। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি ও আরও ১০টি আসনে (দুটি অংশে), এলডিপি ৭টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি ৩টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ২টি আসনে প্রার্থী দেবে।
আসন ঘোষণার আগে তিনি বলেন, এখন যেসব দল এখানে উপস্থিত আছে, তাদের মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে, সেটিই ঘোষণা করা হচ্ছে। বাকি আসনগুলোতে শরীক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে সমঝোতা হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে ১০টি দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি সেখানে ছিলেন না। একই সঙ্গে জাগপা ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সঙ্গে এখনো আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি বলে জানানো হয়।
এর আগে বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, জাতি যে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা করছে, সেই মুক্তির লক্ষ্যেই ১১টি দল একত্রিত হয়েছে। খুন ও দুর্নীতির রাজনীতি দেশের মানুষ আর দেখতে চায় না। তিনি অতীতের মতো ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ মেনে নেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আসন সমঝোতার বিস্তারিত ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
তিনি বলেন, চূড়ান্ত হওয়া ২৫০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসনে নির্বাচন করবে। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি ও আরও ১০টি আসনে (দুটি অংশে), এলডিপি ৭টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি ৩টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ২টি আসনে প্রার্থী দেবে।
আসন ঘোষণার আগে তিনি বলেন, এখন যেসব দল এখানে উপস্থিত আছে, তাদের মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে, সেটিই ঘোষণা করা হচ্ছে। বাকি আসনগুলোতে শরীক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে সমঝোতা হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে ১০টি দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি সেখানে ছিলেন না। একই সঙ্গে জাগপা ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সঙ্গে এখনো আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি বলে জানানো হয়।
এর আগে বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, জাতি যে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা করছে, সেই মুক্তির লক্ষ্যেই ১১টি দল একত্রিত হয়েছে। খুন ও দুর্নীতির রাজনীতি দেশের মানুষ আর দেখতে চায় না। তিনি অতীতের মতো ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ মেনে নেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
অনলাইন ডেস্ক