রাজশাহীর তানোর উপজেলায় এলপিজি রান্নার গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি অর্থ দিয়েও অনেক এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।
সরেজমিনে তানোর পৌর সদরের গোল্লাপাড়া বাজার, মুন্ডুমালা পৌর সদরের মুন্ডুমালা হাট, চৌবাড়িয়া হাট, কালীগঞ্জ হাট, তালন্দ হাট ও দরগাডাঙা হাট ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ খুচরা দোকানে এলপিজি সিলিন্ডার নেই। কোথাও কোথাও ১২ কেজির সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও দাম নেওয়া হচ্ছে এক হাজার ৫০০ টাকা, যা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি।
গ্যাস সংকটের কারণে অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে রান্নার জন্য ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহার করছেন। এতে সাময়িকভাবে রান্নার সমস্যা মিটলেও বিদ্যুৎ বিল বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় নতুন দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।
স্থানীয় খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, ডিলারদের কাছ থেকে নিয়মিত সিলিন্ডার সরবরাহ না পাওয়ায় বাজারে এই সংকট তৈরি হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ডিলার পর্যায়ে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম নেওয়া হচ্ছে প্রায় এক হাজার ৪৫০ টাকা। ফলে বাধ্য হয়েই তারা বাড়তি দামে বিক্রি করছেন।
অন্যদিকে সাধারণ ভোক্তারা অভিযোগ করেছেন, গ্যাস সংকটকে পুঁজি করে কিছু ব্যবসায়ী সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছেন। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
এলপিজি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন করে এলপিজি বহনকারী জাহাজ দেশে না আসা পর্যন্ত এই সংকট পুরোপুরি কাটবে না। চলতি মাসে একটি জাহাজ আসার কথা থাকলেও সেটি না এলে ফেব্রুয়ারি মাসজুড়েও সংকট অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এলপিজি সংকটের প্রভাব পড়েছে পরিবহন খাতেও। জেলার বিভিন্ন অটোগ্যাস স্টেশনে গ্যাসের ঘাটতির কারণে এলপিজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি পাইপলাইনে গ্যাসের স্বল্প চাপের কারণে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় অটোরিকশাচালক নিশান হোসেন বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অর্ধেক গ্যাস পাই। দিনে কয়েকবার লাইনে দাঁড়াতে হয়, ফলে আয় অর্ধেকে নেমে গেছে।
স্টেশন মালিকরা জানান, চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় স্টেশন চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক চালক বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে অকটেন ব্যবহার করছেন, যা পরিবহন ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
সরেজমিনে তানোর পৌর সদরের গোল্লাপাড়া বাজার, মুন্ডুমালা পৌর সদরের মুন্ডুমালা হাট, চৌবাড়িয়া হাট, কালীগঞ্জ হাট, তালন্দ হাট ও দরগাডাঙা হাট ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ খুচরা দোকানে এলপিজি সিলিন্ডার নেই। কোথাও কোথাও ১২ কেজির সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও দাম নেওয়া হচ্ছে এক হাজার ৫০০ টাকা, যা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি।
গ্যাস সংকটের কারণে অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে রান্নার জন্য ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহার করছেন। এতে সাময়িকভাবে রান্নার সমস্যা মিটলেও বিদ্যুৎ বিল বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় নতুন দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।
স্থানীয় খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, ডিলারদের কাছ থেকে নিয়মিত সিলিন্ডার সরবরাহ না পাওয়ায় বাজারে এই সংকট তৈরি হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ডিলার পর্যায়ে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম নেওয়া হচ্ছে প্রায় এক হাজার ৪৫০ টাকা। ফলে বাধ্য হয়েই তারা বাড়তি দামে বিক্রি করছেন।
অন্যদিকে সাধারণ ভোক্তারা অভিযোগ করেছেন, গ্যাস সংকটকে পুঁজি করে কিছু ব্যবসায়ী সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছেন। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
এলপিজি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন করে এলপিজি বহনকারী জাহাজ দেশে না আসা পর্যন্ত এই সংকট পুরোপুরি কাটবে না। চলতি মাসে একটি জাহাজ আসার কথা থাকলেও সেটি না এলে ফেব্রুয়ারি মাসজুড়েও সংকট অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এলপিজি সংকটের প্রভাব পড়েছে পরিবহন খাতেও। জেলার বিভিন্ন অটোগ্যাস স্টেশনে গ্যাসের ঘাটতির কারণে এলপিজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি পাইপলাইনে গ্যাসের স্বল্প চাপের কারণে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় অটোরিকশাচালক নিশান হোসেন বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অর্ধেক গ্যাস পাই। দিনে কয়েকবার লাইনে দাঁড়াতে হয়, ফলে আয় অর্ধেকে নেমে গেছে।
স্টেশন মালিকরা জানান, চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় স্টেশন চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক চালক বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে অকটেন ব্যবহার করছেন, যা পরিবহন ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :