রাজশাহী অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেছেন, জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ শিক্ষার্থীদের সুকুমার বৃত্তি ও অন্তর্নিহিত প্রতিভা প্রকাশের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম। নতুন প্রজন্মের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে এ আয়োজনের বাস্তব প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে রাজশাহী অঞ্চল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা পরিচালকের কার্যালয় আয়োজিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ এর বিভাগীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে তিনি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে উত্তীর্ণ হয়ে আসা প্রতিযোগীদের স্বাগত জানিয়ে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার বলেন, দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ধৈর্য ও মনোযোগ ধরে রেখে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরতে হবে। এ ক্ষেত্রে অভিভাবক ও শিক্ষকবৃন্দের উৎসাহ ও সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কোমলমতি শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রত্যেকের মধ্যেই কোনো না কোনো প্রতিভা রয়েছে। ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে তা অন্বেষণ ও বিকাশের চেষ্টা করতে হবে। প্রতিভা খুঁজে বের করে উপযুক্ত স্বীকৃতি দেওয়াই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার বিষয়ে তিনি বলেন, বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শিক্ষকরা বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমেই বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে এবং এতে স্বচ্ছতা নিয়ে কোনো প্রশ্নের অবকাশ নেই। বিভাগীয় পর্যায়ে বিজয়ীরা পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মোহা. আছাদুজ্জামান। এছাড়া উপপরিচালক মোহা. আবদুর রশিদ, সহকারী পরিচালক মোহা. সাদিকুল ইসলাম এবং রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. বাইরুল ইসলাম বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে বিভাগের আট জেলার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী প্রতিযোগী, তাদের অভিভাবকসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে রাজশাহী অঞ্চল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা পরিচালকের কার্যালয় আয়োজিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ এর বিভাগীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে তিনি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে উত্তীর্ণ হয়ে আসা প্রতিযোগীদের স্বাগত জানিয়ে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার বলেন, দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ধৈর্য ও মনোযোগ ধরে রেখে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরতে হবে। এ ক্ষেত্রে অভিভাবক ও শিক্ষকবৃন্দের উৎসাহ ও সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কোমলমতি শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রত্যেকের মধ্যেই কোনো না কোনো প্রতিভা রয়েছে। ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে তা অন্বেষণ ও বিকাশের চেষ্টা করতে হবে। প্রতিভা খুঁজে বের করে উপযুক্ত স্বীকৃতি দেওয়াই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার বিষয়ে তিনি বলেন, বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শিক্ষকরা বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমেই বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে এবং এতে স্বচ্ছতা নিয়ে কোনো প্রশ্নের অবকাশ নেই। বিভাগীয় পর্যায়ে বিজয়ীরা পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মোহা. আছাদুজ্জামান। এছাড়া উপপরিচালক মোহা. আবদুর রশিদ, সহকারী পরিচালক মোহা. সাদিকুল ইসলাম এবং রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. বাইরুল ইসলাম বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে বিভাগের আট জেলার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী প্রতিযোগী, তাদের অভিভাবকসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :