রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সভাপতি মামুনুর রশিদ এর নেতৃত্বে দল বর্তমানে সুসংগঠিত ও সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে বলে দাবি করেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
বিএনপি সূত্র জানায়, তার নেতৃত্বে দলীয় কার্যক্রম গতিশীল ও তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় হয়েছে, যা স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
দলীয় নেতারা জানান, মামুনুর রশিদ দুঃসময়ে রাজপথে থেকে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ আন্দোলন ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন। এর মধ্যে ফ্যাসিস্ট শাসনের সময় তিনি বারবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন; র্যাব সদস্যদের হাতে অপহৃত হয়ে নগরীর ভদ্রা আবাসিক এলাকায় ফাঁকা স্থানে নিয়ে একাধীক গুলির করে র্যাব সদস্যরা। ওই সময় তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও থাইয়ের বিভিন্ন অংশে গুলিবিদ্ধ হন। দীর্ঘদিন চিকিৎসার গ্রগণের পর তিনি সুস্থ হলেও সারাজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করেন। যা রাজশাহীর মানুষ তথা দলের নেতা-কর্মীদের ব্যাপকভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় বলে দাবি করেন নেতাকর্মীরা।
বিএনপি নেতারা বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি মহানগর বিএনপি’র ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ের সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি এনেছেন। নিয়মিত সভা-সমাবেশ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং তৃণমূলকে গুরুত্ব দিয়ে দলের ভেতরের দুর্বলতা দূর করার ক্ষেত্রে উদ্যোগ নেয়ার ফলে পুরনো নিষ্কিৃয় ইউনিটগুলো পুনরায় সক্রিয় হয়েছে।
মহানগর বিএনপির একাধিক নেতা উল্লেখ করেন, তিনি একজন ধার্মিক ও সৎ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। ব্যক্তিগত জীবনে শালীনতা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে শৃঙ্খলা বজায় রাখার কারণে নেতাকর্মীদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এই নৈতিক অবস্থান দলকে একত্রিত ও শক্তিশালী রাখার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে তারা মনে করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সংগঠিত ও সক্রিয় কাঠামো দলের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তবে নেতৃত্বকে আরও ধারাবাহিক কর্মসূচি ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই শক্ত অবস্থান ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তারা।
দলীয় সূত্র জানায়, মামুনুর রশিদ বারবার নেতাকর্মীদের ঐক্য, ধৈর্য ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি দেশব্যাপী ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার লক্ষ্যে সকল শ্রেণী-পেশার জনগণকে সমর্থন ও অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
বিএনপি সূত্র জানায়, তার নেতৃত্বে দলীয় কার্যক্রম গতিশীল ও তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় হয়েছে, যা স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
দলীয় নেতারা জানান, মামুনুর রশিদ দুঃসময়ে রাজপথে থেকে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ আন্দোলন ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন। এর মধ্যে ফ্যাসিস্ট শাসনের সময় তিনি বারবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন; র্যাব সদস্যদের হাতে অপহৃত হয়ে নগরীর ভদ্রা আবাসিক এলাকায় ফাঁকা স্থানে নিয়ে একাধীক গুলির করে র্যাব সদস্যরা। ওই সময় তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও থাইয়ের বিভিন্ন অংশে গুলিবিদ্ধ হন। দীর্ঘদিন চিকিৎসার গ্রগণের পর তিনি সুস্থ হলেও সারাজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করেন। যা রাজশাহীর মানুষ তথা দলের নেতা-কর্মীদের ব্যাপকভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় বলে দাবি করেন নেতাকর্মীরা।
বিএনপি নেতারা বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি মহানগর বিএনপি’র ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ের সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি এনেছেন। নিয়মিত সভা-সমাবেশ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং তৃণমূলকে গুরুত্ব দিয়ে দলের ভেতরের দুর্বলতা দূর করার ক্ষেত্রে উদ্যোগ নেয়ার ফলে পুরনো নিষ্কিৃয় ইউনিটগুলো পুনরায় সক্রিয় হয়েছে।
মহানগর বিএনপির একাধিক নেতা উল্লেখ করেন, তিনি একজন ধার্মিক ও সৎ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। ব্যক্তিগত জীবনে শালীনতা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে শৃঙ্খলা বজায় রাখার কারণে নেতাকর্মীদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এই নৈতিক অবস্থান দলকে একত্রিত ও শক্তিশালী রাখার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে তারা মনে করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সংগঠিত ও সক্রিয় কাঠামো দলের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তবে নেতৃত্বকে আরও ধারাবাহিক কর্মসূচি ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই শক্ত অবস্থান ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তারা।
দলীয় সূত্র জানায়, মামুনুর রশিদ বারবার নেতাকর্মীদের ঐক্য, ধৈর্য ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি দেশব্যাপী ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার লক্ষ্যে সকল শ্রেণী-পেশার জনগণকে সমর্থন ও অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :