ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে ভোট দিতে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে রাজশাহীর পবা উপজেলার একটি গ্রামের এক ভোটার তথ্য ও সম্প্রচার সচিবকে বলেন, আমরা ইচ্ছামতো ইচ্ছা প্রকাশ করতে যাব।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকালে রাজশাহী জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের পুড়াপুকুর গ্রামে অনুষ্ঠিত এক উঠান বৈঠকে এ মতামত জানান ওই গ্রামের নারী-পুরুষ ভোটাররা।
উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, তিনি অতিথি হিসেবে নয়, বরং বোন ও স্বজন হয়ে সাধারণ মানুষের কাছে এসেছেন। উদ্দেশ্য হিসেবে তিনি জানান, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে জনগণের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতেই তাঁর এই সফর।
তিনি বলেন, আপনাদের যে অধিকারগুলো রয়েছে, সেগুলো কী, তা জানানোই আমার বার্তা। আপনি যদি জানেন, অন্যকে জানাবেন। আর না জানলে এখান থেকে জেনে যাবেন।
মাহবুবা ফারজানা তার বক্তব্যে বলেন, গত ১৫ থেকে ১৭ বছরে দেশের মানুষ নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ছেলেমেয়েরা স্বচ্ছভাবে নিয়োগ পায়নি, সংবিধানে ইচ্ছেমতো পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং মৌলিক অধিকার সংকুচিত করা হয়েছে। এখন সময় এসেছে জনগণকে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার।
তিনি জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটাররা গোলাপি ব্যালটে একটি গণভোটে অংশ নেবেন, যেখানে হ্যাঁ অথবা না ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে। আপনি যদি ন্যায্য সরকার, বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র ও সুন্দর দেশ চান, তাহলে হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দেবেন,বলেন সচিব।
এদিন ভোটারদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ভোটের দিন দুটি ব্যালটে ভোট দিতে হবে। একটি সাদা ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীকে এবং অপরটি গোলাপি ব্যালটে ন্যায়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পক্ষে ভোট দিতে হবে। তিনি সবাইকে ভোটের দিন সকালে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে সচিব উঠান বৈঠকে অংশ নেওয়া নারী, পুরুষদের মতামত শোনেন এবং তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার এবং পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ।
উঠান বৈঠকে পারিলা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের তিন শতাধিক নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকালে রাজশাহী জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের পুড়াপুকুর গ্রামে অনুষ্ঠিত এক উঠান বৈঠকে এ মতামত জানান ওই গ্রামের নারী-পুরুষ ভোটাররা।
উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, তিনি অতিথি হিসেবে নয়, বরং বোন ও স্বজন হয়ে সাধারণ মানুষের কাছে এসেছেন। উদ্দেশ্য হিসেবে তিনি জানান, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে জনগণের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতেই তাঁর এই সফর।
তিনি বলেন, আপনাদের যে অধিকারগুলো রয়েছে, সেগুলো কী, তা জানানোই আমার বার্তা। আপনি যদি জানেন, অন্যকে জানাবেন। আর না জানলে এখান থেকে জেনে যাবেন।
মাহবুবা ফারজানা তার বক্তব্যে বলেন, গত ১৫ থেকে ১৭ বছরে দেশের মানুষ নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ছেলেমেয়েরা স্বচ্ছভাবে নিয়োগ পায়নি, সংবিধানে ইচ্ছেমতো পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং মৌলিক অধিকার সংকুচিত করা হয়েছে। এখন সময় এসেছে জনগণকে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার।
তিনি জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটাররা গোলাপি ব্যালটে একটি গণভোটে অংশ নেবেন, যেখানে হ্যাঁ অথবা না ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে। আপনি যদি ন্যায্য সরকার, বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র ও সুন্দর দেশ চান, তাহলে হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দেবেন,বলেন সচিব।
এদিন ভোটারদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ভোটের দিন দুটি ব্যালটে ভোট দিতে হবে। একটি সাদা ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীকে এবং অপরটি গোলাপি ব্যালটে ন্যায়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পক্ষে ভোট দিতে হবে। তিনি সবাইকে ভোটের দিন সকালে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে সচিব উঠান বৈঠকে অংশ নেওয়া নারী, পুরুষদের মতামত শোনেন এবং তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার এবং পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ।
উঠান বৈঠকে পারিলা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের তিন শতাধিক নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :