ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ , ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেন থেকে পড়লো শিশু, বাবাও দিলেন ঝাঁপ– উপর দিয়ে গেল ৮ বগি রাসিকের প্রশাসকের সাথে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রুয়েট উপাচার্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ভারতের সহকারী হাইকমিশনার রাসিক প্রশাসকের সাথে কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাসিক প্রশাসকের সাথে জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড়বৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ভাগাভাগি করতে আগ্রহী ইরান পাবনায় ফেন্সিডিল ও ইস্কাফসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার ভোলায় গরু চুরিতে দিশেহারা চরবাসী,এক রাতেই নিঃস্ব কৃষক বিদেশফেরত চিকিৎসকের বাড়িতে লুটপাটের পর আগুন তানোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু আত্রাইয়ে স্ত্রীকে তুলে নিতে এসে স্বামীসহ সাত জন আটক মেয়ের বিয়ের আগের রাতে স্ত্রীকে মেরে ফেললেন স্বামী টয়লেটে গিয়ে মোবাইলে প্রশ্ন সমাধান করছিল এসএসসি পরীক্ষার্থী হাত-পা বাঁধা ও বিবস্ত্র অবস্থায় ধানক্ষেতে পড়ে ছিলেন প্রতিবন্ধী তরুণী ট্রাফিক পুলিশকে লাঞ্ছিত করায় শ্যালক-দুলাভাই গ্রেপ্তার পানির নিচে পাকা ধান, ঘরে তুলতে লড়ছেন নারীরা পুলিশে নতুন করে সাড়ে ১৪ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে মেয়াদ শেষে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-প্রধান উপদেষ্টা ৬ মাস ভিভিআইপি নোয়াখালীতে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১, আহত ৮ সিংড়ায় চাউল-পানির বিষক্রিয়ায় ৮জন ধান কাটা শ্রমিক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

নিয়ামতপুরে রাসায়নিক সারের খরচ কমাতে জমিতে জৈব সার দিচ্ছেন কৃষকেরা

  • আপলোড সময় : ০৯-০১-২০২৬ ১২:৪৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০১-২০২৬ ১২:৪৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
নিয়ামতপুরে রাসায়নিক সারের খরচ কমাতে জমিতে জৈব সার দিচ্ছেন কৃষকেরা নিয়ামতপুরে রাসায়নিক সারের খরচ কমাতে জমিতে জৈব সার দিচ্ছেন কৃষকেরা
বরেন্দ্র অঞ্চলে হিসেবে পরিচিত  নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা। 

ধান উৎপাদনে  বিশেষ খ্যাতি রয়েছে এ উপজেলার । আর কিছু দিনের মধ্যে উপজেলায়  চলতি মৌসুমে বোরো আবাদ শুরু হবে। তার আগে জমিতে জৈব সার দেওয়া শুরু করেছেন কৃষকেরা। স্থানীয়ভাবে এটাকে 'পাউস' বলা হয়।

কৃষকেরা বলছেন, কৃষি জমিতে এই সার ব্যবহারে মাটির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি  ফসলের উৎপাদন বাড়ে। এতে খরচ কমার সঙ্গে রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জৈব সার তৈরির জন্য  কৃষকেরা বাড়ির পাশে একটি নিদিষ্ট জায়গায় মাটি কেটে নিচু করেন। সেখানে সারাবছর গরু-ছাগলের মলমূত্র, খড়কুটো, গৃহস্থালির আবর্জনা  জমা করেন। এগুলো পঁচে গিয়ে জৈব সার তৈরি হয়।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ২৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

ভাবিচা গ্রামের কৃষক দেবব্রত প্রামানিক বলেন, জমিতে জৈব সার দিলে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক তুলনামূলক কম লাগে। এতে করে আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী হওয়া যায়। 

একই গ্রামের কৃষক উজ্জ্বল সরকার জানান, তিনি বোরো মৌসুমে জমিতে জৈব সার দেন। এতে রাসায়নিক সার কম লাগে ও ফসলের রোগবালাই কম হয়। তিনি বিঘা প্রতি দুই ট্রলি করে জৈব সার দিয়েছেন। 

আরেক কৃষক নিতাই বৈরাগী   বলেন, 'আগে আমরা গরুর গাড়িতে করে জমিতে এই পাউস(জৈব সার)দিতাম । সময়ের বিবর্তনে সেই জায়গা এখন দখল করেছে  ইঞ্জিন চালিত ট্রলি। ট্রলিতে করে সবাই জমিতে 'পাউস' দিচ্ছে। 

ট্রলি চালক মো. গোলাম রাব্বানী বলেন, দূরত্বভেদে প্রতি  ট্রলি ২০০-৩০০ টাকা করে  জমিতে 'পাউস' পৌছে দিচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, জমিতে জৈব সার ব্যবহার করা অবশ্যই ভালো। কৃষকেরা বাড়ির পাশেই প্রাকৃতিকভাবে এই সার তৈরি করতে পারেন। জৈব সারের উপস্থিততে জমির মাটিতে পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, পানি সেচ কম  দিতে হয়। জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ফলন বেশি হয়। জৈব সার ব্যবহারের ফলে রাসায়নিক সার কম লাগে। কৃষকের আর্থিক সাশ্রয় হয়। আমরা সব ফসলের জমিতে জৈব সার ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে থাকি। 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীতে আইনগত সহায়তা দিবস: ৬২১টি বিরোধ নিষ্পত্তি

রাজশাহীতে আইনগত সহায়তা দিবস: ৬২১টি বিরোধ নিষ্পত্তি