সিরাজগঞ্জে প্রকাশ্যে কলেজছাত্র আব্দুর রহমান রিয়াদকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান পলাতক আসামি মো. সাকিনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২।
বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার সাভার উপজেলার বিরুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১২, সদর কোম্পানি সূত্র জানায়, অধিনায়কের দিকনির্দেশনায় একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের ১ নম্বর আসামি মো. সাকিনকে আটক করা হয়। পরে তাকে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ডিসেম্বর বিকালে সিরাজগঞ্জ শহরের নাজমুল চত্বরসংলগ্ন ক্রিয়েটিভ স্কুলের সামনে পাকা সড়কে সিএনজির ভেতরে বসে ছিলেন ভিকটিম আব্দুর রহমান রিয়াদ (১৭) ও তার তিন বন্ধু। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে মো. সাকিনসহ ১১ জন আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০–২৫ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে রিয়াদকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়।
হামলায় রিয়াদের কাঁধ, বুক ও হাতে গুরুতর জখম হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওই দিন রাত সাড়ে ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. রেজাউল করিম সিরাজগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি নং-৪০ (তারিখ: ২৯ ডিসেম্বর), দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় রুজু করা হয়। ঘটনার পর সিরাজগঞ্জসহ সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
র্যাব জানায়, মামলা রুজুর পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে ছায়াতদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত মো. সাকিনের বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ধানবান্ধি এলাকায়। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার সাভার উপজেলার বিরুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১২, সদর কোম্পানি সূত্র জানায়, অধিনায়কের দিকনির্দেশনায় একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের ১ নম্বর আসামি মো. সাকিনকে আটক করা হয়। পরে তাকে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ডিসেম্বর বিকালে সিরাজগঞ্জ শহরের নাজমুল চত্বরসংলগ্ন ক্রিয়েটিভ স্কুলের সামনে পাকা সড়কে সিএনজির ভেতরে বসে ছিলেন ভিকটিম আব্দুর রহমান রিয়াদ (১৭) ও তার তিন বন্ধু। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে মো. সাকিনসহ ১১ জন আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০–২৫ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে রিয়াদকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়।
হামলায় রিয়াদের কাঁধ, বুক ও হাতে গুরুতর জখম হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওই দিন রাত সাড়ে ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. রেজাউল করিম সিরাজগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি নং-৪০ (তারিখ: ২৯ ডিসেম্বর), দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় রুজু করা হয়। ঘটনার পর সিরাজগঞ্জসহ সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
র্যাব জানায়, মামলা রুজুর পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে ছায়াতদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত মো. সাকিনের বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ধানবান্ধি এলাকায়। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক