অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলতে হচ্ছে, বাংলাদেশ আজ হারালো তার গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী, মাদার অব ডেমোক্রেসি, আপোষহীন দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে।
দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
রাজশাহী জেলা বিএনপির সম্মানিত আহবায়ক আবু সাইদ চাঁদ, যুগ্মআহবায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল, সদস্য সচিব অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার, রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক আব্দুস ছামাদ, নুরুজ্জামান খান মানিক, রোকুনুজ্জামান আলম, মোঃ গোলাম মোস্তফা মামুন, রায়হানুল আলম, তাজমুলতান টুটুল, সদর উদ্দিন, আলী হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক, শাহাদাৎ হোসেন, জাকিরুল ইসলাম বিকুল, তোফায়েল আহমেদ রাজুসহ জেলা বিএনপির সকল সদস্য গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছেন।
বেগম খালেদা জিয়ার এই প্রস্থান জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে তিনি প্রতিকূল সময়ে দেশ ও মানুষের অধিকারের প্রশ্নে আজীবন আপোষহীন ছিলেন। কারাবরণ, অসুস্থতা ও নানা নির্যাতনের মাঝেও তিনি কখনো মাথানত করেননি। তাঁর বিয়োগের মাধ্যমে একটি আপোষহীন ইতিহাসের অবসান হলো।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামের ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার নাম চিরকাল অগ্রভাগে উচ্চারিত হবে। সংকটকালে তিনি ছিলেন দৃঢ়, সাহসী ও অবিচল নেতৃত্বের প্রতীক।
আমরা মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন এই মহীয়সী নেত্রীকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন এবং তাঁর পরিবার ও দেশবাসীকে এই গভীর শোক সইবার শক্তি দান করেন।
দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
রাজশাহী জেলা বিএনপির সম্মানিত আহবায়ক আবু সাইদ চাঁদ, যুগ্মআহবায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল, সদস্য সচিব অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার, রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক আব্দুস ছামাদ, নুরুজ্জামান খান মানিক, রোকুনুজ্জামান আলম, মোঃ গোলাম মোস্তফা মামুন, রায়হানুল আলম, তাজমুলতান টুটুল, সদর উদ্দিন, আলী হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক, শাহাদাৎ হোসেন, জাকিরুল ইসলাম বিকুল, তোফায়েল আহমেদ রাজুসহ জেলা বিএনপির সকল সদস্য গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছেন।
বেগম খালেদা জিয়ার এই প্রস্থান জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে তিনি প্রতিকূল সময়ে দেশ ও মানুষের অধিকারের প্রশ্নে আজীবন আপোষহীন ছিলেন। কারাবরণ, অসুস্থতা ও নানা নির্যাতনের মাঝেও তিনি কখনো মাথানত করেননি। তাঁর বিয়োগের মাধ্যমে একটি আপোষহীন ইতিহাসের অবসান হলো।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামের ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার নাম চিরকাল অগ্রভাগে উচ্চারিত হবে। সংকটকালে তিনি ছিলেন দৃঢ়, সাহসী ও অবিচল নেতৃত্বের প্রতীক।
আমরা মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন এই মহীয়সী নেত্রীকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন এবং তাঁর পরিবার ও দেশবাসীকে এই গভীর শোক সইবার শক্তি দান করেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি