সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য যে ক’টি পুষ্টিগুণ আমাদের শরীরে অপরিহার্য, তার মধ্যে অন্যতম হল ভিটামিন বি১২। স্নায়ুর সতেজতা ধরে রাখা থেকে শুরু করে শরীরে রক্ত তৈরি, প্রতিটি পদক্ষেপে এই ভিটামিনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। অথচ পরিসংখ্যান বলছে, আমাদের দেশের এক বিশাল অংশ মানুষ অজান্তেই এই ভিটামিনের অভাবে ভুগছেন।
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন গড়ে ২.৪ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন বি১২ প্রয়োজন। শরীর নিজে থেকে এটি তৈরি করতে পারে না বলে সঠিক খাদ্যাভ্যাসই এর একমাত্র সমাধান। আপনিও কি প্রতিদিনের ক্লান্তিবোধ বা শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছেন? তবে জেনে নিন, ওষুধের বদলে কোন ১০টি সাধারণ খাবারের মাধ্যমেই আপনি শরীরে এই 'সুপার ভিটামিন'-এর জোগান নিশ্চিত করতে পারেন।
ঘাটতি হলে কী কী সমস্যা হতে পারে?
শরীরে এই ভিটামিনের অভাব ঘটলে অ্যানিমিয়া (রক্তাল্পতা), ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দেয়। ভিটামিন বি১২ পর্যাপ্ত থাকলে মানসিক অবসাদ কমে এবং হাড়, চুল, নখ ও ত্বক ভাল থাকে। চিকিৎসকদের মতে, সাপ্লিমেন্ট বা ওষুধের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে, তাই খাবারের মাধ্যমে প্রাকৃতিক উপায়ে এই ভিটামিনের জোগান দেওয়া সবথেকে নিরাপদ।
ভিটামিন বি১২-এর ভাণ্ডার: সহজলভ্য ১০টি খাবার:-
১. ছোলা: এতে ভিটামিন বি১২-এর পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর প্রোটিন ও ফাইবার।
২. দই: বি১২-এর অন্যতম বড় উৎস দই, যাতে প্রচুর প্রোবায়োটিক উপাদানও থাকে।
৩. পালংশাক: বি১২ সমৃদ্ধ এই 'সুপারফুড'-এ ফাইবার, ক্যালশিয়াম ও মিনারেলস রয়েছে।
৪. বিট: আয়রন ও বি১২ সমৃদ্ধ বিট শরীরে রক্ত সঞ্চালন সচল রাখতে সাহায্য করে।
৫. ছানার জল: এতে থাকা বি১২ হাড় ও কিডনি ভালো রাখে। এছাড়া এর অ্যালবুমিন ও গ্লোবিউলিন প্রোটিন শরীরে শক্তি জোগায়।
৬. ডিম: প্রোটিন ও ভিটামিনের অন্যতম সহজলভ্য উৎস।
৭. মাশরুম: নিরামিষাশীদের জন্য এটি বি১২-এর একটি ভাল উৎস।
৮. দুধ: নিয়মিত দুধ খেলে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি মেটে।
৯. সামুদ্রিক মাছ: বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ এই ভিটামিনের সমৃদ্ধ উৎস।
১০. মাংস ও মেটে: রেড মিট ও বিশেষ করে মেটেতে প্রচুর পরিমাণে বি১২ পাওয়া যায়।
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন গড়ে ২.৪ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন বি১২ প্রয়োজন। শরীর নিজে থেকে এটি তৈরি করতে পারে না বলে সঠিক খাদ্যাভ্যাসই এর একমাত্র সমাধান। আপনিও কি প্রতিদিনের ক্লান্তিবোধ বা শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছেন? তবে জেনে নিন, ওষুধের বদলে কোন ১০টি সাধারণ খাবারের মাধ্যমেই আপনি শরীরে এই 'সুপার ভিটামিন'-এর জোগান নিশ্চিত করতে পারেন।
ঘাটতি হলে কী কী সমস্যা হতে পারে?
শরীরে এই ভিটামিনের অভাব ঘটলে অ্যানিমিয়া (রক্তাল্পতা), ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দেয়। ভিটামিন বি১২ পর্যাপ্ত থাকলে মানসিক অবসাদ কমে এবং হাড়, চুল, নখ ও ত্বক ভাল থাকে। চিকিৎসকদের মতে, সাপ্লিমেন্ট বা ওষুধের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে, তাই খাবারের মাধ্যমে প্রাকৃতিক উপায়ে এই ভিটামিনের জোগান দেওয়া সবথেকে নিরাপদ।
ভিটামিন বি১২-এর ভাণ্ডার: সহজলভ্য ১০টি খাবার:-
১. ছোলা: এতে ভিটামিন বি১২-এর পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর প্রোটিন ও ফাইবার।
২. দই: বি১২-এর অন্যতম বড় উৎস দই, যাতে প্রচুর প্রোবায়োটিক উপাদানও থাকে।
৩. পালংশাক: বি১২ সমৃদ্ধ এই 'সুপারফুড'-এ ফাইবার, ক্যালশিয়াম ও মিনারেলস রয়েছে।
৪. বিট: আয়রন ও বি১২ সমৃদ্ধ বিট শরীরে রক্ত সঞ্চালন সচল রাখতে সাহায্য করে।
৫. ছানার জল: এতে থাকা বি১২ হাড় ও কিডনি ভালো রাখে। এছাড়া এর অ্যালবুমিন ও গ্লোবিউলিন প্রোটিন শরীরে শক্তি জোগায়।
৬. ডিম: প্রোটিন ও ভিটামিনের অন্যতম সহজলভ্য উৎস।
৭. মাশরুম: নিরামিষাশীদের জন্য এটি বি১২-এর একটি ভাল উৎস।
৮. দুধ: নিয়মিত দুধ খেলে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি মেটে।
৯. সামুদ্রিক মাছ: বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ এই ভিটামিনের সমৃদ্ধ উৎস।
১০. মাংস ও মেটে: রেড মিট ও বিশেষ করে মেটেতে প্রচুর পরিমাণে বি১২ পাওয়া যায়।
ফারহানা জেরিন