কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন, দেশব্যাপী চলমান শিতল আবহাওয়া শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পর্যন্ত অব্যহত থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। এদিকে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, রোববার থেকে শুরু হওয়া শৈত্যপ্রবাহ ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত অথবা ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
‘আজ সোমবার দুপুর ২টার সময় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত কুয়াশার চিত্র বিশ্লেষণ করে দেশের ৬১টি জেলার ওপরে মাঝারি থেকে ভারি ঘনত্বের কুয়াশার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শুধুমাত্র চট্টগ্রাম বিভাগের দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩টি জেলার বিভিন্ন উপজেলার ওপরে হালকা থেকে মাঝারি মানের কুয়াশার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেশের বেশিভাগ জেলার ওপরে দুপুর ৩টার পূর্বে সূর্যের দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে বেশিভাগ জেলার ওপরে আজ সূর্য দেখা যাবে না। আগামীকাল দেশের বেশিভাগ জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ অতিক্রম করার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। আগামী চারদিন দেশব্যাপী একই রকম কুয়াশা ও ঠান্ডা থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।
নৌযান চলাচলে বিশেষ সতর্কতা
আজ রাত, সারাদিন ও সন্ধ্যার পর থেকে পুরো দেশের সব নদ-নদীর ওপরে মাঝারি থেকে খুবই ঘন কুয়াশা থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। ফলে সব নৌপথের সব নদ-নদীতে চলাচল করা নৌযানকে গতি নিয়ন্ত্রণ করে খুবই সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে পদ্মা, যমুনা, তিস্তা, মেঘনা নদীর ওপরে ঘন কুয়াশা থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।
সড়ক পথে চলাচলে বিশেষ সতর্কতা
আজ সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলোর ওপরে ঘন থেকে খুবই ঘন কুয়াশা থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। বিশেষ করে রংপুর, খুলনা, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের সড়ক ও মহাসড়কের ওপর দিয়ে চলাচল করা সব যানবানহনকে গতি নিয়ন্ত্রণ করে খুবই সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে পঞ্চগড়-রংপুর-বগুড়া-সিরাজগঞ্জ-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে খুবই ঘন কুয়াশা থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।
শৈত্যপ্রবাহ আপডেট
দেশব্যাপী চলমান শীতল আবহাওয়া আগামী শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পর্যন্ত অব্যহত থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। আগামীকাল সোমবার রংপুর, রাজশাহী, ও খুলনা বিভাগের একাধিক জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ তিন বিভাগের কোনো কোনো জেলায় সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যাওয়ার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।
আগামী চারদিন দেশব্যাপী (২ জানুয়ারি) একই রকম কুয়াশা ও ঠান্ডা থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।’
এদিকে বিডব্লিউওটি তাদের ফেসবুক পেজে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছে, শৈত্যপ্রবাহটি রোববার (২৮ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হয়ে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত অথবা ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
বিডব্লিউওটি জানায়, শৈত্যপ্রবাহ ‘কনকন’ সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকতে পারে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায়। এ ছাড়া রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগসহ গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর ও আশপাশের এলাকাতেও শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হতে পারে।
অন্যদিকে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বেশ কিছু এলাকায় শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব কম থাকতে পারে। যদিও দেশের উপকূলীয় অঞ্চল, ঢাকা শহর, কক্সবাজার, বান্দরবান ও চট্টগ্রামে শীত অনুভূত হবে, তবে এসব এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ তেমন সক্রিয় থাকবে না বলে জানানো হয়েছে। শৈত্যপ্রবাহ চলাকালে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের কিছু জেলায় তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিডব্লিউওটির তথ্যমতে, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, পাবনা, বগুড়া, নাটোর, নড়াইল, যশোর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাগুরা ও রাজবাড়ীসহ আশপাশের এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। এসব এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত আগেই শুরু হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
‘আজ সোমবার দুপুর ২টার সময় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত কুয়াশার চিত্র বিশ্লেষণ করে দেশের ৬১টি জেলার ওপরে মাঝারি থেকে ভারি ঘনত্বের কুয়াশার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শুধুমাত্র চট্টগ্রাম বিভাগের দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩টি জেলার বিভিন্ন উপজেলার ওপরে হালকা থেকে মাঝারি মানের কুয়াশার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেশের বেশিভাগ জেলার ওপরে দুপুর ৩টার পূর্বে সূর্যের দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে বেশিভাগ জেলার ওপরে আজ সূর্য দেখা যাবে না। আগামীকাল দেশের বেশিভাগ জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ অতিক্রম করার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। আগামী চারদিন দেশব্যাপী একই রকম কুয়াশা ও ঠান্ডা থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।
নৌযান চলাচলে বিশেষ সতর্কতা
আজ রাত, সারাদিন ও সন্ধ্যার পর থেকে পুরো দেশের সব নদ-নদীর ওপরে মাঝারি থেকে খুবই ঘন কুয়াশা থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। ফলে সব নৌপথের সব নদ-নদীতে চলাচল করা নৌযানকে গতি নিয়ন্ত্রণ করে খুবই সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে পদ্মা, যমুনা, তিস্তা, মেঘনা নদীর ওপরে ঘন কুয়াশা থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।
সড়ক পথে চলাচলে বিশেষ সতর্কতা
আজ সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলোর ওপরে ঘন থেকে খুবই ঘন কুয়াশা থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। বিশেষ করে রংপুর, খুলনা, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের সড়ক ও মহাসড়কের ওপর দিয়ে চলাচল করা সব যানবানহনকে গতি নিয়ন্ত্রণ করে খুবই সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে পঞ্চগড়-রংপুর-বগুড়া-সিরাজগঞ্জ-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে খুবই ঘন কুয়াশা থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।
শৈত্যপ্রবাহ আপডেট
দেশব্যাপী চলমান শীতল আবহাওয়া আগামী শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পর্যন্ত অব্যহত থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। আগামীকাল সোমবার রংপুর, রাজশাহী, ও খুলনা বিভাগের একাধিক জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ তিন বিভাগের কোনো কোনো জেলায় সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যাওয়ার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।
আগামী চারদিন দেশব্যাপী (২ জানুয়ারি) একই রকম কুয়াশা ও ঠান্ডা থাকার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।’
এদিকে বিডব্লিউওটি তাদের ফেসবুক পেজে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছে, শৈত্যপ্রবাহটি রোববার (২৮ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হয়ে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত অথবা ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
বিডব্লিউওটি জানায়, শৈত্যপ্রবাহ ‘কনকন’ সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকতে পারে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায়। এ ছাড়া রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগসহ গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর ও আশপাশের এলাকাতেও শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হতে পারে।
অন্যদিকে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বেশ কিছু এলাকায় শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব কম থাকতে পারে। যদিও দেশের উপকূলীয় অঞ্চল, ঢাকা শহর, কক্সবাজার, বান্দরবান ও চট্টগ্রামে শীত অনুভূত হবে, তবে এসব এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ তেমন সক্রিয় থাকবে না বলে জানানো হয়েছে। শৈত্যপ্রবাহ চলাকালে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের কিছু জেলায় তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিডব্লিউওটির তথ্যমতে, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, পাবনা, বগুড়া, নাটোর, নড়াইল, যশোর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাগুরা ও রাজবাড়ীসহ আশপাশের এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। এসব এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত আগেই শুরু হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক