ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ , ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পবার পাইলট এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন ১৬ মে নগরীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় ছিনতাই চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, অটোরিক্সা উদ্ধার বরিশাল জজ কোর্টের আইনজীবীকে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে এক নারী গ্রেফতার রাজশাহীর বাজারে আসছে মৌসুমের প্রথম গুটি আম খাদেমুল ইসলাম জামে মসজিদ ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার পুনর্নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনকে খ্রিস্টানপাড়ায় সংবর্ধনা রাজশাহীতে ঐতিহ্যের প্রতীক ঢোপকল স্থাপন, নগর ইতিহাস সংরক্ষণে রাসিকের উদ্যোগ বড়মাঠে মিলল এসএসসির ৫০ খাতা, ঠাকুরগাঁওজুড়ে তোলপাড় আম গাছ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু ফারাক্কা লংমার্চের ৫০ বছর উপলক্ষে রাজশাহীতে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাদক, চুরি-ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন ডিজিটাল উন্নয়নে রাজশাহী এগিয়ে যাবে নিক্স পপের মাধ্যমে, ভূমিমন্ত্রী ব্র্যাককে রাজশাহী সিল্ক বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর হালিশহরে ১১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারীসহ ৬ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কুকুরের কামড়ে হাসপাতালে ৩ গ্রামের মানুষ প্রেমিককে দিয়ে বাবার বাড়িতেই ডাকাতি, গ্রেফতার তরুণী কলকাতায় রাস্তায় জুমার নামাজ পড়া ঘিরে উত্তেজনা, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন পাওনা টাকা দাবি করায় প্রাণনাশের হুমকি ও অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ওমরপুর পূজা মন্দিরে কীর্তন অনুষ্ঠানের সমাপনী, উন্নয়নের আশ্বাস রাসিক প্রশাসকের হারিয়ে যাওয়া রাজশাহী সিল্ককে আবার বিশ্বব্যাপী নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ ব্র্যাকের কাছে: ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু

লুইজিয়ানায় কোম্পানি বিক্রির ২৪০ মিলিয়ন ডলার কর্মীদের বোনাস দিলেন এক মালিক

  • আপলোড সময় : ২৭-১২-২০২৫ ০২:১৭:২২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-১২-২০২৫ ০২:১৭:২২ পূর্বাহ্ন
লুইজিয়ানায় কোম্পানি বিক্রির ২৪০ মিলিয়ন ডলার কর্মীদের বোনাস দিলেন এক মালিক
 
ইমা এলিস/বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানার এক কারখানা–প্রধান যেন বাস্তবের সান্তা ক্লজ তিনি তাঁর ৫৪০ জন পূর্ণকালীন কর্মীকে মোট ২৪০ মিলিয়ন ডলার বোনাস দিয়েছেন, প্রত্যেকের ভাগে পড়েছে ছয় অঙ্কের চেক। এই উদারতার পেছনে কারণ, তিনি কোম্পানিটি ১.৭ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেছেন।


 
গ্রাহাম ওয়াকার, ফাইবারবন্ডের সাবেক সিইও, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-কে জানান সম্ভাব্য ক্রেতা ইটন যদি বিক্রয়মূল্যের ১৫ শতাংশ কর্মীদের জন্য বরাদ্দ না করত, তবে তিনি বিক্রিতে রাজি হতেন না যদিও কর্মীদের কারও শেয়ার ছিল না।
এ বছরের শুরুতে ইটন যখন ফাইবারবন্ড অধিগ্রহণ করে, তখন এই শর্ত কার্যকর হয়। ফলে ৫৪০ জন কর্মী গড়ে প্রতি জন প্রায় ৪ লাখ ৪৩ হাজার ডলার করে বোনাস পাচ্ছেন যা পাঁচ বছরে কিস্তিতে দেওয়া হবে। দীর্ঘদিনের কর্মীরা এর চেয়েও বেশি পেয়েছেন।


৪৬ বছর বয়সী ওয়াকার বলেন, এই শর্ত ছিল অলোচনাহীন। জুনে কর্মীরা সিল করা খামে নিজেদের বোনাসের বিস্তারিত পান—কেউ আবেগে ভেঙে পড়েন, কেউ ভেবেছিলেন এটি রসিকতা; আবার কেউ বিস্ময়ে নীরব হয়ে যান।


১৯৯৫ সালে ঘণ্টায় ৫.৩৫ ডলার মজুরিতে কাজ শুরু করা ২৯ বছরের অভিজ্ঞ কর্মী লেসিয়া কী চিঠি খুলে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এখন ৫১ বছর বয়সী কী ফাইবারবন্ডের ২৫৪ একর ক্যাম্পাস জুড়ে একাধিক স্থাপনা তদারক করেন এবং ১৮ জনের দল পরিচালনা করেন। বোনাসের অর্থে তিনি ঋণমুক্ত হয়েছেন এবং কাছের এক শহরে একটি পোশাকের বুটিক খুলেছেন।


আগে আমরা মাসের শেষে মাস চালাতে হিমশিম খেতাম, কী বলেন। এখন আমি সত্যিই বাঁচতে পারছি।
আরেক কর্মী পুরো পরিবারকে ক্যানকুন ভ্রমণে নিয়ে গেছেন। অনেকে ক্রেডিট কার্ডের দেনা শোধ করেছেন, গাড়ি কিনেছেন, কলেজের টিউশন দিয়েছেন বা অবসর সঞ্চয় বাড়িয়েছেন।


দীর্ঘদিনের সহকারী ম্যানেজার হং ‘টিটি’ ব্ল্যাকওয়েল (৬৭)—ভিয়েতনাম থেকে আসা অভিবাসী কয়েক লাখ ডলার পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে অবসর নেন। তিনি স্বামীর জন্য একটি টয়োটা টাকোমা কিনেছেন এবং বাকিটা সঞ্চয় করেছেন। এখন আর চিন্তা নেই। তিনি বলেন আমার অবসর শান্ত।


কর কেটে প্রায় ১ লাখ ডলার কমে গেলেও, হাতে পাওয়া অর্থ ছিল জীবন বদলে দেওয়ার মতো।
প্রায় ১২ হাজার জনসংখ্যার শহর মাইন্ডেন-এ এই অর্থ দ্রুতই স্থানীয় অর্থনীতিতে ঢেউ তোলে। খুচরা বিক্রেতাদের বিক্রি বেড়েছে; মানুষ দেনা শোধ, বাড়ি সংস্কার ও বহুদিনের কেনাকাটা সেরেছেন। শহরের মেয়র নিক কক্স বলেন, খরচের অঙ্ক নিয়ে শহরজুড়ে বেশ গুঞ্জন।


ফাইবারবন্ড প্রতিষ্ঠা করেন ওয়াকারের বাবা ক্লড ওয়াকার ১৯৮২ সালে মাত্র এক ডজন কর্মী নিয়ে বিদ্যুৎ ও টেলিকম সরঞ্জামের আশ্রয়কেন্দ্র বানিয়ে। ১৯৯০–এর সেলুলার বুমে কোম্পানি ফুলে–ফেঁপে ওঠে; কিন্তু ১৯৯৮ সালে কারখানা পুড়ে গেলে প্রায় ধসে পড়ে। তবু উৎপাদন থেমে থাকলেও ওয়াকার পরিবার কর্মীদের বেতন চালু রাখে যা আজও কোম্পানির আনুগত্য–সংস্কৃতির ভিত্তি বলে কর্মীরা মানেন।


২০০০–এর শুরুতে ডট–কম ধস কোম্পানির গ্রাহক কমিয়ে তিনটিতে নামিয়ে আনে; কর্মীসংখ্যা ৯০০ থেকে ৩২০-এ নেমে যায়। পরে গ্রাহাম ও তাঁর ভাই দায়িত্ব নিয়ে সম্পদ বিক্রি ও ঋণ শোধ করে নতুন বাজার খোঁজেন।


পালাবদল আসে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে—ডেটা সেন্টারের জন্য মডুলার পাওয়ার এনক্লোজার তৈরিতে মোড় নেওয়ায়। মহামারির সময় ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের চাহিদা বেড়ে গেলে সেই বাজি সফল হয়। পাঁচ বছরে বিক্রি প্রায় ৪০০ শতাংশ বেড়ে যায়।


ওয়াকার প্রতিটি সম্ভাব্য ক্রেতাকে একই কথা বলেছেন—বিক্রয়মূল্যের ১৫ শতাংশ কর্মীদের জন্য। কেন ১৫ শতাংশ? তাঁর জবাব, “১০ শতাংশের চেয়েও বেশি।”


পরামর্শকেরা সতর্ক করেছিলেন, এই শর্তে চুক্তি জটিল হতে পারে বা বাদ পড়া সাবেক কর্মীরা মামলা করতে পারেন—তবু ওয়াকার অনড় থাকেন।


বোনাসগুলো রিটেনশন অ্যাওয়ার্ড হিসেবে সাজানো—পাঁচ বছরে বার্ষিক কিস্তিতে, যাতে অধিকাংশ কর্মী কোম্পানিতে থেকে পুরো অর্থ পান। ওয়াকার বলেন, বিক্রির পরও কাজ স্বাভাবিক রাখতে এই শর্তটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় ছিনতাই চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, অটোরিক্সা উদ্ধার

নগরীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় ছিনতাই চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, অটোরিক্সা উদ্ধার