ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ , ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
​রাজশাহীতে জমকালো আয়োজনে ‘মতবিনিময় সভা এবং ক্যারিয়ার কাউন্সিল -২০২৬’ অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার হোয়াইট হাউসের ডিনারে গুলির শব্দে সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্প দম্পতিকে শিবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ৭৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৯ রাজশাহীতে গাঁজা ও ট্যাবলেট-সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ২ রাজশাহীতে করিডোর নাইট ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের পুরস্কার বিতরণ সাজিদ হত্যা মামলার পলাতক আসামি অনিক দাস গ্রেপ্তার রাউজানে পরিত্যক্ত পাইপগান ও কার্তুজ উদ্ধার, র‌্যাবের অভিযান জয়পুরহাটে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, মোটরসাইকেল জব্দ নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২২ মোহনপুরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বিএমডিএফ আর্থিক সহায়তায় রাসিকের প্রস্তাবিত প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রাসিক প্রশাসকের সাথে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ দাওকান্দি কলেজে সংঘর্ষ: সংবাদ সম্মেলনে অধ্যক্ষ ও প্রদর্শকের অপসারণে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রেজাউল করিম রাজুর মাতা রিজিয়া বেগমের মৃত্যুতে রাসিক প্রশাসকের শোক ‘গুপ্ত রাজনীতি’ থেকে বেরিয়ে শিবিরকে প্রকাশ্যে রাজনীতি করার আহবান ছাত্রদল সভাপতির ইরানি পতাকাবাহী আরও একটি জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র এখন তো আওয়ামী লীগ নেই, শিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ করার দরকার কী বড় পর্দায় আসছে ‘কিং’, তারিখ জানালো প্রযোজনা সংস্থা

আজ নাটোর হানাদারমুক্ত দিবস

  • আপলোড সময় : ২১-১২-২০২৫ ০২:২৫:৩০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-১২-২০২৫ ০২:২৫:৩০ অপরাহ্ন
আজ নাটোর হানাদারমুক্ত দিবস আজ নাটোর হানাদারমুক্ত দিবস
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করলে নাটোর মুক্ত  হয় এর পাঁচ দিন পর। এই সময় পর্যন্ত নাটোর ছিল পাক বাহিনীর দখলে। অবশেষে  ১৯৭১ সালের ২১ ডিসেম্বর শহরের উত্তরা গণভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। ওইদিন বিজয় উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে পুরো জেলায়।

২৬ মার্চের কালো রাতে ঢাকায় গণহত্যা চালানোর পর পাকিস্তান সেনাবাহিনী সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। যোগাযোগ সুবিধার কারণে নাটোরে তাদের দ্বিতীয় হেড কোয়ার্টার প্রতিষ্ঠা করে পাকিস্তানি বাহিনী। সমগ্র উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের যুদ্ধ নাটোর থেকে পরিচালনা করা হতো। শহরের ফুলবাগানে সিও অফিস ব্যবহার করা হয় প্রধান কার্যালয় হিসেবে।

এছাড়া তৎকালীন গভর্নর  হাউস তথা বর্তমান উত্তরা গণভবন, রাণী ভবানী রাজবাড়ী, আনসার ক্যাম্প, পি.টিআই এবং নবাব সিরাজ-উদ্-দৌলা কলেজে অবস্থান নেয় হানাদাররা। তার মধ্যেও জেলার বিভিন্ন স্থানে  চলে প্রতিরোধ যুদ্ধ। অন্যদিকে নির্বিচারে চলে গণ হত্যা।

শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অবস্থান নেওয়ায় ১৩ এপ্রিলের পর থেকে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে নাটোর শহর।

ইতোপূর্বে নাটোর টাউন পার্কে খন্দকার আবু আলীর নেতৃত্বে গঠিত সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ এবং নাটোর রিক্রিয়েশন ক্লাব থেকে পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের কার্যক্রম মন্থর হয়ে পড়ে। 

শহরে পাকিস্তানি বাহিনীর শক্ত অবস্থানের কারণে মুক্তিযোদ্ধারা নাটোর ছাড়তে শুরু করেন বলে জানান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক অ্যাড.  মাজেদুর রহমান চাঁদ। তিনি বলেন, নাটোরের মুক্তিযোদ্ধারা প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। অনেকেই জেলার অভ্যন্তরে গড়ে তোলেন প্রতিরোধ যুদ্ধ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আলাউদ্দিন বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের পর মুক্তিযোদ্ধারা রণাঙ্গন থেকে নাটোরে ফিরে আসতে শুরু করেন।

১৩ এপ্রিল থেকে ১৫ ডিসেম্বর নাটোর শহর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ১৬ ডিসেম্বর থেকে তারা নিজেদের গুটিয়ে নেয়। ১৬ থেকে ২০ ডিসেম্বর দেশের  উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন স্থান থেকে সেনাবাহিনী নাটোরে সমবেত হতে থাকে।  এরপর আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ২১ ডিসেম্বর তৎকালীন গভর্নর হাউস  বর্তমান উত্তরা গণভবনে ১৪১ জন কর্মকর্তা, ১১৮ জন জিওসি, পাঁচ হাজার ৪৫০ জন সিপাহী এবং এক হাজার ৮৫৬ জন প্যারামিলিশিয়া বাহিনী নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নওয়াব আহমেদ আশরাফ।

আত্মসমর্পণ দলিলে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন মিত্র বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রঘুবীর সিং পান্নু। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিত্র বাহিনীর অধিনায়ক লে. জেনারেল লসমন সিং এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অধিনায়ক মেজর জেনারেল নজর শাহ্। ১০ হাজার ৭৭৩টি অস্ত্রসহ জমা হয় ট্যাংক, মর্টার এবং অসংখ্য সাঁজোয়া যান। সকালের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে কোনো সিভিলিয়নের প্রবেশাধিকার ছিল না বলে জানান এলাকার বাসিন্দা খালেদ বিন বাচ্চু । একই মত পোষণ করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নাটোর উপজেলা শাখার  সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মকছেদ আলী মোল্লা। 

এদিকে, আত্মসমর্পণের খবর ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। সারাদিন ধরে শহরে চলে বিজয় মিছিল আর মুক্ত আকাশে গান ফায়ার। 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বিএমডিএফ আর্থিক সহায়তায় রাসিকের প্রস্তাবিত প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বিএমডিএফ আর্থিক সহায়তায় রাসিকের প্রস্তাবিত প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত