মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় চার বছরের প্রেমের অভিযোগ এনে বিয়ের দাবিতে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বাড়িতে টানা দুই দিন ধরে অনশন করছেন এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিয়ের দাবিতে মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষিকা সালমা খাতুন অভিযুক্ত শিক্ষক আমিরুল ইসলাম সুফলের বাড়িতে গেলে তিনি বাড়ি ছেড়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যান।
অভিযুক্ত আমিরুল ইসলাম সুফল গাংনী উপজেলার চেংগাড়া গ্রামের আনারুদ্দীনের ছেলে এবং চেংগাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। অনশনরত সালমা খাতুন একই উপজেলার গোপালনগর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মহিষকুন্ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক।
সালমা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, গত চার বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এ সময় বিভিন্ন স্থানে একসঙ্গে ঘোরাফেরা করেছেন এবং শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সালমার ভাষ্য, চাকরি পেলে তাকে বিয়ে করবেন, এমন আশ্বাস দিয়েছিলেন সুফল। আমি এখন চাকরি পেয়েছি, কিন্তু সে বিয়ে করতে চাইছে না। এমনকি আমার ফোনও ধরছে না। বিয়ে না করলে এই বাড়ি থেকে আমার লাশ বের হবে,বলেন তিনি।
অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক আমিরুল ইসলাম সুফল মোবাইল ফোনে দাবি করেন, সালমা খাতুনের সঙ্গে তার কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই। বিয়ের জন্য তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে পালানো ছাড়া উপায় ছিল না। আমি তাকে বিয়ে করবো না।”
অভিযুক্ত শিক্ষকের খালাতো ভাই বাবু বলেন, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল কিনা তা পরিবারের কেউ জানেন না। সালমা খাতুন সম্পর্কের কথা বললেও আমিরুল ইসলাম তা অস্বীকার করছেন। বিষয়টি জানার পর মেয়ের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি বলে জানান তিনি। পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তথ্য সংগ্রহ করেছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাশ বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিয়ের দাবিতে মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষিকা সালমা খাতুন অভিযুক্ত শিক্ষক আমিরুল ইসলাম সুফলের বাড়িতে গেলে তিনি বাড়ি ছেড়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যান।
অভিযুক্ত আমিরুল ইসলাম সুফল গাংনী উপজেলার চেংগাড়া গ্রামের আনারুদ্দীনের ছেলে এবং চেংগাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। অনশনরত সালমা খাতুন একই উপজেলার গোপালনগর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মহিষকুন্ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক।
সালমা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, গত চার বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এ সময় বিভিন্ন স্থানে একসঙ্গে ঘোরাফেরা করেছেন এবং শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সালমার ভাষ্য, চাকরি পেলে তাকে বিয়ে করবেন, এমন আশ্বাস দিয়েছিলেন সুফল। আমি এখন চাকরি পেয়েছি, কিন্তু সে বিয়ে করতে চাইছে না। এমনকি আমার ফোনও ধরছে না। বিয়ে না করলে এই বাড়ি থেকে আমার লাশ বের হবে,বলেন তিনি।
অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক আমিরুল ইসলাম সুফল মোবাইল ফোনে দাবি করেন, সালমা খাতুনের সঙ্গে তার কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই। বিয়ের জন্য তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে পালানো ছাড়া উপায় ছিল না। আমি তাকে বিয়ে করবো না।”
অভিযুক্ত শিক্ষকের খালাতো ভাই বাবু বলেন, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল কিনা তা পরিবারের কেউ জানেন না। সালমা খাতুন সম্পর্কের কথা বললেও আমিরুল ইসলাম তা অস্বীকার করছেন। বিষয়টি জানার পর মেয়ের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি বলে জানান তিনি। পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তথ্য সংগ্রহ করেছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাশ বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিনিধি :